সুনামগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩, বিএনপি ৩, আ.লীগের বিদ্রোহী ২, জমিয়তের ১ প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত
- Update Time : ০২:১১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আল-হেলাল, সুনামগঞ্জ থেকে :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের একটিতেও জিততে পারেনি আওয়ামী লীগ। নৌকা মনোনীত প্রার্থীদের ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে। তবে নৌকা ও আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দলীয়ভাবে আওয়ামীলীগের ভোট বেড়েছে বলেই দাবী করছেন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির ৩, বিএনপির ৩, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ২ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। রোববার (২৮ নভেম্বর) সকাল ৮ থেকে বিরতিহীনভাবে একযোগে ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণ শ্রী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ আনারস প্রতিক নিয়ে ২ হাজার ৯ শত ৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল মান্নান লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ২ শত ১৪ ভোট। এ ছাড়া তরুণ স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাহিদ আলম মহিম তালুকদার পেয়েছেন ২ হাজার ২২ ভোট। মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী নূরুল হক মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে ৩ হাজার ৪শ ২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আব্দুস সালাম ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ১ শ ৩৩ ভোট। জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির রশিদ আহম্মেদ লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে ৫ হাজার ৮শত ৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আ.লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল কাদির আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৬ শত ৯৪ ভোট। মোহনপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো.মইন উল হক মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে ৩ হাজার ১ শত ৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আ.লীগ প্রার্থী শীতেশ তালুকদার মঞ্জু নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৩০ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। গৌরারং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শওকত আলী ৬ হাজার ৯শত ৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি) শহীদুল ইসলাম অটোরিকশা প্রতিকে ৪ হাজার ৮ শত ৬৭ ভোট পেয়েছেন। কুরবান নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী (জাতীয় পার্টি সমর্থিত) আবুল বরকত মোটর সাইকেল প্রতিকে ৩ হাজার ৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শামস্ উদ্দিন নৌকা প্রতিকে ২ হাজার ৯শত ২১ ভোট পেয়েছেন। সুরমা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমির হোসেন রেজা ৫ হাজার ১শত ৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামসুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ১শ ১০ ভোট। রঙ্গারচর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি) আব্দুল হাই মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে ৪ হাজার ৬শত ৩৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো.ফয়জুর রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ২ শত ২ ভোট পেয়েছেন। কাঠইর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী শামসুল ইসলাম খেজুর গাছ প্রতিক নিয়ে ১ হাজার ৭ শত ৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাতীয় পার্টির প্রার্থী ফারুক মিয়া লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ৭ শত ৩৯ ভোট পেয়েছেন। ফলাফল নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়। উল্লেখ্য জাতীয় পার্টি সদর উপজেলার ৯ ইউনিয়নের মধ্যে কুরবাননগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে কোন প্রার্থী মনোনয়ন না দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বরকতকে দলীয় সমর্থন দিয়ে নির্বাচিত করে।





























