০২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে প্রতিপক্ষের হামলায় বসতঘর ভাংচুর লুটপাট, হামলায় আহত ৪ জন

  • Update Time : ০২:৪৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা হামলা করে একটি দ্বি-তল বাসা ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। দিন দুপুরে হামলাকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে শহরের হাসপাতাল রোড (সরকারি পুকুর পাড়) এলাকায় হাজী আব্বাস আলীর দোতলা বাসায় এ হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় বাসার মালিক হাজী আব্বাস আলীর পুত্র কয়েছ আহমদ বাদী হয়ে শহরের চরেরবন এলাকার মৃত তাহের আলীর পুত্র রুবেল আহমদকে প্রধান আসামী করে, শামীম আহমদ, কাওছার আহমদ, তারেক মিয়া, সুহেল মিয়া, আইয়ূব আলী, হোসাইনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জানা যায়, শহরের হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা কয়েছ আহমদ ও রুবেল আহমদের বাসা পাশাপাশি। শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে রুবেল আহমদ তার বাসার টয়লেটের ট্যাংকি সুইপার দিয়ে পরিস্কারের কাজ করাচ্ছিল। পার্শ্ববর্তী বাসা হওয়া টয়লেটের দূর্গন্ধ কয়েছ আহমদের বাসায় ছড়িয়ে পড়লে এবং জুম্মাবার হওয়ায় দিনের বেলা টয়লেটের ট্যাংকি পরিস্কার না করে তা রাতের বেলা করার জন্য কয়েছ আহমদ প্রতিবেশী রুবেল আহমদকে অনুরোধ করেন। এ নিয়ে দু বাসার কয়েছ আহমদ ও রুবেল আহমদ মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রুবেল মুটোফোনে তার সাঙ্গ-পাঙ্গকে খবর দেয়। মুহুর্তের মধ্য ২০-২৫ জন লোক লাঠি-সোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে রুবেলের বাসায় জড়ো তার বাস্র ছাদে উঠে প্রথমে কয়েছের বাসার ছাদে আসে। পরে হামলাকারীরা কয়েছ আহমদের বাসার বারান্দা সহ রুমে রুমে ঢুকে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের তান্ডব চালায়। হামলাকারীরা বাসার ছাদের দরজা দিয়ে প্রবেশ করে দু’তলা বিশষ্ট বাসার প্রতিটি কক্ষে ভাংচুর করেছে। হামলাকারীরা বসত ঘরের দরজা-জানালা, জানালার থাই গ্লাস, বারান্দার গ্লাস,পানির ট্যাংকের পাইপ,ঘরের আসবাব পত্র ভাংচুরসহ লুটপাট করেছে। এসময় হামলাকারীরা বাসার গেটে থাকা একটি টিভিএস মোটরসাইকেলও ভাংচুর করে। হামলায় সময় ঘরে থাকা গৃহকর্তা হাজী আব্বাস আলী, তার স্ত্রী রুপিয়া বেগম, পুত্র ফয়েজ আহমদসহ ৪ ব্যক্তি আহত হয়। প্রকাশ্যে দিনের বেলা হামলাকারীদের তান্ডবে এসময় এলাকায় ভীতিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হামলাকারীদের ভয়ে আশপাশের কেউ এগিয়ে আসেনি। গৃহকর্তা হাজী আব্বাস আলী জানান, হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় তার ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজিম উদ্দিন জানান, বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে প্রতিপক্ষের হামলায় বসতঘর ভাংচুর লুটপাট, হামলায় আহত ৪ জন

Update Time : ০২:৪৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা হামলা করে একটি দ্বি-তল বাসা ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। দিন দুপুরে হামলাকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে শহরের হাসপাতাল রোড (সরকারি পুকুর পাড়) এলাকায় হাজী আব্বাস আলীর দোতলা বাসায় এ হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় বাসার মালিক হাজী আব্বাস আলীর পুত্র কয়েছ আহমদ বাদী হয়ে শহরের চরেরবন এলাকার মৃত তাহের আলীর পুত্র রুবেল আহমদকে প্রধান আসামী করে, শামীম আহমদ, কাওছার আহমদ, তারেক মিয়া, সুহেল মিয়া, আইয়ূব আলী, হোসাইনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জানা যায়, শহরের হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা কয়েছ আহমদ ও রুবেল আহমদের বাসা পাশাপাশি। শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে রুবেল আহমদ তার বাসার টয়লেটের ট্যাংকি সুইপার দিয়ে পরিস্কারের কাজ করাচ্ছিল। পার্শ্ববর্তী বাসা হওয়া টয়লেটের দূর্গন্ধ কয়েছ আহমদের বাসায় ছড়িয়ে পড়লে এবং জুম্মাবার হওয়ায় দিনের বেলা টয়লেটের ট্যাংকি পরিস্কার না করে তা রাতের বেলা করার জন্য কয়েছ আহমদ প্রতিবেশী রুবেল আহমদকে অনুরোধ করেন। এ নিয়ে দু বাসার কয়েছ আহমদ ও রুবেল আহমদ মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রুবেল মুটোফোনে তার সাঙ্গ-পাঙ্গকে খবর দেয়। মুহুর্তের মধ্য ২০-২৫ জন লোক লাঠি-সোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে রুবেলের বাসায় জড়ো তার বাস্র ছাদে উঠে প্রথমে কয়েছের বাসার ছাদে আসে। পরে হামলাকারীরা কয়েছ আহমদের বাসার বারান্দা সহ রুমে রুমে ঢুকে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের তান্ডব চালায়। হামলাকারীরা বাসার ছাদের দরজা দিয়ে প্রবেশ করে দু’তলা বিশষ্ট বাসার প্রতিটি কক্ষে ভাংচুর করেছে। হামলাকারীরা বসত ঘরের দরজা-জানালা, জানালার থাই গ্লাস, বারান্দার গ্লাস,পানির ট্যাংকের পাইপ,ঘরের আসবাব পত্র ভাংচুরসহ লুটপাট করেছে। এসময় হামলাকারীরা বাসার গেটে থাকা একটি টিভিএস মোটরসাইকেলও ভাংচুর করে। হামলায় সময় ঘরে থাকা গৃহকর্তা হাজী আব্বাস আলী, তার স্ত্রী রুপিয়া বেগম, পুত্র ফয়েজ আহমদসহ ৪ ব্যক্তি আহত হয়। প্রকাশ্যে দিনের বেলা হামলাকারীদের তান্ডবে এসময় এলাকায় ভীতিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হামলাকারীদের ভয়ে আশপাশের কেউ এগিয়ে আসেনি। গৃহকর্তা হাজী আব্বাস আলী জানান, হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় তার ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজিম উদ্দিন জানান, বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ