১২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“কটু বাক্য-গালি” দালিলিক ভিক্ষুকদের হাতিয়ার : শাহ মমশাদ আহমদ

  • Update Time : ১০:২৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মতের মিল না হলেই কটু বাক্য ব্যবহার কারীদের এড়িয়ে চলুন, কেননা এদের অন্তরে মানবতার দরদ নেই, দয়া নেই।
মানব দরদী কোন মানুষ কাউকে গালি দিতে পারেনা, দয়ামায়াহীন মানুষদের সাথে সম্পর্ক রাখার চেয়ে একটি পাথরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা ভালো।

 

একজন নাস্তিক যতই ইসলাম বিদ্বেষী হোক, তাকে ব্যক্তিগতভাবে কটাক্ষ করে গালি দেয়ার অধিকার ইসলাম কাউকে দেয়নি।

 

আপনি জানেন কি?
ইসলাম বিরুধী দু-কলম লিখে হাজারো গালি শুনে ওরা কিন্তু মুচকি হাসে, পুলকিত হয়। ওরা গালিগুলি বস্তাবন্দি করে ইসলামের বর্বরতার রুপ হিসেবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পায়।

 

একবার ভাবুন, একটি অশালীন শব্দ কি পরিমাণ ক্ষতি বয়ে আনে!

 

& অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের কাছে আমাদের আদর্শ ইসলামের বিরুপ চরিত্রে ফুটে উঠে।

& একজন মুমিনের অন্তরের কদর্যতা প্রকাশ পায়।
& ইসলাম বিদ্বেষীদের মুসলমানদের গালি দিতে উৎসাহ যোগায়।

& ইসলাম বিদ্বেষীর দালিলিক হাতিয়ার হয়।

& ইতিহাসে আপনি একজন গালিদাতা মুসলমান হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবেন, ওরা প্রতিটি গালি
সংরক্ষণ করছে।

 

ভারত উপমহাদেশে উলামায়ে দেওবন্দের ঈর্ষনীয় জনভিত্তির অন্যতম স্তম্ভ হচ্ছে, বাতিলের জবাব গালি
বা গুলি দিয়ে না দিয়ে প্রমানের ভিত্তিতে জবাব দেয়া, দালিলিক ফায়ারিং করা। যার কাছে কুরআন হাদীস ও যুক্তি সঙ্গত দালিল আছে, তার তো গালি বা কটুবাক্য দিয়ে জবাব দেয়ার প্রয়োজন নেই, কটু বাক্য-গালি দয়ামায়াহীন দালিলিক ভিক্ষুকের হাতিয়ার।

 

আসুন, ইসলামের গভীর জ্ঞান অর্জনে সচেষ্ট হই
বাতিলের জবাব দালিল দিয়ে দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করি, নচেৎ আমাদের নীরবতাই ইসলামের জন্য কল্যাণকর। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

“কটু বাক্য-গালি” দালিলিক ভিক্ষুকদের হাতিয়ার : শাহ মমশাদ আহমদ

Update Time : ১০:২৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১

মতের মিল না হলেই কটু বাক্য ব্যবহার কারীদের এড়িয়ে চলুন, কেননা এদের অন্তরে মানবতার দরদ নেই, দয়া নেই।
মানব দরদী কোন মানুষ কাউকে গালি দিতে পারেনা, দয়ামায়াহীন মানুষদের সাথে সম্পর্ক রাখার চেয়ে একটি পাথরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা ভালো।

 

একজন নাস্তিক যতই ইসলাম বিদ্বেষী হোক, তাকে ব্যক্তিগতভাবে কটাক্ষ করে গালি দেয়ার অধিকার ইসলাম কাউকে দেয়নি।

 

আপনি জানেন কি?
ইসলাম বিরুধী দু-কলম লিখে হাজারো গালি শুনে ওরা কিন্তু মুচকি হাসে, পুলকিত হয়। ওরা গালিগুলি বস্তাবন্দি করে ইসলামের বর্বরতার রুপ হিসেবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পায়।

 

একবার ভাবুন, একটি অশালীন শব্দ কি পরিমাণ ক্ষতি বয়ে আনে!

 

& অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের কাছে আমাদের আদর্শ ইসলামের বিরুপ চরিত্রে ফুটে উঠে।

& একজন মুমিনের অন্তরের কদর্যতা প্রকাশ পায়।
& ইসলাম বিদ্বেষীদের মুসলমানদের গালি দিতে উৎসাহ যোগায়।

& ইসলাম বিদ্বেষীর দালিলিক হাতিয়ার হয়।

& ইতিহাসে আপনি একজন গালিদাতা মুসলমান হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবেন, ওরা প্রতিটি গালি
সংরক্ষণ করছে।

 

ভারত উপমহাদেশে উলামায়ে দেওবন্দের ঈর্ষনীয় জনভিত্তির অন্যতম স্তম্ভ হচ্ছে, বাতিলের জবাব গালি
বা গুলি দিয়ে না দিয়ে প্রমানের ভিত্তিতে জবাব দেয়া, দালিলিক ফায়ারিং করা। যার কাছে কুরআন হাদীস ও যুক্তি সঙ্গত দালিল আছে, তার তো গালি বা কটুবাক্য দিয়ে জবাব দেয়ার প্রয়োজন নেই, কটু বাক্য-গালি দয়ামায়াহীন দালিলিক ভিক্ষুকের হাতিয়ার।

 

আসুন, ইসলামের গভীর জ্ঞান অর্জনে সচেষ্ট হই
বাতিলের জবাব দালিল দিয়ে দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করি, নচেৎ আমাদের নীরবতাই ইসলামের জন্য কল্যাণকর। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ