১১:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাক্তার না হয়েও রোগীর সিজার করলেন ক্লিনিক মালিক

  • Update Time : ০৩:২৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: ডাক্তার না হয়েও রোগীর সিজার করার সময় সিভিল সার্জনের হাতে ধরা খেল ক্লিনিক মালিক।
যশোরের ঝিকরগাছার বহুল আলোচিত সালেহা ক্লিনিক মালিক নিজে কোন দিন ডাক্তারী পড়েননি, চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোন কোর্সও করেননি। কিন্তু তাতে কি, একের পর এক সিজার করে চলেছেন তার নিজেরই মালিকাধীন ক্লিনিকে। মঙ্গলবার দুপুরে, যশোরের সিভিল সার্জন ডাঃ সেখ আবু শাহীন এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে হাতে নাতে ধরে ফেলেন এই ক্লিনিক মালিককে। তাৎক্ষনিক ভাবে তিনি ক্লিনিকটি সিল করলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মোবাইল কোর্ট করতে বললেও তিনি তা না করে শুধু মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেন।

 

 

সিভিল সাজন ডাঃ সেখ আবু শাহিন আহমেদ জানান, সালেহা ক্লিনিকের বিরুদ্ধে সিজারে রোগী মারা, সরকারি ওষুধ বিক্রিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কয়েক দফা এই ক্লিনিক মালিককে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সর্তকও করা হয়। কিন্তু এই ক্লিনিক মালিক নিজেকে কখনও এশিয়ান টিভির সাংবাদিক , কখনও মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ে সিভিল সার্জনের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।নানা রকম হুমকি ধামকিও দেয়।

 

 

মঙ্গলবার দুপুরে শার্শা উপজেলার ১০টি ক্লিনিক পরিদর্শন শেষে সিভিল সার্জন যশোরে ফেরার পথে ঝিকরগাছার সালেহা ক্লিনিকে অভিযান চালান। তিনি সরাসরি ওটি রুমে গিয়ে দেখেন ক্লিনিক মালিক শরিফুল ইসলাম শরিফ এবং ওই ক্লিনিকের আবাসিক মেডিকেল অফিসার পরিচয়দানকারি জেসমিন নাহার পাতা মিলে একজন রোগীর সিজার করছেন। সেখানে কোন এ্যানেসথিসিয়ার ডাক্তার ও নার্স নেই। এ বিষয়ে সিভিল সার্জন সাথে সাথে ইউএনও এবং থানায় অভিযোগ করনে। ইউএনও, থানা থেকে এসআই সিরাজুল ইসলাম সেখানে যান। তিনি ক্লিনিকটি সিল করেন।

 

 

ইউএনওকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ক্লিনিক মালিককে সাজা দেবার অনুরোধ করলে ইউএনও শোনেনি। তিনি বলেন, এটা স্বাস্থ্য বিভাগের বিষয়। এখানে আমার কিছু করার নেই। ইউএনও ক্লিনিক মালিক শরিফুল ইসলাম ও জেসমিন নাহার লতাকে সাদা কাগজে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। ইউএনও এর এমন ভুমিকায় ঝিকারগাছায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

উল্লেখ্য এর আগে একাধিক বার এই সালেহা ক্লিনিকে একাধিক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ডাক্তার না হয়েও রোগীর সিজার করলেন ক্লিনিক মালিক

Update Time : ০৩:২৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :: ডাক্তার না হয়েও রোগীর সিজার করার সময় সিভিল সার্জনের হাতে ধরা খেল ক্লিনিক মালিক।
যশোরের ঝিকরগাছার বহুল আলোচিত সালেহা ক্লিনিক মালিক নিজে কোন দিন ডাক্তারী পড়েননি, চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোন কোর্সও করেননি। কিন্তু তাতে কি, একের পর এক সিজার করে চলেছেন তার নিজেরই মালিকাধীন ক্লিনিকে। মঙ্গলবার দুপুরে, যশোরের সিভিল সার্জন ডাঃ সেখ আবু শাহীন এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে হাতে নাতে ধরে ফেলেন এই ক্লিনিক মালিককে। তাৎক্ষনিক ভাবে তিনি ক্লিনিকটি সিল করলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মোবাইল কোর্ট করতে বললেও তিনি তা না করে শুধু মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেন।

 

 

সিভিল সাজন ডাঃ সেখ আবু শাহিন আহমেদ জানান, সালেহা ক্লিনিকের বিরুদ্ধে সিজারে রোগী মারা, সরকারি ওষুধ বিক্রিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কয়েক দফা এই ক্লিনিক মালিককে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সর্তকও করা হয়। কিন্তু এই ক্লিনিক মালিক নিজেকে কখনও এশিয়ান টিভির সাংবাদিক , কখনও মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ে সিভিল সার্জনের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।নানা রকম হুমকি ধামকিও দেয়।

 

 

মঙ্গলবার দুপুরে শার্শা উপজেলার ১০টি ক্লিনিক পরিদর্শন শেষে সিভিল সার্জন যশোরে ফেরার পথে ঝিকরগাছার সালেহা ক্লিনিকে অভিযান চালান। তিনি সরাসরি ওটি রুমে গিয়ে দেখেন ক্লিনিক মালিক শরিফুল ইসলাম শরিফ এবং ওই ক্লিনিকের আবাসিক মেডিকেল অফিসার পরিচয়দানকারি জেসমিন নাহার পাতা মিলে একজন রোগীর সিজার করছেন। সেখানে কোন এ্যানেসথিসিয়ার ডাক্তার ও নার্স নেই। এ বিষয়ে সিভিল সার্জন সাথে সাথে ইউএনও এবং থানায় অভিযোগ করনে। ইউএনও, থানা থেকে এসআই সিরাজুল ইসলাম সেখানে যান। তিনি ক্লিনিকটি সিল করেন।

 

 

ইউএনওকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ক্লিনিক মালিককে সাজা দেবার অনুরোধ করলে ইউএনও শোনেনি। তিনি বলেন, এটা স্বাস্থ্য বিভাগের বিষয়। এখানে আমার কিছু করার নেই। ইউএনও ক্লিনিক মালিক শরিফুল ইসলাম ও জেসমিন নাহার লতাকে সাদা কাগজে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। ইউএনও এর এমন ভুমিকায় ঝিকারগাছায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

উল্লেখ্য এর আগে একাধিক বার এই সালেহা ক্লিনিকে একাধিক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ