১০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিয়ের দাওয়াত নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২০

  • Update Time : ০৪:৪৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: দু’পক্ষের সংঘর্ষে দু’জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের লামা বায়েক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন লামাবায়েক গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে ইশান (২২) ও সিরাজুল ইসলামের ছেলে মনির হোসেন (২৪)।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুঁটকির টাকা পাওনা ও বিয়ের দাওয়াত না দেওয়া নিয়ে লামাবায়ক গ্রামের বেপারী বাড়ি ও মিয়ার বাড়ির লোকজনের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এর জেরে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দোকানে আড্ডা দেওয়ার সময় বাদশা মিয়ার বাড়ির আহমদ আলীর ছেলে আলী আজম ও বেপারী বাড়ির মতলব মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। আলী আজম এ সময় দুলালকে চড় মারেন। এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এসময় প্রতিপক্ষের দেশি অস্ত্রের আঘাতে বেপারী বাড়ির ইশান ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এতে গুরুতর আহত হন একই বাড়ির মনির ও উভয়পক্ষের আরও ২০ জন। গুরুতর অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মনিরও মারা যান। বাকি আহতদের স্থানীয় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

 

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিয়ের দাওয়াত নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২০

Update Time : ০৪:৪৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :: দু’পক্ষের সংঘর্ষে দু’জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের লামা বায়েক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন লামাবায়েক গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে ইশান (২২) ও সিরাজুল ইসলামের ছেলে মনির হোসেন (২৪)।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুঁটকির টাকা পাওনা ও বিয়ের দাওয়াত না দেওয়া নিয়ে লামাবায়ক গ্রামের বেপারী বাড়ি ও মিয়ার বাড়ির লোকজনের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এর জেরে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দোকানে আড্ডা দেওয়ার সময় বাদশা মিয়ার বাড়ির আহমদ আলীর ছেলে আলী আজম ও বেপারী বাড়ির মতলব মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। আলী আজম এ সময় দুলালকে চড় মারেন। এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এসময় প্রতিপক্ষের দেশি অস্ত্রের আঘাতে বেপারী বাড়ির ইশান ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এতে গুরুতর আহত হন একই বাড়ির মনির ও উভয়পক্ষের আরও ২০ জন। গুরুতর অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মনিরও মারা যান। বাকি আহতদের স্থানীয় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

 

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ