০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে অবৈধভাবে খেয়াঘাটে মাটি ও বালু ভরাটের অভিযোগ

  • Update Time : ০৪:১১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে সুরমা নদীর পাড় গনেশপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন ফেরীঘাটে অবৈধভাবে মাটিভরাট নিয়ে ভরাটকারী ও খেয়া নৌকার মাঝিদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। খেয়াঘাটে মাটি ভরাট নিয়ে যেকোন সময় বড় রকমের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টির আশংকা করছে সাধারন মানুষ। অবৈধভাবে মাটিভরাটের নামে সুরমা নদীর পাড় দখলের পায়তারা বন্ধের দাবীতে রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। খেয়া নৌকার মাঝিদের পক্ষে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের মৃত শায়েস্থা মিয়ার পুত্র আলী আব্বাছ এ অভিযোগ দেন।

 

 

এসময় ইসলামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এড. সুফি আলম সুহেল, ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হাজী সুনু মিয়া, শিক্ষানুরাগী হাজী শামছুর রহমান ছাদিক, ইসলামপুর যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থার সহ সভাপতি মোরাদ আহমদ, সাধারন সম্পাদক মোশারফ হোসেনসহ নৌকার মাঝিগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

জানা যায়, উপজেলার বৃহত্তম খেয়াঘাটগুলোর মধ্যে থানা সংলগ্ন গনেশপুর খেয়াঘাট একটি অন্যতম ঘাট। এ ঘাটের প্রায় পঞ্চাশ গজের মধ্যে রয়েছে আরো একটি বৃহত্তম ইসাকলস খেয়া ঘাট। শহরের থানা রোড সংলগ্ন প্রধান সড়ক থেকে গনেশপুর খেয়া ঘাটের পথেই উভয় খেয়া ঘাটে আসা-যাওয়া করতে হয় লোকজনদের। যার ফলে গনেশপুর খেয়া ঘাটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ও জনমূখর। ওই দু’ খেয়া ঘাটের মাঝখানের অংশে যুগ-যুগ ধরে শতাধিক ছোট-ছোট নৌকা নিয়ে যাত্রী পারাপারের মাধ্যমে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছে এলাকার কিছু দরীদ্র জনগোষ্ঠী। ওই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন ইসলামপুর ইউনিয়নসহ কোম্পানীগঞ্জ ও দেয়ারাবাজার উপজেলার হাজার হাজার মানুষ নিয়মিত আসা-যাওয়া করে থাকে।

 

 

অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রাচীনতম এ ঘাটের যেখানে ওইসব ছোট-ছোট নৌকা ভেড়ানো হয়ে থাকে ওই স্থানে বালু-মাটি ফেলে ভরাট করে নদীর পাড় দখল করার পায়তারা করা হচ্ছে। ১৬ জুলাই থেকে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি শহরের মন্ডলীভোগ এলাকার হাজী দুলাল মিয়ার পুত্র জাকির বালু-মাটি ফেলে অবৈধভাবে ভরাট করছে নদীর পাড়। মাটি ভরাট করতে ঘাটের মাঝিরা বাঁধা দিলে ভরাটকারীর সাথে খেয়া নৌকার মাঝিদের উত্তপ্ত বাক-বিতন্ডা ঘটে। এক পর্যায়ে খেয়াঘাটের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ফেরী পারাপারে নিয়োজিত শতাধিক অসহায় মানুষদের জীবন জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে মাটি ভরাট বন্ধ করে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় লোকজন ও খেয়া নৌকার মাঝিরা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে অবৈধভাবে খেয়াঘাটে মাটি ও বালু ভরাটের অভিযোগ

Update Time : ০৪:১১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে সুরমা নদীর পাড় গনেশপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন ফেরীঘাটে অবৈধভাবে মাটিভরাট নিয়ে ভরাটকারী ও খেয়া নৌকার মাঝিদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। খেয়াঘাটে মাটি ভরাট নিয়ে যেকোন সময় বড় রকমের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টির আশংকা করছে সাধারন মানুষ। অবৈধভাবে মাটিভরাটের নামে সুরমা নদীর পাড় দখলের পায়তারা বন্ধের দাবীতে রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। খেয়া নৌকার মাঝিদের পক্ষে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের মৃত শায়েস্থা মিয়ার পুত্র আলী আব্বাছ এ অভিযোগ দেন।

 

 

এসময় ইসলামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এড. সুফি আলম সুহেল, ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হাজী সুনু মিয়া, শিক্ষানুরাগী হাজী শামছুর রহমান ছাদিক, ইসলামপুর যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থার সহ সভাপতি মোরাদ আহমদ, সাধারন সম্পাদক মোশারফ হোসেনসহ নৌকার মাঝিগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

জানা যায়, উপজেলার বৃহত্তম খেয়াঘাটগুলোর মধ্যে থানা সংলগ্ন গনেশপুর খেয়াঘাট একটি অন্যতম ঘাট। এ ঘাটের প্রায় পঞ্চাশ গজের মধ্যে রয়েছে আরো একটি বৃহত্তম ইসাকলস খেয়া ঘাট। শহরের থানা রোড সংলগ্ন প্রধান সড়ক থেকে গনেশপুর খেয়া ঘাটের পথেই উভয় খেয়া ঘাটে আসা-যাওয়া করতে হয় লোকজনদের। যার ফলে গনেশপুর খেয়া ঘাটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ও জনমূখর। ওই দু’ খেয়া ঘাটের মাঝখানের অংশে যুগ-যুগ ধরে শতাধিক ছোট-ছোট নৌকা নিয়ে যাত্রী পারাপারের মাধ্যমে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছে এলাকার কিছু দরীদ্র জনগোষ্ঠী। ওই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন ইসলামপুর ইউনিয়নসহ কোম্পানীগঞ্জ ও দেয়ারাবাজার উপজেলার হাজার হাজার মানুষ নিয়মিত আসা-যাওয়া করে থাকে।

 

 

অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রাচীনতম এ ঘাটের যেখানে ওইসব ছোট-ছোট নৌকা ভেড়ানো হয়ে থাকে ওই স্থানে বালু-মাটি ফেলে ভরাট করে নদীর পাড় দখল করার পায়তারা করা হচ্ছে। ১৬ জুলাই থেকে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি শহরের মন্ডলীভোগ এলাকার হাজী দুলাল মিয়ার পুত্র জাকির বালু-মাটি ফেলে অবৈধভাবে ভরাট করছে নদীর পাড়। মাটি ভরাট করতে ঘাটের মাঝিরা বাঁধা দিলে ভরাটকারীর সাথে খেয়া নৌকার মাঝিদের উত্তপ্ত বাক-বিতন্ডা ঘটে। এক পর্যায়ে খেয়াঘাটের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ফেরী পারাপারে নিয়োজিত শতাধিক অসহায় মানুষদের জীবন জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে মাটি ভরাট বন্ধ করে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় লোকজন ও খেয়া নৌকার মাঝিরা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ