১১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে টেন্ডার জমা দিতে সিন্ডিকেটের বাঁধা, অবরুদ্ধ করে প্রাণনাশের হুমকি; পূণঃদরপত্র ও বিচারের দাবি

  • Update Time : ০৫:০৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের কুতুবপাড়ায় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের পুরাতন মালপত্র বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করার পর মালপত্র ক্রয় করতে ব্যক্তিদের দরপত্র জমা দিতে বাঁধা প্রদান করেছে অজ্ঞাতনামা একটি সিন্ডিকেট। দরপত্র জমা দিলে সোহাগ মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় তারা। গত সোমবার সকাল ১১ টায় জেলার কুতুবপাড়াস্থ খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। এসময় সরকারি সকল বিধি মেনে আবেদন করতে যাওয়া ব্যবসায়ী সোহাগ মিয়াসহ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে একটি রুমে অবরুদ্ধ করে রেখে দরপত্র জমা দেওয়া থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিতভাবে অভিযোগে কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠ বিচারের দাবী জানান সোহাগ মিয়া।

 

সোহাগ মিয়া তার লিখিত অভিযোগ পত্রে বলেন, চলতি বছরের ২৫ মে মঙ্গলবার ‘আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সিলেট ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুনামগঞ্জের অধীনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সুনামগঞ্জের কার্যালয়ের বাউন্ডারির অভ্যন্তরে রক্ষিত এবং জেলার মল্লিকপুর, দোয়ারা বাজার, ছাতক, রাণীগঞ্জ, দিরাই, ঘুংগিয়ারগাঁও, সাচনা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভপুর এলএসডিতে রক্ষিত দীর্ঘদিনের পুরাতন অকেজো মালামাল বিক্রয়ের নিমিত্তে আগ্রহী ক্রেতা/ব্যবসায়ীর নিকট হতে সীলমোহরকৃত খামে নিলাম/বিক্রয় বিজ্ঞপ্তি আহ্বান করা যাচ্ছে’ এই শিরোনামে একটি দরপত্র আহ্বান করে সুনামগঞ্জ খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়। যার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয় ৭ জুন বেলা ১টা পর্যন্ত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি সকল বিধি মেনে নির্ধারিত সময়েই দরপত্র জমা দিতে যান মেসার্স রুমা এন্টার প্রাইজের স্বত্তাধিকরী মো. সোহাগ মিয়া। ঐদিন সকাল থেকেই দরপত্র জমা নিতে গড়িমসে শুরু করে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। কিছুক্ষণ পর অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন লোক দরপত্র জমাদিতে বাধা করে। এসময় দরপত্র জমা দিতে হলে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদাও দাবি করে লোকগুলো। এ বিষয়ে কথাকাটি হলে অভিযোগকারিসহ অন্যান্য টেন্ডার জমা দিতে আসা ব্যক্তিদেরকে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে দুপুর ১.৩০ টায় তাদেরকে অবমুক্ত করে দেয়। ততক্ষণে টেন্ডার জমা দেওয়ার সময় চলে যায়। এ ঘটনা নিয়ে বেশি কথা না বলতে নিষেধ করা হয় না হলে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি প্রদান করা হয়েছে। পুনরায় এ দরপত্র আহ্বান করার দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

 

সুনামগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নকীব সাদ সাইফুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলে তিনি আসছে দুপুর দেড়টার সময়, ক্লোজিং হয়ে গেছে ১টার সময়। অন্তত ১৫জন উপস্থি ছিলেন, দেরীতে আসায় তাকে ট্রেন্ডারে অংশ গ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয় নাই।

 

সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহীদুর রহমান এমন কোনো অভিযোগ তিনি পাননি জানিয়ে এ প্রতিবেদককে বলেন সোহাগ মিয়া আমাকে ফোন দিয়ে ছিলেন। পরে তিনি আর থানায় আসেননি। অভিযোগ করলে সে তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেবো।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জে টেন্ডার জমা দিতে সিন্ডিকেটের বাঁধা, অবরুদ্ধ করে প্রাণনাশের হুমকি; পূণঃদরপত্র ও বিচারের দাবি

Update Time : ০৫:০৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের কুতুবপাড়ায় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের পুরাতন মালপত্র বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করার পর মালপত্র ক্রয় করতে ব্যক্তিদের দরপত্র জমা দিতে বাঁধা প্রদান করেছে অজ্ঞাতনামা একটি সিন্ডিকেট। দরপত্র জমা দিলে সোহাগ মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় তারা। গত সোমবার সকাল ১১ টায় জেলার কুতুবপাড়াস্থ খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। এসময় সরকারি সকল বিধি মেনে আবেদন করতে যাওয়া ব্যবসায়ী সোহাগ মিয়াসহ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে একটি রুমে অবরুদ্ধ করে রেখে দরপত্র জমা দেওয়া থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিতভাবে অভিযোগে কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠ বিচারের দাবী জানান সোহাগ মিয়া।

 

সোহাগ মিয়া তার লিখিত অভিযোগ পত্রে বলেন, চলতি বছরের ২৫ মে মঙ্গলবার ‘আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সিলেট ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুনামগঞ্জের অধীনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সুনামগঞ্জের কার্যালয়ের বাউন্ডারির অভ্যন্তরে রক্ষিত এবং জেলার মল্লিকপুর, দোয়ারা বাজার, ছাতক, রাণীগঞ্জ, দিরাই, ঘুংগিয়ারগাঁও, সাচনা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভপুর এলএসডিতে রক্ষিত দীর্ঘদিনের পুরাতন অকেজো মালামাল বিক্রয়ের নিমিত্তে আগ্রহী ক্রেতা/ব্যবসায়ীর নিকট হতে সীলমোহরকৃত খামে নিলাম/বিক্রয় বিজ্ঞপ্তি আহ্বান করা যাচ্ছে’ এই শিরোনামে একটি দরপত্র আহ্বান করে সুনামগঞ্জ খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়। যার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয় ৭ জুন বেলা ১টা পর্যন্ত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি সকল বিধি মেনে নির্ধারিত সময়েই দরপত্র জমা দিতে যান মেসার্স রুমা এন্টার প্রাইজের স্বত্তাধিকরী মো. সোহাগ মিয়া। ঐদিন সকাল থেকেই দরপত্র জমা নিতে গড়িমসে শুরু করে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। কিছুক্ষণ পর অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন লোক দরপত্র জমাদিতে বাধা করে। এসময় দরপত্র জমা দিতে হলে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদাও দাবি করে লোকগুলো। এ বিষয়ে কথাকাটি হলে অভিযোগকারিসহ অন্যান্য টেন্ডার জমা দিতে আসা ব্যক্তিদেরকে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে দুপুর ১.৩০ টায় তাদেরকে অবমুক্ত করে দেয়। ততক্ষণে টেন্ডার জমা দেওয়ার সময় চলে যায়। এ ঘটনা নিয়ে বেশি কথা না বলতে নিষেধ করা হয় না হলে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি প্রদান করা হয়েছে। পুনরায় এ দরপত্র আহ্বান করার দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

 

সুনামগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নকীব সাদ সাইফুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলে তিনি আসছে দুপুর দেড়টার সময়, ক্লোজিং হয়ে গেছে ১টার সময়। অন্তত ১৫জন উপস্থি ছিলেন, দেরীতে আসায় তাকে ট্রেন্ডারে অংশ গ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয় নাই।

 

সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহীদুর রহমান এমন কোনো অভিযোগ তিনি পাননি জানিয়ে এ প্রতিবেদককে বলেন সোহাগ মিয়া আমাকে ফোন দিয়ে ছিলেন। পরে তিনি আর থানায় আসেননি। অভিযোগ করলে সে তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেবো।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ