দোয়ারায় ভাড়ী বর্ষন ও পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যা, পানি বন্ধি রয়েছে ঘর বাড়ি ও হাজার হাজার মানুষ
- Update Time : ০২:৩২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২০
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
হারুন অর রশিদ, দোয়ারাবাজার :: গত ৩ দিনের পাহাড়ি ঢল ও ভাড়ী বর্ষনে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে প্রায় ২ শতাধিক গ্রামের জন গণ পানিবন্ধী রয়েছে। এদিকে সুরমা ইউনিয়নের ৩২ টি গ্রামের প্রায় ঘরে পানি উটে পড়েছে। ঘরে পানি উঠায় চুলা ব্যাবহার না করতে পারায় অনেক পরিবার না খেয়ে আছে। বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র না থাকায়। ঘরের মধ্যে পানি বন্ধি রয়েছে ৩২ টি গ্রামের মানুষ।
দুই শতাধিক গ্রামের মানুষজন ঘর থেকে বের হতে পারছেনা। আকর্ষিক বন্যা দেখা দেয়ার ফলে মানুষের গবাদিপশুর ও গু খাদ্য সংকটে পড়েছে।
গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে যাওয়ায় শত কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। দিন যত গড়িয়ে আসছে ততই পাহাড়ি ঢলের গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে যাচ্ছে। ফলে এই এলাকার শত কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। দিন যত গড়িয়ে আসছে ভানের পানি ভয়ংক্কর আকার ধারণ করছে।
উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রাম্য সড়কগুলো তলিয়ে গিয়ে দোয়ারাবাজার সদরের সাথে সবকটা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার অবনতি হচ্ছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ৬ টি ইউনিয়নের জনগণ। গ্রামের চলাচলের রাস্তাগুলো ডুবে যাওয়ায় গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন গৃহ পালিত পশু পাখী। এদিকে শুক্রবার রাত থেকে বিদ্যুৎ নাথাকার ফলে মানুষ অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছে। এছাড়াও টানা বৃষ্টিপাতে দিনমজুর ও রিক্সা চালকরা মানবত দিন কাটাচ্ছেন। পরিবারের খাবার জোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছে তারা। ভারত থেকে নেমে আসা উপজেলার খাসিয়া মারা নদী, চিলাই নদী, সোনালী চেলা নদী ও সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে বয়ে চলছে। উপজেলা সদরের সাথে ৩ টি ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন রয়েছে, সুরমা ইউনিয়ন, বোগলা বাজার ইউনিয়ন ও লক্ষীপুর ইউনিয়ন। শনিবার সকাল থেকে পানি দ্রুত গতিতে বেড়ে বোগলা দোয়ারাবাজার সড়ক, সুরমা ইউনিয়নের টেংরা দোয়ারাবাজার সড়ক, শরীফপুর গ্রামের পাশে সাইডিং ঘাট হতে দোয়ারা ব্রীজ পর্যন্ত রাস্তা তলিয়ে গিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভুজনা দোয়ারাবাজার সড়কটি ও পানিতে তলিয়ে গিয়ে ১০ টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পানি বন্ধী রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক গ্রাম। গ্রাম গুলো মধ্যে ভুজনা, উমর পুর,কালিকাপুর, কদম তলী, নুরপুর, সোনাপুর, আলীপুর, খৈয়াজুরী শান্তিপুর, শরীফপুর, বাঘরা, রায় নগর, বড়বন, সুন্দর পই, গোজাউরা, মোহাম্মদ পুর, টেংরা, গিরিশ নগর, ইসলামপুর। বৈটাখাই, কাউয়াগড়, শিমল তলা, মাইজখলা সহ শতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্ধী রয়েছে।
এদিকে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে জরুরী অবস্থা ঘোষনা করা হলেও ক্ষতি গ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে কেউ এগিয়ে আসেনি। এবং ভানবাসি মানুষের জন্য ত্রাণ সামগ্রী ও শুকনো খাবার বিতরণ হয়নি।





























