০৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্রোতের বিপরীত দুটি কথা : শাহ মমশাদ আহমদ

  • Update Time : ০৩:২৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২২
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

# কারো নাম বা উপাধি বিকৃতি করা কী? ইসলাম তো আপনাকে সে অধিকার দেয়নি। কুরআন-সুন্নাহের দৃষ্টিতে তা কাবিরা গুনাহ নয় কি?

# কিছু দিন পুর্বে আমরা সাবেক এক মন্ত্রীর টাক মাথা নিয়ে বিদ্রুপ করেছি, অনেক দায়িত্বশীল আলেমকে পর্যন্ত ট্রল করতে দেখেছি!
# আপনার দৃষ্টিতে নাস্তিক, কিন্তু অনেকের কাছে তিনি সম্মানী ব্যক্তি। তার উপাধি নিয়ে বিদ্রুপ করার সুযোগ ও তো ইসলাম আপনাকে দেয়নি। একবার চিন্তা করুন, আপনি সম্মান সুচক শব্দ ‘স্যার’ কে বিকৃত করে “ষাঁড়” বললেন, প্রতুত্তরে উনার ভক্তরা যদি মাওলানা সাহেব কে “মাওলানাসাপ” অথবা পীর সাহেবকে “পীরসাপ” বলে, আপনার কেমন লাগবে?
আলেমদের যদি ‘জালেমসাপ” বলে ব্যঙ্গ করে, আপনার অনুভূতি কেমন হবে? ঘা শিহরে উঠবে। অবশ্যই শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ক্রোধের আগুন জ্বলবে। আপনি জানেন কী?
এমন বিকৃতি আর ব্যঙ্গ দেখে ওরা আপনার উপর ক্রোধান্বিত হয়না, ওদের ক্রোধের দাবানল আছড়ে পরে ইসলামের উপর। ইসলামের প্রতি ওদের বিদ্বেষ বাড়তেই থাকে। এজন্য দায়ী তো আপনি? কেননা ওরা ইসলাম মানেই আলেম-উলামাদের জানে। কুরআন সুন্নাহ থেকে ওরা অনেক দূরে।

# আল্লাহ পৌত্তলিকদের প্রতিমাগুলোকে গালি দিতে নিষেধ করেছেন, যাতে ওরা মহান আল্লাহকে গালি দেয়ার সুযোগ না পায়।(আনআম)। অথচ আপনি তাদের কাছে মর্যাদাবান মানুষদের নাম বিকৃতি/গালি দিয়ে যাচ্ছেন?

একটু ভেবে দেখুন। ইসলাম বিরুধী দু-কলম লিখে, দু’একটা কথা বলে, আপনার হাজারো গালি/নাম বিকৃতি দেখে, ওরা জবাব দেয়না, বরং মুচকি হাসে, পুলকিত হয়। ওরা গালিগুলি বস্তাবন্দি করে ইসলামের বর্বরতার রুপ হিসেবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পায়! আসুন, স্রোতে গা ভাসিয়ে আবেগ বিবর্জন করে দ্বীন-ইসলামের জন্য কিছু খেদমত করার চেষ্টা করি। আল্লাহ তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

স্রোতের বিপরীত দুটি কথা : শাহ মমশাদ আহমদ

Update Time : ০৩:২৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২২

# কারো নাম বা উপাধি বিকৃতি করা কী? ইসলাম তো আপনাকে সে অধিকার দেয়নি। কুরআন-সুন্নাহের দৃষ্টিতে তা কাবিরা গুনাহ নয় কি?

# কিছু দিন পুর্বে আমরা সাবেক এক মন্ত্রীর টাক মাথা নিয়ে বিদ্রুপ করেছি, অনেক দায়িত্বশীল আলেমকে পর্যন্ত ট্রল করতে দেখেছি!
# আপনার দৃষ্টিতে নাস্তিক, কিন্তু অনেকের কাছে তিনি সম্মানী ব্যক্তি। তার উপাধি নিয়ে বিদ্রুপ করার সুযোগ ও তো ইসলাম আপনাকে দেয়নি। একবার চিন্তা করুন, আপনি সম্মান সুচক শব্দ ‘স্যার’ কে বিকৃত করে “ষাঁড়” বললেন, প্রতুত্তরে উনার ভক্তরা যদি মাওলানা সাহেব কে “মাওলানাসাপ” অথবা পীর সাহেবকে “পীরসাপ” বলে, আপনার কেমন লাগবে?
আলেমদের যদি ‘জালেমসাপ” বলে ব্যঙ্গ করে, আপনার অনুভূতি কেমন হবে? ঘা শিহরে উঠবে। অবশ্যই শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ক্রোধের আগুন জ্বলবে। আপনি জানেন কী?
এমন বিকৃতি আর ব্যঙ্গ দেখে ওরা আপনার উপর ক্রোধান্বিত হয়না, ওদের ক্রোধের দাবানল আছড়ে পরে ইসলামের উপর। ইসলামের প্রতি ওদের বিদ্বেষ বাড়তেই থাকে। এজন্য দায়ী তো আপনি? কেননা ওরা ইসলাম মানেই আলেম-উলামাদের জানে। কুরআন সুন্নাহ থেকে ওরা অনেক দূরে।

# আল্লাহ পৌত্তলিকদের প্রতিমাগুলোকে গালি দিতে নিষেধ করেছেন, যাতে ওরা মহান আল্লাহকে গালি দেয়ার সুযোগ না পায়।(আনআম)। অথচ আপনি তাদের কাছে মর্যাদাবান মানুষদের নাম বিকৃতি/গালি দিয়ে যাচ্ছেন?

একটু ভেবে দেখুন। ইসলাম বিরুধী দু-কলম লিখে, দু’একটা কথা বলে, আপনার হাজারো গালি/নাম বিকৃতি দেখে, ওরা জবাব দেয়না, বরং মুচকি হাসে, পুলকিত হয়। ওরা গালিগুলি বস্তাবন্দি করে ইসলামের বর্বরতার রুপ হিসেবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পায়! আসুন, স্রোতে গা ভাসিয়ে আবেগ বিবর্জন করে দ্বীন-ইসলামের জন্য কিছু খেদমত করার চেষ্টা করি। আল্লাহ তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ