১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়ারায় করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু : ১৭ বাড়ি লকডাউন

  • Update Time : ০৪:০৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে জ্বর, সর্দি কাশি নিয়ে (২২) বছরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় নিজ বাড়িতে এই যুবকের মৃত্যু হয়। নিহতের বাড়ি উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাতেই ওই এলাকার ১৭টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দেশের বিভিন্ন জায়গায় দিনমজুরি কাজ করতেন ওই যুবক। গত ছয় মাস আগে নিহতরা তিন ভাই একসাথে সিলেটের একটি ইট খলায় কাজে যায়। হঠাৎ তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে গত ১৫ দিন আগে বাড়ি চলে আসেন। বাড়িতে আসার পর তার শরীরে জ্বর, সর্দি কাশিসহ নানা রোগ দেখা দেয়। গত রাতে হঠাৎ তার মৃত্যু হয়।

নিহতের প্রতিবেশি খলিল আহমেদ বলেন, গত ছয় মাস আগে ওই যুবক সিলেটের একটি ইট মেইল (খলা) এর কাজে যান। অসুস্থ্য হয়ে কিছু দিন আগে বাড়িতে আসেন। তার শরীরে জ্বর, সর্দি কাশি ছিল। গত রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী খুব আতঙ্কের মধ্যে আছেন।

এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে আমাদের মেডিকেল টিম গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে। তারপর তাকে দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যদের পারিবারিক হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে ওই এলাকাকে লকডাউন করা হয়েছে।

এদিকে লক্ষীপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের ওই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় করোনা সন্দেহে তার বাড়িসহ আশপাশের ১০টি বাড়ি এবং দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের ৫টি বাড়ি ও মান্নারগাঁও ইউনিয়নের ২টি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন। ওই যুবকের মৃত্যুর পর কয়েকটি এলাকার মানুষ তাকে দেখতে আসার কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা স্থানীয় ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে তার আশপাশের ১০টি বাড়ি ছাড়া আরো ৭টি বাড়ি লকডাউন করে দেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দোয়ারায় করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু : ১৭ বাড়ি লকডাউন

Update Time : ০৪:০৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে জ্বর, সর্দি কাশি নিয়ে (২২) বছরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় নিজ বাড়িতে এই যুবকের মৃত্যু হয়। নিহতের বাড়ি উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাতেই ওই এলাকার ১৭টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দেশের বিভিন্ন জায়গায় দিনমজুরি কাজ করতেন ওই যুবক। গত ছয় মাস আগে নিহতরা তিন ভাই একসাথে সিলেটের একটি ইট খলায় কাজে যায়। হঠাৎ তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে গত ১৫ দিন আগে বাড়ি চলে আসেন। বাড়িতে আসার পর তার শরীরে জ্বর, সর্দি কাশিসহ নানা রোগ দেখা দেয়। গত রাতে হঠাৎ তার মৃত্যু হয়।

নিহতের প্রতিবেশি খলিল আহমেদ বলেন, গত ছয় মাস আগে ওই যুবক সিলেটের একটি ইট মেইল (খলা) এর কাজে যান। অসুস্থ্য হয়ে কিছু দিন আগে বাড়িতে আসেন। তার শরীরে জ্বর, সর্দি কাশি ছিল। গত রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী খুব আতঙ্কের মধ্যে আছেন।

এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে আমাদের মেডিকেল টিম গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে। তারপর তাকে দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যদের পারিবারিক হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে ওই এলাকাকে লকডাউন করা হয়েছে।

এদিকে লক্ষীপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের ওই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় করোনা সন্দেহে তার বাড়িসহ আশপাশের ১০টি বাড়ি এবং দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের ৫টি বাড়ি ও মান্নারগাঁও ইউনিয়নের ২টি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন। ওই যুবকের মৃত্যুর পর কয়েকটি এলাকার মানুষ তাকে দেখতে আসার কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা স্থানীয় ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে তার আশপাশের ১০টি বাড়ি ছাড়া আরো ৭টি বাড়ি লকডাউন করে দেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ