১১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেফাক কিংবা কওমি ; ঐক্য আর ভাঙ্গন : সৈয়দ মবনু

  • Update Time : ০১:২৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বেফাকের অনৈক্যে যারা মনে করছেন কওমি মাদরাসা ধ্বংস হয়ে যাবে, কওমিতে অনৈক্য হবে, কওমির মূল পঁচে গেছে ইত্যাদি, তারা মূলত কওমি মাদরাসাই বুঝতে পারেননি। তারা জানেন না যে, কওমির মূলে দারুল উলূম দেওবন্দ। দারুল উলূম দেওবন্দ নিচক কোন মাদরাসা কিংবা বোর্ডের নাম নয়। তা একটি শিক্ষা-সাংস্কৃতিক আন্দোলন। তাই একক কোন বোর্ড, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠির মতনৈক্যে কওমির ঐক্য ভাঙতে পারবে না।

 

 

কওমির বৈশিষ্ট্য -ই হলো অনৈক্যের মধ্যে ঐক্য তৈরি করা, সাধারণকে অসাধারণ করা, মূর্খকে শিক্ষিত করা, নির্বোধকে বোধ দেওয়া, অন্ধকারে আলো জ্বালানো, বস্তি আর গ্রাম থেকে গরীব অসহায়দেরকে এনে জ্ঞান বুদ্ধি দিয়ে কর্মে দক্ষ করা। যেখানে কাগজ তৈরির ‘র ‘মেটেরিয়াল এনে রাখা হয় সেখানে কিছু গন্ধ থাকবে-ই। এই গন্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার গন্ধ নয়, তা শুরুর গন্ধ। তেমনি কওমি মাদরাসাও মানুষ তৈরির কারখানা, এই কারখানায় যারা আসে তাদের মধ্যে কিছু গন্ধ থাকবে-ই। তবে তাতে একদিন কোন গন্ধ থাকবে-ই না। তারা একদিন আলোকিত হয়ে যাবে।

 

 

কওমিতে বিভিন্ন কারণে মতানৈক্য নতুন কিছু নয়, তা অতীতে হয়েছে এবং আগামীতেও হতে পারে। মতানৈক্য, ইখতিলাফ ইত্যাদি যেখানে মানুষ আছে সেখানেই থাকবে। বিশেষ করে সমাজের নিম্নশ্রণীর মানুষগুলো এখতেলাফ করবে ই। কারণ, তারা চিন্তা করেন কম কাজ করেন বেশি। । ফলে চিন্তার অভাবে তাদের বেশি কাজগুলোও একসময় গৌণ হয়ে যায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বেফাক কিংবা কওমি ; ঐক্য আর ভাঙ্গন : সৈয়দ মবনু

Update Time : ০১:২৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

বেফাকের অনৈক্যে যারা মনে করছেন কওমি মাদরাসা ধ্বংস হয়ে যাবে, কওমিতে অনৈক্য হবে, কওমির মূল পঁচে গেছে ইত্যাদি, তারা মূলত কওমি মাদরাসাই বুঝতে পারেননি। তারা জানেন না যে, কওমির মূলে দারুল উলূম দেওবন্দ। দারুল উলূম দেওবন্দ নিচক কোন মাদরাসা কিংবা বোর্ডের নাম নয়। তা একটি শিক্ষা-সাংস্কৃতিক আন্দোলন। তাই একক কোন বোর্ড, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠির মতনৈক্যে কওমির ঐক্য ভাঙতে পারবে না।

 

 

কওমির বৈশিষ্ট্য -ই হলো অনৈক্যের মধ্যে ঐক্য তৈরি করা, সাধারণকে অসাধারণ করা, মূর্খকে শিক্ষিত করা, নির্বোধকে বোধ দেওয়া, অন্ধকারে আলো জ্বালানো, বস্তি আর গ্রাম থেকে গরীব অসহায়দেরকে এনে জ্ঞান বুদ্ধি দিয়ে কর্মে দক্ষ করা। যেখানে কাগজ তৈরির ‘র ‘মেটেরিয়াল এনে রাখা হয় সেখানে কিছু গন্ধ থাকবে-ই। এই গন্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার গন্ধ নয়, তা শুরুর গন্ধ। তেমনি কওমি মাদরাসাও মানুষ তৈরির কারখানা, এই কারখানায় যারা আসে তাদের মধ্যে কিছু গন্ধ থাকবে-ই। তবে তাতে একদিন কোন গন্ধ থাকবে-ই না। তারা একদিন আলোকিত হয়ে যাবে।

 

 

কওমিতে বিভিন্ন কারণে মতানৈক্য নতুন কিছু নয়, তা অতীতে হয়েছে এবং আগামীতেও হতে পারে। মতানৈক্য, ইখতিলাফ ইত্যাদি যেখানে মানুষ আছে সেখানেই থাকবে। বিশেষ করে সমাজের নিম্নশ্রণীর মানুষগুলো এখতেলাফ করবে ই। কারণ, তারা চিন্তা করেন কম কাজ করেন বেশি। । ফলে চিন্তার অভাবে তাদের বেশি কাজগুলোও একসময় গৌণ হয়ে যায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ