শতাব্দীর মহানায়ক : ইমামুল ইসলাম রানা
- Update Time : ১২:৪৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ ২০২১
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
একটা মানচিত্র মানে বঙ্গবন্ধু
বাঙালির ইতিহাস বঙ্গবন্ধুর চেতনার জয়ধ্বনি
বাঙালির ইতিহাসে যিনি শতাব্দীর মহানায়ক।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার সেই ছেলেটি
হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা।
আমি সাতচল্লিশ এর দেশভাগ দেখিনি
দেখিনি বাহান্নের ভাষা আন্দোলন
দেখিনি চুয়ান্নের নির্বাচন কিংবা
ছেষট্টির ছয়দফা আন্দোলন।
দেখিনি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সত্তরের নির্বাচন কিংবা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ।
বাবার মুখে শুনেছি বঙ্গবন্ধুর গল্প
অসংখ্য গল্প অসংখ্য চেতনার কথা।
আমি উজ্জীবিত হয়েছে সেদিন
যেদিন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ মুক্তি পেয়েছিলো।
দেখিনি বঙ্গবন্ধুর যন্ত্রণাদগ্ধ দিনগুলি
দেখিনি জেল জুলুম নির্যাতন
আর কারাবরণের চিত্র।
গা শিউরে উঠেছিল অসমাপ্ত আত্মকাহিনী পড়ে
যারা আমরণ সংগ্রাম ছিল
ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে
অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত ধ্বনি।
অধিকার আদায়ের গণমিছিলে দূ্র্বার কণ্ঠস্বর
যাঁর প্রতিটি রক্ত কণিকায়
প্রতিটি দমনীতি বাঙালির স্বাধীনতা
বাঙালি চেতনায় স্বাধিকারের গান।
তিনিই মহাত্মা মহান প্রাণ
জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান।
যখন শেখ কামালের জন্ম হয়েছিল
তখন বঙ্গবন্ধু ছিলেন পাঞ্জাব জেলে।
বাংলার মানচিত্রের মতো সুবিশাল বক্ষটি
ভরে উঠেছিল বাঙালির ভালোবাসায়।
পাঞ্জাব জেল থেকে বেরিয়ে
তিঁনি বলেছিলেন এখানে নয়-
তিন মাস রুটি খেয়ে আমার বুক শুকিয়ে গেছে।
পূর্ব বাংলার জেলে কিংবা সেলে
মাসের পর মাস থাকতে পারি
তবুও রুটির বদলে ভাত খাতে পারবো
আমি বাঙালি – রুটি নয় ভাত চাই।
চুয়াত্তর সালের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে
অফিসিয়াল ভাষায় নয়
বক্তব্য দিয়েছিলেন মাতৃভাষা বাংলায়।
তিনি সুস্পষ্ট বলে দেন
আমার মায়ের ভাষা বাংলা
রক্তে আঁকা বর্ণমালা থেকে
জন্ম আমার মাতৃভাষার
আমি বক্তব্য দেবো বাংলায়
আমি বাঙালি।
কবিঃ ঝিগলী, ছাতক, সুনামগঞ্জ।



















