০৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকের আলোচিত ডায়নাকে বড়লেখা থেকে উদ্ধার

  • Update Time : ১০:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ আগস্ট ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকের আলোচিত সেই ডায়না বেগম ওরফে ডায়না সুন্দরীকে দুই মাস পর উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার রাতে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ষাটঘরি গ্রামের সৌদী আরব প্রবাসী আবদুল জলিলের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের লোকজনের সহযোগিতায় ছাতক ও বড়লেখা থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। ছাতক থানা পুলিশ ডায়নাকে রাতেই ছাতকে নিয়ে আসেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার বিকেলে তাকে তার পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। জানা যায়, ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার ইউনিয়নের মুলতানপুর গ্রামের ফনা উল্লার কন্যা ডায়না বেগম ৩০ মে গভীর রাতে মৌলভীবাজার জেলাধীন বড়লেখা উপজেলার সৌদি প্রবাসী প্রেমিক আবদুল জলিলের বা‌ড়িতে স্বেচ্ছায় চলে যায়। এ ঘটনায় ৩ জুন তার মা ফুলতেরা বেগম ছাতক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নং-১১৫) করেন। এদিকে, উধাও হওয়ার পর অজ্ঞাত স্থান থেকে একাধিক ভিডিও বার্তায় ডায়না বেগম তার পরিবারের সদস্যদের জিম্মিদশা থেকে স্বেচ্ছায় পালিয়ে মুক্তি পেয়েছে বলে জানায়। সে বিয়ে করে নতূন সংসার নিয়ে বেশ ভালো আছে বলে ও ভিডিও বার্তায় জানিয়েছে। এসব এছাড়াও পরিবারের সদস্য কর্তৃক বিভিন্ন প্রতারণা ও নির্যাতন এবং তাকে কেন্দ্র করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি একে -একে ফাঁস করে আসছিল ডায়না। পরে এসব ভিডিও বার্তা স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছে পৌছায় প্রবাসী আবদুল জলিল। এসব বিষয়ে পত্র পত্রিকায় একাধিক সংবাদ ও ছাপা হয়েছে। এদিকে প্রবাসী আব্দুল জলিলের বাড়িতে থেকেই প্রবাসে থাকা আবদুল জলিলের সাথে বিয়ে হয় ডায়না বেগমের। ১৫ জুন নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এভিডেভিড করে তাদের বিয়ে হয়েছে। এ ব‌্যাপারে সৌদী আরব প্রবাসী আবদুল জ‌লিল মোবাইল ফোনে জানান, ফেইসবুক ও হোয়াটস আপে ডায়নার সাথে তার প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে প‌রিবারের অশ্লীল নির্যাতন সইতে না পেরে সে তাকে জানায় এবং ঘর ছেড়ে তার বা‌ড়ির ঠিকানায় স্বেচ্ছায় চলে আসে ডায়না। পরে নোটা‌রি পাব‌লিকের মাধ‌্যমে প্রবাসে থেকে তাকে বিয়ে করেছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ডায়না বেগম তার বিবা‌হিত স্ত্রী। ডায়না তার নিজ পরিবারের কাছে নিরাপদ নয়। ডায়না বেগম জানায় সে স্বেচ্ছায় আব্দুল জলিলের বাড়িতে গিয়েছে। কখনো সে পলাতক ছিলো না। তাকে অপহরণ করা হয়নি। পুলিশের কাছে সে সব বিষয় খুলে বলেছে। পাইগাও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হেনা জানান, ডায়না তার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো। ছাতক থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ শেখ না‌জিম উ‌দ্দিন জানান, ডায়না বেগম স্বেচ্ছায় প্রবাসী আব্দুল জলিলের বাড়িতে যায়। ডায়না বেগমকে উদ্ধারের পর নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়েছে এমন দাবী করা হলেও বয়স কিছু দিন কম হওয়ায় ভিকটিমকে তার পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকের আলোচিত ডায়নাকে বড়লেখা থেকে উদ্ধার

Update Time : ১০:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ আগস্ট ২০২১

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকের আলোচিত সেই ডায়না বেগম ওরফে ডায়না সুন্দরীকে দুই মাস পর উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার রাতে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ষাটঘরি গ্রামের সৌদী আরব প্রবাসী আবদুল জলিলের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের লোকজনের সহযোগিতায় ছাতক ও বড়লেখা থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। ছাতক থানা পুলিশ ডায়নাকে রাতেই ছাতকে নিয়ে আসেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার বিকেলে তাকে তার পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। জানা যায়, ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার ইউনিয়নের মুলতানপুর গ্রামের ফনা উল্লার কন্যা ডায়না বেগম ৩০ মে গভীর রাতে মৌলভীবাজার জেলাধীন বড়লেখা উপজেলার সৌদি প্রবাসী প্রেমিক আবদুল জলিলের বা‌ড়িতে স্বেচ্ছায় চলে যায়। এ ঘটনায় ৩ জুন তার মা ফুলতেরা বেগম ছাতক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নং-১১৫) করেন। এদিকে, উধাও হওয়ার পর অজ্ঞাত স্থান থেকে একাধিক ভিডিও বার্তায় ডায়না বেগম তার পরিবারের সদস্যদের জিম্মিদশা থেকে স্বেচ্ছায় পালিয়ে মুক্তি পেয়েছে বলে জানায়। সে বিয়ে করে নতূন সংসার নিয়ে বেশ ভালো আছে বলে ও ভিডিও বার্তায় জানিয়েছে। এসব এছাড়াও পরিবারের সদস্য কর্তৃক বিভিন্ন প্রতারণা ও নির্যাতন এবং তাকে কেন্দ্র করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি একে -একে ফাঁস করে আসছিল ডায়না। পরে এসব ভিডিও বার্তা স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছে পৌছায় প্রবাসী আবদুল জলিল। এসব বিষয়ে পত্র পত্রিকায় একাধিক সংবাদ ও ছাপা হয়েছে। এদিকে প্রবাসী আব্দুল জলিলের বাড়িতে থেকেই প্রবাসে থাকা আবদুল জলিলের সাথে বিয়ে হয় ডায়না বেগমের। ১৫ জুন নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এভিডেভিড করে তাদের বিয়ে হয়েছে। এ ব‌্যাপারে সৌদী আরব প্রবাসী আবদুল জ‌লিল মোবাইল ফোনে জানান, ফেইসবুক ও হোয়াটস আপে ডায়নার সাথে তার প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে প‌রিবারের অশ্লীল নির্যাতন সইতে না পেরে সে তাকে জানায় এবং ঘর ছেড়ে তার বা‌ড়ির ঠিকানায় স্বেচ্ছায় চলে আসে ডায়না। পরে নোটা‌রি পাব‌লিকের মাধ‌্যমে প্রবাসে থেকে তাকে বিয়ে করেছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ডায়না বেগম তার বিবা‌হিত স্ত্রী। ডায়না তার নিজ পরিবারের কাছে নিরাপদ নয়। ডায়না বেগম জানায় সে স্বেচ্ছায় আব্দুল জলিলের বাড়িতে গিয়েছে। কখনো সে পলাতক ছিলো না। তাকে অপহরণ করা হয়নি। পুলিশের কাছে সে সব বিষয় খুলে বলেছে। পাইগাও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হেনা জানান, ডায়না তার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো। ছাতক থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ শেখ না‌জিম উ‌দ্দিন জানান, ডায়না বেগম স্বেচ্ছায় প্রবাসী আব্দুল জলিলের বাড়িতে যায়। ডায়না বেগমকে উদ্ধারের পর নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়েছে এমন দাবী করা হলেও বয়স কিছু দিন কম হওয়ায় ভিকটিমকে তার পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ