১১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজারে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

  • Update Time : ০৮:৩৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকালে উপজেলার দিনেরটুক আলিম মাদরাসার নবনির্মিত ভবনের নির্মাণসামগ্রী সরবরাহকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদরাসার নতুন ভবনের জন্য বালু সরবরাহকে কেন্দ্র করে সোমবার (১ জুন) বিকেলে মাদরাসায় এক জরুরি বৈঠকে বসে মাদরাসা পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসী। ওই সময় বৈঠকে উপস্থিত আব্দুন নুর ও মর্তজ আলীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার বিকেলে ওই ঘটনার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বৈঠকে বসেন মাদরাসা পরিচালনা কমিটির লোকজন। এ সময় উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে মীমাংসা করে দেন এলাকাবাসী। এর কিছু সময় পরে মর্তুজ আলীর লোকজন আব্দুন নুরের বাড়ির সামনে গিয়ে আব্দুন নুরের পুত্র সোহেলের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষের সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

সংঘর্ষে আব্দুন নুর ও তার তিন ছেলেসহ চারজন আহত হন। আহতরা হলেন আব্দুন নুর (৬৫), তার ছেলে সোহেল মিয়া (৩০), জুয়েল মিয়া (২৫) ও পাবেল মিয়া (২২)। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুন ‍নুরকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি পথিমধ্যে মারা যান।

নিহত আব্দুন নুরের পুত্র সোহেলের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের লোকজন।

 

এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসেম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দোয়ারাবাজারে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

Update Time : ০৮:৩৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকালে উপজেলার দিনেরটুক আলিম মাদরাসার নবনির্মিত ভবনের নির্মাণসামগ্রী সরবরাহকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদরাসার নতুন ভবনের জন্য বালু সরবরাহকে কেন্দ্র করে সোমবার (১ জুন) বিকেলে মাদরাসায় এক জরুরি বৈঠকে বসে মাদরাসা পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসী। ওই সময় বৈঠকে উপস্থিত আব্দুন নুর ও মর্তজ আলীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার বিকেলে ওই ঘটনার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বৈঠকে বসেন মাদরাসা পরিচালনা কমিটির লোকজন। এ সময় উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে মীমাংসা করে দেন এলাকাবাসী। এর কিছু সময় পরে মর্তুজ আলীর লোকজন আব্দুন নুরের বাড়ির সামনে গিয়ে আব্দুন নুরের পুত্র সোহেলের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষের সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

সংঘর্ষে আব্দুন নুর ও তার তিন ছেলেসহ চারজন আহত হন। আহতরা হলেন আব্দুন নুর (৬৫), তার ছেলে সোহেল মিয়া (৩০), জুয়েল মিয়া (২৫) ও পাবেল মিয়া (২২)। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুন ‍নুরকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি পথিমধ্যে মারা যান।

নিহত আব্দুন নুরের পুত্র সোহেলের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের লোকজন।

 

এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসেম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ