০৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মসজিদে নামাজ পড়তে মানতে হবে ৯ নির্দেশনা

  • Update Time : ০২:২৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণ রোধে সাতদিনের ‌‘সর্বাত্মক লকডাউন’ ঘোষনা করেছে সরকার। এই সময়ে মানুষের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে মসজিদে নামাজ আদায়েও আরোপ করা হয়েছে বেশ কিছু বিধিনিষেধ। বলা হয়েছে, কেবল ফরজ নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যাওয়া যাবে। সুন্নতসহ অন্যান্য নামাজ পড়তে হবে ঘরে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে ৯টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

নির্দেশনাগুলো হলো:

 

০১. মসজিদের ঢোকার মুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিদেরকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

 

০২. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

 

০৩. মসজিদে কার্পেট বিছান যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে, মুসল্লিদের প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।
০৪. নামাজের কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

 

০৫. শিশু, বয়স্ক, যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

 

০৬. সংক্রমণ রোধ নিশ্চিত করতে মসজিদের ওযুখানায় সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

 

০৭. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

 

০৮. করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পেতে নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব, ইমাম ও মুসল্লিরা দোয়া করবেন।

 

০৯. সম্মানিত খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

 

অন্যান্য সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা উপাসনালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে মাস্ক পরা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়াসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। এসব নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হল।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

মসজিদে নামাজ পড়তে মানতে হবে ৯ নির্দেশনা

Update Time : ০২:২৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট :: করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণ রোধে সাতদিনের ‌‘সর্বাত্মক লকডাউন’ ঘোষনা করেছে সরকার। এই সময়ে মানুষের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে মসজিদে নামাজ আদায়েও আরোপ করা হয়েছে বেশ কিছু বিধিনিষেধ। বলা হয়েছে, কেবল ফরজ নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যাওয়া যাবে। সুন্নতসহ অন্যান্য নামাজ পড়তে হবে ঘরে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে ৯টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

নির্দেশনাগুলো হলো:

 

০১. মসজিদের ঢোকার মুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিদেরকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

 

০২. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

 

০৩. মসজিদে কার্পেট বিছান যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে, মুসল্লিদের প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।
০৪. নামাজের কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

 

০৫. শিশু, বয়স্ক, যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

 

০৬. সংক্রমণ রোধ নিশ্চিত করতে মসজিদের ওযুখানায় সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

 

০৭. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

 

০৮. করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পেতে নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব, ইমাম ও মুসল্লিরা দোয়া করবেন।

 

০৯. সম্মানিত খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

 

অন্যান্য সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা উপাসনালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে মাস্ক পরা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়াসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। এসব নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হল।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ