০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে মসজিদের নাম পরিবর্তন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নারী-শিশুসহ আহত ২০

  • Update Time : ০৩:১৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে একটি মসজিদের নাম পরিবর্তন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ ২০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। আহতদের ছাতক হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের হাতধনালী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকায় উভয় পক্ষের ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাতধনালী গ্রামের হাজী সিরাজ মিয়া জামে মসজিদের নাম পরিবর্তন করা নিয়ে গ্রামের হাজী সিরাজ মিয়ার পুত্র, ইউপি সদস্য শাহ এমরান ও একই গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর পুত্র সুন্দর আলী পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ১৫ আগষ্ট প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক মসজিদের সাইনবোর্ডে লেখা নাম কালি দিয়ে লেপন করে দিলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার বাদ আছর কথা কাটাকাটির জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজন তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় আধ ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ ব্যক্তি আহত হয়। খবর পেয়ে জাউয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ছাতক থানার এসআই ইলিয়াছ সংঘর্ষের কথা স্বীকার করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে মসজিদের নাম পরিবর্তন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নারী-শিশুসহ আহত ২০

Update Time : ০৩:১৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২০

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে একটি মসজিদের নাম পরিবর্তন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ ২০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। আহতদের ছাতক হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের হাতধনালী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকায় উভয় পক্ষের ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাতধনালী গ্রামের হাজী সিরাজ মিয়া জামে মসজিদের নাম পরিবর্তন করা নিয়ে গ্রামের হাজী সিরাজ মিয়ার পুত্র, ইউপি সদস্য শাহ এমরান ও একই গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর পুত্র সুন্দর আলী পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ১৫ আগষ্ট প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক মসজিদের সাইনবোর্ডে লেখা নাম কালি দিয়ে লেপন করে দিলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার বাদ আছর কথা কাটাকাটির জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজন তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় আধ ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ ব্যক্তি আহত হয়। খবর পেয়ে জাউয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ছাতক থানার এসআই ইলিয়াছ সংঘর্ষের কথা স্বীকার করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ