ছাতকে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজছাত্র সহ আহত ১৫, থানায় পৃথক মামলা
- Update Time : ০৩:৪৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে প্রতিপক্ষের হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ১৫ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আজব আলী ও তার পুত্র মঈনপুর কলেজের ছাত্র আইমান আহমেদ। আহত পিতা-পুত্রকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ছাতক থানায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের জাহিদপুর পুরান বাজারের জুয়েলের ফার্মেসীর সামনে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন আজব আলী ও তার পুত্রের উপর হামলা চালায়। পরে জাহিদপুর গ্রামের আজব আলী ও আব্দুল মালিক পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের ১৫ ব্যক্তি আহত হয়। আহত উভয়পক্ষের গোলাপ উদ্দিন, মনির মিয়া, মিসবাহ উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন, আমিনুল হক,আজির উদ্দিন, জিতু মিয়া, নূর ইসলাম, সাইদুল হক ও এনামুল হককে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আজব আলী বাদী হয়ে বুধবার (৫ আগষ্ট) ছাতক থানায় গ্রামের আব্দুল মালিক, আব্দুল খালিক, মিরাজ মিয়া, জালাল উদ্দীন, নূর ইসলাম, আতিক মিয়া, সিরাজ মিয়া, সাইদুর রহমান সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা (নং-৪) দায়ের করেন। এদিকে আব্দুল খালিক বাদী হয়ে ৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার গ্রামের নিজাম উদ্দিন, আজব আলী, মনির উদ্দিন, মিরাশ আলী সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগটি প্রসিকিউশন আকারে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাহিদপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে জাহিদপুর গ্রামের আজব আলীর সাথে একই এলাকার বাসিন্দা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালিকের বিরোধ চলে আসছিল। কৌশলে প্রধান শিক্ষক তার মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন করলে গত ৪ জুন এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে একটি অভিযোগ দেন আজব আলীসহ এলাকার ৩ ব্যক্তি। প্রধান শিক্ষক স্ব-পরিবারে সিলেটে অবস্থান করায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ায় ব্যঘাত সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বেশ উত্তেজনাও বিরাজ করছিল। মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) বিকালে জাহিদপুর পুরান বাজারে আব্দুল মালিক পক্ষের লোকজন আজব আলী ও তার পুত্র আইমানের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে গ্রামের উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।





























