০৫:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়ারায় অভিনব কায়দায় মহিষ চুরি, জবাই করে মাংশ বিক্রির অভিযোগ

  • Update Time : ০৬:০০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডার গাও ইউনিয়নের গোপীনগর গ্রামে অভিনব কায়দায় মহিষ চুরি, জবাই করে মাংশ বিক্রির অভিযোগ। অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় উপজেলার গোপীনগর গ্রামের, মৃত ইদ্রিস আলীর পুত্র মো. আব্দুল বারী, দোয়ারাবাজার থানায় মহিষ চুরির অভিযোগে মামলা করেছেন।

গত ১৫ মার্চ গভীর রাতে মহিষ চুরির গঠনাটি সংঘটিত হয়।
প্রতি দিনের ন্যায়, মহিষগুলােকে হাওরে ঘাস খাওয়ানোর পর সন্ধ্যার সময় নিজ বাড়ীতে আনিয়া বাড়ীর উঠানে আম গাছের সাথে রশি দ্বারা মহিষগুলাে বাঁধিয়া রাখলেও ঐ দিন পরিবারের সকলেই রাতের ভাত খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়লে আনুমানিক গভীর রাতে বাড়ি থেকে ৬ টি মহিষের মধ্যে ৩ টি মহিষ চুরি করিয়া নিয়া যায়। সকালে খোজ নিতে গিয়ে দেখা যায় একই ইউনিয়নের আফছর নগর গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর পুত্র সাঞ্জব আলী একই গ্রামের আজমান আলীর পুত্র আবরুছ আলী ও মােঃ আক্কাছ আলী, কাছা মিয়ার পুত্র তাজুল ইসলাম, মহিষ চুরি করে।

আফছর নগর গ্রামের আব্দুল মন্নানের বসত বাড়ীর উত্তর সংলগ্ন বাঁশ ও ঝােপ ঝাড়ের নিচে মহিষ জবাই করিয়া উহার মাংস, চামড়া নাড়ি ভূড়ি শিং সমূহ সি এন জি গাড়ীতে তুলে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া জবাইকৃত মহিষের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। চুরি হওয়া অপর ২টি মহিষ দৌড়িয়া পালাইয়া যায়।

সিএনজি যোগে পালানোর সময় বিবাদীগনকে স্থানীয়রা চুরির বিষয়ে  জিজ্ঞাসা করিলে বিবাদীগন উহার কোন উত্তর না দিয় দ্রুত গতিতে চলিয়া যায়।

দোয়ারাবাজার থানার মামলা তদন্ত কারি কর্মকর্তা এসআই জামাল বলেন, মামলার সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামীর খুজ পাওয়া যাচ্ছে না, তবে গ্রেফতারের প্রকৃয়া চলছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দোয়ারায় অভিনব কায়দায় মহিষ চুরি, জবাই করে মাংশ বিক্রির অভিযোগ

Update Time : ০৬:০০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২০

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডার গাও ইউনিয়নের গোপীনগর গ্রামে অভিনব কায়দায় মহিষ চুরি, জবাই করে মাংশ বিক্রির অভিযোগ। অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় উপজেলার গোপীনগর গ্রামের, মৃত ইদ্রিস আলীর পুত্র মো. আব্দুল বারী, দোয়ারাবাজার থানায় মহিষ চুরির অভিযোগে মামলা করেছেন।

গত ১৫ মার্চ গভীর রাতে মহিষ চুরির গঠনাটি সংঘটিত হয়।
প্রতি দিনের ন্যায়, মহিষগুলােকে হাওরে ঘাস খাওয়ানোর পর সন্ধ্যার সময় নিজ বাড়ীতে আনিয়া বাড়ীর উঠানে আম গাছের সাথে রশি দ্বারা মহিষগুলাে বাঁধিয়া রাখলেও ঐ দিন পরিবারের সকলেই রাতের ভাত খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়লে আনুমানিক গভীর রাতে বাড়ি থেকে ৬ টি মহিষের মধ্যে ৩ টি মহিষ চুরি করিয়া নিয়া যায়। সকালে খোজ নিতে গিয়ে দেখা যায় একই ইউনিয়নের আফছর নগর গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর পুত্র সাঞ্জব আলী একই গ্রামের আজমান আলীর পুত্র আবরুছ আলী ও মােঃ আক্কাছ আলী, কাছা মিয়ার পুত্র তাজুল ইসলাম, মহিষ চুরি করে।

আফছর নগর গ্রামের আব্দুল মন্নানের বসত বাড়ীর উত্তর সংলগ্ন বাঁশ ও ঝােপ ঝাড়ের নিচে মহিষ জবাই করিয়া উহার মাংস, চামড়া নাড়ি ভূড়ি শিং সমূহ সি এন জি গাড়ীতে তুলে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া জবাইকৃত মহিষের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। চুরি হওয়া অপর ২টি মহিষ দৌড়িয়া পালাইয়া যায়।

সিএনজি যোগে পালানোর সময় বিবাদীগনকে স্থানীয়রা চুরির বিষয়ে  জিজ্ঞাসা করিলে বিবাদীগন উহার কোন উত্তর না দিয় দ্রুত গতিতে চলিয়া যায়।

দোয়ারাবাজার থানার মামলা তদন্ত কারি কর্মকর্তা এসআই জামাল বলেন, মামলার সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামীর খুজ পাওয়া যাচ্ছে না, তবে গ্রেফতারের প্রকৃয়া চলছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ