রাতব্যাপী মাহফিল-যে কারণে পরিহার করা জরুরী : শাহ মমশাদ আহমদ
- Update Time : ০৭:২৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ওয়াজের মওসুম শুরু হয়েছে। গ্রামাঞ্চল সহ কিছু শহুরে এলাকায় ও এখনো রাতব্যাপী মাহফিলের প্রচলন রয়েছে। এসব মাহফিলের সময়সুচীতে পরিবর্তন আনা এবং সাউন্ড নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব জরুরী।
উচ্চ আওয়াজে রাতব্যাপী মাহফিলের কয়েকটি ক্ষতিকর দিক।
& উচ্চ আওয়াজের কারণে মানুষের ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি।মানুষ ওয়াজ শুনতে বাধ্য নয়। উচ্চ আওয়াজে মানুষের ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি ওয়াজ শুনতে বাধ্য করা জুলুম নয় কি?
& হৃদরোগী সহ অসুস্থ মানুষের জন্য উচ্চ আওয়াজ মারাত্মক ক্ষতিকর।অনেক সুস্থ মানুষের ও তা বরদাশত হয়না। শরীয়ত কি
কাউকে কষ্ট দেয়ার অধিকার দিয়েছে?
& শিক্ষার্থীরা উচ্চ আওয়াযে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এদের মনে ইসলাম নিয়ে যে বিরুপ ধারণার সৃষ্টি হয়। এজন্য দায়ী কে
& মানুষের কাছ থেকে হাত পেতে চাদা উঠিয়ে মাহফিলের আয়োজন করা হয়। শেষ রাতে গোটা কতেক শ্রোতার জন্য
রাতব্যাপী মাইক, প্যান্ডালের ব্যবহার অপচয় নয় কি?
& শব্দ দোষনের মাধ্যমে অমুসলিম মানুষের নিকট ইসলামের বিরুপ চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে কি না? ভাবা উচিত নয় কি?
& শেষ রাতের বক্তারা জিকির আযকার ও কুরআন তেলাওয়াত বেশী করে থাকেন। তা মাইকযোগে শববিনা খতমের মত কি নাজায়েজ কাজ নয়?
& মাইকের আওয়াজের কারণে অনেক মুসলমান ভাইদের রাতে ঘুম আসেনা। ঘুমের ঘাটতি ফজরের সময় ফুসিয়ে নিতে হয়। অন্যান্য দিনের তুলনায় ফজরের জামাতে লোক কম হয়, এজন্য দায়ী কে আবেগ নয়, বিবেক দিয়ে বিষয়টি ভাবার জন্য সংশ্লিষ্টদের কয়েকটি প্রতি লক্ষ্য রেখে মাহফিল আয়োজনের অনুরুধ করব।
★ বাদ জোহর থেকে মাহফিল শুরু হয়ে এশা পর্যন্ত হতে পারে, কখনো মধ্যরাতের পরে নয়।
★ মাইকের আওয়াজ পেন্ডালের ভিতরে নিয়ন্ত্রণে রাখা।
★ মহিলাদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা করা। আল্লাহ সুমতি দিন।
লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।



























