০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রস্তুত ‘মহারাজা’, দাম ১২ লাখ টাকা!

  • Update Time : ০৩:০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আদর করে গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘মহারাজ’। রাজার মতনই দশাসই দেখতে। সাদা-কালো ছোপ মারা ‘মহারাজের’ ওজন ১ হাজার ২০০ কেজি বা ৩০ মণেরও বেশি। বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির জন্য বরগুনার বেতাগীতে এই ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। আট ফুট লম্বা কালো রঙের ষাঁড়টির বয়স চার বছর। উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড় এটি। দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। খামারির নাম হাফিজুর রহমান সোহাগ। বেতাগীর সদর ইউনিয়নের বটতলায় গড়ে তোলা ‘জাহানারা অ্যাগ্রো ফার্মে’ গত চার বছর পরিচর্যা করা হয়েছে মহারাজকে। এবার বেচতে চান তিনি। অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়টি দেখতে খামারে ভিড় করছে অনেকে। খামারটিতে বড় আরো তিনটি ষাঁড় থাকলেও সবার দৃষ্টি মহারাজের দিকেই। ফার্মটির মালিক হাফিজুর রহমান সোহাগ বলেন, সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খেয়ে বেড়ে ওঠা এই ষাঁড়কে বিকল্প কিছু খাওয়ানো হয়নি। স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো ওষুধও প্রয়োগ করা হয়নি কখনো। ষাঁড়টির পেছনে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ টাকা খরচ হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো জানান, প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার টাকা করে খরচ হচ্ছে। গরুটির নিরাপত্তা নিয়েও ভাবতে হয় সব সময়। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ষাঁড়টি প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি পুরো উপজেলার ৩৫১টি খামারের মধ্যে সবচেয়ে বড় ষাঁড়। হাফিজুর রহমান ২০১১ সালের শেষের দিকে শুরু করেন গরুর খামার। তখন একটি গরু নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২টিতে। হাফিজুর রহমান সোহাগ জানান, করোনার এ সময়ে হাটে মহারাজকে বিক্রি করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সুত্র: ইত্তেফাক

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

প্রস্তুত ‘মহারাজা’, দাম ১২ লাখ টাকা!

Update Time : ০৩:০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

আদর করে গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘মহারাজ’। রাজার মতনই দশাসই দেখতে। সাদা-কালো ছোপ মারা ‘মহারাজের’ ওজন ১ হাজার ২০০ কেজি বা ৩০ মণেরও বেশি। বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির জন্য বরগুনার বেতাগীতে এই ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। আট ফুট লম্বা কালো রঙের ষাঁড়টির বয়স চার বছর। উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড় এটি। দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। খামারির নাম হাফিজুর রহমান সোহাগ। বেতাগীর সদর ইউনিয়নের বটতলায় গড়ে তোলা ‘জাহানারা অ্যাগ্রো ফার্মে’ গত চার বছর পরিচর্যা করা হয়েছে মহারাজকে। এবার বেচতে চান তিনি। অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়টি দেখতে খামারে ভিড় করছে অনেকে। খামারটিতে বড় আরো তিনটি ষাঁড় থাকলেও সবার দৃষ্টি মহারাজের দিকেই। ফার্মটির মালিক হাফিজুর রহমান সোহাগ বলেন, সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খেয়ে বেড়ে ওঠা এই ষাঁড়কে বিকল্প কিছু খাওয়ানো হয়নি। স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো ওষুধও প্রয়োগ করা হয়নি কখনো। ষাঁড়টির পেছনে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ টাকা খরচ হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো জানান, প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার টাকা করে খরচ হচ্ছে। গরুটির নিরাপত্তা নিয়েও ভাবতে হয় সব সময়। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ষাঁড়টি প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি পুরো উপজেলার ৩৫১টি খামারের মধ্যে সবচেয়ে বড় ষাঁড়। হাফিজুর রহমান ২০১১ সালের শেষের দিকে শুরু করেন গরুর খামার। তখন একটি গরু নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২টিতে। হাফিজুর রহমান সোহাগ জানান, করোনার এ সময়ে হাটে মহারাজকে বিক্রি করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সুত্র: ইত্তেফাক

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ