০৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে করোনা সন্দেহে এক যুবককে হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে স্বজনরা : রোগী পাঠানো হয়েছে সিলেটে

  • Update Time : ০১:২১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা জসিম উদ্দিন নামের ঢাকা ফেরত এক রোগীকে রেখে পালিয়ে গেছে তার স্বজনরা। সে উপজেলার আমেরতল গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে ছাতক হাসপাতালে তাকে নিয়ে আসেন স্বজনরা।

 

জানা যায়, গত ২৫ মার্চ ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে ছাতকে আসে সে। গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বর, সর্দি কাশি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে একই উপজেলার জয়নগর গ্রামে তার আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করে সে। পরবর্তীতে তার শারিরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ছাতক হাসপাতালে নিয়ে আসেন তারা। এসময় কর্তব্যরত ডাক্তার তার কোভিড-১৯ সন্দেহে পরিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিলে হাসপাতালে হুলুস্থুল শুরু হয়। এ সুযোগে পালিয়ে যায় হাসপাতালে নিয়ে আসা তার স্বজনরা। তার শারিরীক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম কবির। কোভিড-১৯ সন্দেহে প্রথমে তাকে কোনো চিকিৎসা দেয়া হয়নি। প্রায় এক ঘন্টা হাসপাতালের মেঝেতে পড়ে থাকে সে। এসময় হাসপাতালের ডাক্তার-নার্সরা রোগী থেকে নিরাপদ দূরত্বে চলে যায়৷ এ নিয়ে গোটা শহর জুড়ে শুরু হয়ে যায় হৈচৈ। হাসপাতালের এম্বুলেন্স চালকও সটকে পড়ে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম কবির রোগীকে সিলেট পাঠানোর ব্যাবস্থা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাজিব চক্রবর্তী জানান রোগীর লক্ষন অনুযায়ী বুঝা যায় সে করোনা আক্রান্ত হতে পারে।

 

জসিম উদ্দিন আমেরতল গ্রামের বাসিন্দা। তবে তারা স্বপরিবারে পেপারমিল এলাকার একটি ভাড়াটে বাসায় থাকতো। সে থাকতো তার বোনের সাথে জয়নগর গ্রামে। সেখান থেকেই সে ঢাকা কেরানীগঞ্জের একটি কারখানায় চাকুরী নিয়ে চলে যায়।

 

গত ২৫ মার্চ কেরানীগঞ্জ থেকে ফিরে জয়নগর গ্রামের বোনের বাড়ীতে উঠে অসুস্থ হয়ে পড়ে। দু’সপ্তাহ তাকে হোমকোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। অসুস্থ অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ছাতক হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনরা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে করোনা সন্দেহে এক যুবককে হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে স্বজনরা : রোগী পাঠানো হয়েছে সিলেটে

Update Time : ০১:২১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা জসিম উদ্দিন নামের ঢাকা ফেরত এক রোগীকে রেখে পালিয়ে গেছে তার স্বজনরা। সে উপজেলার আমেরতল গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে ছাতক হাসপাতালে তাকে নিয়ে আসেন স্বজনরা।

 

জানা যায়, গত ২৫ মার্চ ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে ছাতকে আসে সে। গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বর, সর্দি কাশি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে একই উপজেলার জয়নগর গ্রামে তার আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করে সে। পরবর্তীতে তার শারিরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ছাতক হাসপাতালে নিয়ে আসেন তারা। এসময় কর্তব্যরত ডাক্তার তার কোভিড-১৯ সন্দেহে পরিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিলে হাসপাতালে হুলুস্থুল শুরু হয়। এ সুযোগে পালিয়ে যায় হাসপাতালে নিয়ে আসা তার স্বজনরা। তার শারিরীক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম কবির। কোভিড-১৯ সন্দেহে প্রথমে তাকে কোনো চিকিৎসা দেয়া হয়নি। প্রায় এক ঘন্টা হাসপাতালের মেঝেতে পড়ে থাকে সে। এসময় হাসপাতালের ডাক্তার-নার্সরা রোগী থেকে নিরাপদ দূরত্বে চলে যায়৷ এ নিয়ে গোটা শহর জুড়ে শুরু হয়ে যায় হৈচৈ। হাসপাতালের এম্বুলেন্স চালকও সটকে পড়ে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম কবির রোগীকে সিলেট পাঠানোর ব্যাবস্থা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাজিব চক্রবর্তী জানান রোগীর লক্ষন অনুযায়ী বুঝা যায় সে করোনা আক্রান্ত হতে পারে।

 

জসিম উদ্দিন আমেরতল গ্রামের বাসিন্দা। তবে তারা স্বপরিবারে পেপারমিল এলাকার একটি ভাড়াটে বাসায় থাকতো। সে থাকতো তার বোনের সাথে জয়নগর গ্রামে। সেখান থেকেই সে ঢাকা কেরানীগঞ্জের একটি কারখানায় চাকুরী নিয়ে চলে যায়।

 

গত ২৫ মার্চ কেরানীগঞ্জ থেকে ফিরে জয়নগর গ্রামের বোনের বাড়ীতে উঠে অসুস্থ হয়ে পড়ে। দু’সপ্তাহ তাকে হোমকোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। অসুস্থ অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ছাতক হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনরা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ