১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে একজন মৃত্যুঞ্জয়ী করোনাযোদ্ধা জননেতা সৈয়দ তালহা আলম

  • Update Time : ১১:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে একজন মৃত্যুঞ্জয়ী করোনাযোদ্ধা জননেতা সৈয়দ তালহা আলম যিনি করোনা কালীন সময়ে উপজেলার অবহেলিত তিন হাজারের অধিক পরিবারের পাশে নগদ অর্থ ও ত্রান সামগ্রী নিয়ে কলকলিয়া ইউপি, চিলাউড়া হলদিপুর ইউপি, রাণীগঞ্জ ইউপি, পাইলগাঁও ইউপি, আশারকান্দি ইউপি, সৈয়দপুর শাহার পাড়া ইউপি, মিরপুর ইউপি এবং জগন্নাথপুর পৌরসভার কয়েক টি ওয়ার্ডে খাদ্য সামগ্রী ত্রান বিতরণ করতে গিয়ে কখন যে নিজেই করোনায় অাক্রান্ত হয়েছেন তা নিজেও জানেননি।

 

 

জগন্নাথপুর উপজেলার বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী এবং সম্ভাব্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সৈয়দ তালহা আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ২৮ রমজান থেকে করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেট নগরীতে নিজ বাসভবনে আইসোলেশনে চলে যান। যেহেতু কয়েকজন করোনা পসিটিভ মানুষের সাথে চলা ফেরা করেছেন, সেহেতু তিনি মোটামুটি নিশ্চিত যে ব্যাধিটি ভর করেছে। ঈদের রাত অনেক কষ্টে গেছে তাহার। এরপর শরীর আস্তে আস্তে সুস্থতার দিকে যায়। গত বৃহস্পতিবার সুস্থতা নিশ্চিত হওয়ার জন্য টেস্ট করলে তা নেগেটিভ আসে। বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন এবং জগন্নাথপুর উপজেলাবাসীর কল্যানে নিজেকে আবার শীঘ্রই নিয়োজিত করবেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে একজন মৃত্যুঞ্জয়ী করোনাযোদ্ধা জননেতা সৈয়দ তালহা আলম

Update Time : ১১:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে একজন মৃত্যুঞ্জয়ী করোনাযোদ্ধা জননেতা সৈয়দ তালহা আলম যিনি করোনা কালীন সময়ে উপজেলার অবহেলিত তিন হাজারের অধিক পরিবারের পাশে নগদ অর্থ ও ত্রান সামগ্রী নিয়ে কলকলিয়া ইউপি, চিলাউড়া হলদিপুর ইউপি, রাণীগঞ্জ ইউপি, পাইলগাঁও ইউপি, আশারকান্দি ইউপি, সৈয়দপুর শাহার পাড়া ইউপি, মিরপুর ইউপি এবং জগন্নাথপুর পৌরসভার কয়েক টি ওয়ার্ডে খাদ্য সামগ্রী ত্রান বিতরণ করতে গিয়ে কখন যে নিজেই করোনায় অাক্রান্ত হয়েছেন তা নিজেও জানেননি।

 

 

জগন্নাথপুর উপজেলার বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী এবং সম্ভাব্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সৈয়দ তালহা আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ২৮ রমজান থেকে করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেট নগরীতে নিজ বাসভবনে আইসোলেশনে চলে যান। যেহেতু কয়েকজন করোনা পসিটিভ মানুষের সাথে চলা ফেরা করেছেন, সেহেতু তিনি মোটামুটি নিশ্চিত যে ব্যাধিটি ভর করেছে। ঈদের রাত অনেক কষ্টে গেছে তাহার। এরপর শরীর আস্তে আস্তে সুস্থতার দিকে যায়। গত বৃহস্পতিবার সুস্থতা নিশ্চিত হওয়ার জন্য টেস্ট করলে তা নেগেটিভ আসে। বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন এবং জগন্নাথপুর উপজেলাবাসীর কল্যানে নিজেকে আবার শীঘ্রই নিয়োজিত করবেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ