১২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রিজ থাকলেও নেই সংযোগ সড়ক

  • Update Time : ০৩:৫৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: ব্রিজ নির্মাণ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু দুই পাশের সংযোগ সড়ক নেই। তাই পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের মধুখালী শাখা নদীতে নির্মিত গার্ডার ব্রিজটি কোনো কাজে আসছে না। ফলে মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়া পূর্বমধুখালী আর পশ্চিম মধুখালীসহ আশপাশের দশ গ্রামের মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। জানা যায়, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৫ মিটার দীর্ঘ মধুখালী গার্ডার ব্রিজটির কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০১৯ সালে। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। এটির কাজ ২১ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু ২১ সালের অধিকাংশ সময় এ ব্রিজের কাজ বন্ধ ছিল। এরই মধ্যে দুই দফা সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু এখন কবে নাগাদ এটির কাজ শেষ হবে, তা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি। স্থানীয়রা জানান, ব্রিজটির দু’পাশের সংযোগ সড়ক না হওয়ায় কাঠের পাটাতনের একটি সেতু দিয়ে হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে। তাও এখন নড়বড়ে অবস্থায়, ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়তে হয় শিশু ও বৃদ্ধ মানুষের। এছাড়া স্কুলগামী শিশুদের কাঠের পাটাতন দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। ভুক্তভোগীরা দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী মো. মহর আলী বলেন, লার্জ ব্রিজ কনস্ট্রাকশন (এলভিসি) প্রকল্পের আওতায় এই ব্রিজটির কাজ চলছে। এ ব্যাপারে ঠিকাদারকে কয়েক দফা চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ব্রিজ থাকলেও নেই সংযোগ সড়ক

Update Time : ০৩:৫৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০২২
ডেস্ক রিপোর্ট :: ব্রিজ নির্মাণ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু দুই পাশের সংযোগ সড়ক নেই। তাই পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের মধুখালী শাখা নদীতে নির্মিত গার্ডার ব্রিজটি কোনো কাজে আসছে না। ফলে মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়া পূর্বমধুখালী আর পশ্চিম মধুখালীসহ আশপাশের দশ গ্রামের মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। জানা যায়, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৫ মিটার দীর্ঘ মধুখালী গার্ডার ব্রিজটির কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০১৯ সালে। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। এটির কাজ ২১ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু ২১ সালের অধিকাংশ সময় এ ব্রিজের কাজ বন্ধ ছিল। এরই মধ্যে দুই দফা সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু এখন কবে নাগাদ এটির কাজ শেষ হবে, তা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি। স্থানীয়রা জানান, ব্রিজটির দু’পাশের সংযোগ সড়ক না হওয়ায় কাঠের পাটাতনের একটি সেতু দিয়ে হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে। তাও এখন নড়বড়ে অবস্থায়, ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়তে হয় শিশু ও বৃদ্ধ মানুষের। এছাড়া স্কুলগামী শিশুদের কাঠের পাটাতন দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। ভুক্তভোগীরা দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী মো. মহর আলী বলেন, লার্জ ব্রিজ কনস্ট্রাকশন (এলভিসি) প্রকল্পের আওতায় এই ব্রিজটির কাজ চলছে। এ ব্যাপারে ঠিকাদারকে কয়েক দফা চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ