০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজানে শেকলবন্দি শয়তান! মানুষ গুনাহ করে কিভাবে? : শাহ মমশাদ আহমদ

  • Update Time : ০৭:৩৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

প্রিয় নবী সঃ বলেছেন, রমজান মাসে দোযখের দরজা সমুহ বন্ধ করে দেয়া হয়, জান্নাতের দ্বারগুলো খুলে দেয়া হয় আর শয়তানকে শেকলবন্দি করে রাখা হয়, (বুখারী, মুসলিম)

 

এ সাহীহ হাদীসের নিরিখে একটি প্রশ্নের উদ্রেক হয়,
রমজান মাসে ও তো অনেক গুনাহের কাজ সংঘটিত হয়?. মানুষ বড় বড় অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, শয়তান শেকলবন্দি থাকা সত্বেও কিভাবে হয়?

 

এ হাদীসের ব্যাখ্যায় উলামায়ে কেরামের কয়েকটি উক্তি পাওয়া যায়।

* শয়তান শেকলে বাধা থাকে মানে তার বিচরণ ক্ষমতা কমে যায়,রমজান মাসে তার থেকে দূরে থাকলে নিরাপদ থাকা যায়, শয়তানের পাশে আসলে মন্দ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
একটি বাঘকে শেকল পড়ানো হলে তার নিকটে গেলে যেভাবে ক্ষতি করতে পারে, রমজান মাসে শয়তানের নিকটে গেলে মন্দ কাজের কুমন্ত্রণা দেয়, মানুষ মন্দ কাজ করে, যারা শয়তান থেকে দূরে থাকেন গুনাহ থেকে বেচে থাকেন।

 

* শয়তান শেকল বন্দি থাকে সত্যি, কিন্তু বছরব্যাপী তার সৃষ্ট প্রভাবে মানুষ গুনাহ করে।

 

মাদকের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে প্রথমে মাদক কোম্পানি ফ্রি মাদক বন্টন করে, পরবর্তীতে মাদকের নেশায় মানুষ অধিক মুল্যে মাদক কিনতে ব্যাকুল হয়ে যায়। শয়তান মানুষের মনে গুনাহের আগ্রহ সৃষ্টি করে দেয়, মানুষ শয়তানের অনুপস্থিতিতে ও নিজেদের আগ্রহে গুনাহ করে।

 

* বড় শয়তান বন্দি থাকলে ও ছোট শয়তানগুলো মুক্ত থাকে।

 

* দু প্রকার শয়তান মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়,
এক প্রকার মানুষরুপি অপর প্রকার জ্বিনরুপি। (সুরা নাস)
রমজানে জ্বিনরুপি শয়তান বন্দি রাখা হয়, মানুষরুপি শয়তান মুক্ত থাকে।

 

* রুপক অর্থে বলা হয়েছে, রমজান মাসে মুসলমান অধিকহারে এবাদাতে মগ্ন থাকে, শয়তানের ধোকা দেয়ার ক্ষমতা শেকলবন্দি হয়ে যায়। আল্লাহ আমাদের শায়তানের খপ্পর হতে মুক্ত রাখুন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

রমজানে শেকলবন্দি শয়তান! মানুষ গুনাহ করে কিভাবে? : শাহ মমশাদ আহমদ

Update Time : ০৭:৩৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১

প্রিয় নবী সঃ বলেছেন, রমজান মাসে দোযখের দরজা সমুহ বন্ধ করে দেয়া হয়, জান্নাতের দ্বারগুলো খুলে দেয়া হয় আর শয়তানকে শেকলবন্দি করে রাখা হয়, (বুখারী, মুসলিম)

 

এ সাহীহ হাদীসের নিরিখে একটি প্রশ্নের উদ্রেক হয়,
রমজান মাসে ও তো অনেক গুনাহের কাজ সংঘটিত হয়?. মানুষ বড় বড় অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, শয়তান শেকলবন্দি থাকা সত্বেও কিভাবে হয়?

 

এ হাদীসের ব্যাখ্যায় উলামায়ে কেরামের কয়েকটি উক্তি পাওয়া যায়।

* শয়তান শেকলে বাধা থাকে মানে তার বিচরণ ক্ষমতা কমে যায়,রমজান মাসে তার থেকে দূরে থাকলে নিরাপদ থাকা যায়, শয়তানের পাশে আসলে মন্দ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
একটি বাঘকে শেকল পড়ানো হলে তার নিকটে গেলে যেভাবে ক্ষতি করতে পারে, রমজান মাসে শয়তানের নিকটে গেলে মন্দ কাজের কুমন্ত্রণা দেয়, মানুষ মন্দ কাজ করে, যারা শয়তান থেকে দূরে থাকেন গুনাহ থেকে বেচে থাকেন।

 

* শয়তান শেকল বন্দি থাকে সত্যি, কিন্তু বছরব্যাপী তার সৃষ্ট প্রভাবে মানুষ গুনাহ করে।

 

মাদকের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে প্রথমে মাদক কোম্পানি ফ্রি মাদক বন্টন করে, পরবর্তীতে মাদকের নেশায় মানুষ অধিক মুল্যে মাদক কিনতে ব্যাকুল হয়ে যায়। শয়তান মানুষের মনে গুনাহের আগ্রহ সৃষ্টি করে দেয়, মানুষ শয়তানের অনুপস্থিতিতে ও নিজেদের আগ্রহে গুনাহ করে।

 

* বড় শয়তান বন্দি থাকলে ও ছোট শয়তানগুলো মুক্ত থাকে।

 

* দু প্রকার শয়তান মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়,
এক প্রকার মানুষরুপি অপর প্রকার জ্বিনরুপি। (সুরা নাস)
রমজানে জ্বিনরুপি শয়তান বন্দি রাখা হয়, মানুষরুপি শয়তান মুক্ত থাকে।

 

* রুপক অর্থে বলা হয়েছে, রমজান মাসে মুসলমান অধিকহারে এবাদাতে মগ্ন থাকে, শয়তানের ধোকা দেয়ার ক্ষমতা শেকলবন্দি হয়ে যায়। আল্লাহ আমাদের শায়তানের খপ্পর হতে মুক্ত রাখুন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ