১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০, বাড়িঘর ভাংচুর 

  • Update Time : ০৮:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৫০জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়ি-ঘর ভাংচুর করা হয়। গুরুতর আহত ১৫জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, ছাতক পৌর শহরের তাতিকোনা এলাকার বাসিন্দা ও ছাতক পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মজনু মিয়া ও ব্যবসায়ী শাহ আলমের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। মঙ্গলবার বিকেলে মজনু মিয়ার পক্ষের আতাই মিয়া এবং শাহ আলমের পক্ষের সুরুজ আলীর মধ্যে কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে বুধবার সকালে শহরের তাতিকোনা এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বসতঘর ও গ্যারেজ ভাংচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত লাভলু মিয়া, নিকসন আহমদ, শিমুল মিয়া, জলাল উদ্দিন, ফয়সল আহমদ, আজিজুর রহমান, কুতুব আলী, কছির মিয়া, আঞ্জব আলী, আলিম উদ্দিন, মনসুর আলী, আইন উদ্দিনসহ ১৫জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদেরকে উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে স্থানীয় মুরব্বীদের নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০, বাড়িঘর ভাংচুর 

Update Time : ০৮:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৫০জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়ি-ঘর ভাংচুর করা হয়। গুরুতর আহত ১৫জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, ছাতক পৌর শহরের তাতিকোনা এলাকার বাসিন্দা ও ছাতক পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মজনু মিয়া ও ব্যবসায়ী শাহ আলমের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। মঙ্গলবার বিকেলে মজনু মিয়ার পক্ষের আতাই মিয়া এবং শাহ আলমের পক্ষের সুরুজ আলীর মধ্যে কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে বুধবার সকালে শহরের তাতিকোনা এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বসতঘর ও গ্যারেজ ভাংচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত লাভলু মিয়া, নিকসন আহমদ, শিমুল মিয়া, জলাল উদ্দিন, ফয়সল আহমদ, আজিজুর রহমান, কুতুব আলী, কছির মিয়া, আঞ্জব আলী, আলিম উদ্দিন, মনসুর আলী, আইন উদ্দিনসহ ১৫জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদেরকে উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে স্থানীয় মুরব্বীদের নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ