০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একান্ত সাক্ষাৎকারে ৭ই মার্চ থেকে ২৬শে মার্চের স্মৃতিচারণ করলেন মুক্তিযোদ্ধা আ.লীগ নেতা সৈয়দ আতাউর রহমান

  • Update Time : ০৯:২১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: বীর মুক্তিযোদ্ধা বৃহত্তর সিলেট ষাট দশকের ছাত্রনেতা সাবেক যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আতাউর রহমান গণমাধ্যমের সাথে একান্ত অালাপচারিতায় নিম্নে প্রশ্নের উত্তর পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

 

প্রশ্ন: ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ-এ আপনার কি ভূমিকা ছিল।

উত্তর: ১৯৭১ সালের মার্চ মাসটি ছিল উত্তাল, ৩ মার্চ জাতীয় সংসদ অধিবেশন ডাকার কথা এর দুই দিন আগে ১তারিখ হহঠাত করে অধিবেশন স্থগিত করে দিলেন এহিয়া খান। কারো বুঝতে বাকি রইলোনা পাকিস্থানের উদ্দেশ্য, তারা ক্ষমতা দিতে চাইছেনা, ছাত্র যুব সমাজ বিক্ষভে ফেটে পড়ল ঐদিন ঘোষনা এলো হরতালের। ২ মার্চ স্বাধীন বাংলা পতাকা কেন্দ্রে উত্তোলন হলো। ১ তারিখ থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন হরতাল চলত। ৪ তারিখ থেকে দেশ অচল হয়ে পড়ে। সারা দেশে স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। ১৯৭০ ইংরেজীর নির্বাচনে জনগনের মেনডেট পাওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালী জাতীর অভিসংবাদিত নেতায় পরিনত হন। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে দেওয়া হলে জনতা বঙ্গবন্ধুকে খোজেছে। তারা পূবালী হোটেলে গিয়েছে। সেখানে বঙ্গবন্ধু মিটিং করে ছিলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ- এর কথা বলতে হলে আমাকে একটু পিছনে যেতে হয়। ১৯৭০ ইং ঐতিহাসিক নির্বাচনে আমাদের জাতীয় পরিষদের সদস্য জনাব আব্দুল হক সাহেব এবং পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের সদস্য জনাব আব্দুর রইছ এডভোকেট প্রথম জাতীয় অধিবেশনে পশ্চিম পাকিস্তানে ডাকা হয়, উক্ত অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য, জনাব আব্দুল হক সাহেব প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার সফর সঙ্গী হিসাবে আমারও প্রস্তুতি ছিল। সেই সুবিদার্থে ঢাকাতে ছিলাম, ৭ ই মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জনসভায় আমি অনেক সহকর্মী নিয়ে উপস্থিত ছিলাম।

 

প্রশ্ন: ২. ১৭ ই মার্চ আপনি কি ভাবে মুল্যয়ন করেন?

উত্তর: ১৭ ই মার্চ জাতীর জনকের জন্ম দিবস আমার বিশ্বাস বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হত না, যার জন্য মুজিববর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিবসকে স্মরন রাখার জন্য ১৭ মার্চ ১৯৯৫ ইংরেজীতে জনগনের সহযোগিতায় আমার উদ্যােগে সৈয়দপুর আদর্শ কলেজ স্থাপিত হয়। উক্ত কলেজে ১০১ শতাংশ ভূমি প্রদান করি, ভূমি দাতা প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি।

 

প্রশ্ন: ৩. ১৭ মার্চ সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের ২৫ বৎসর পূর্ণ হবে, ২৫ বৎসর রজত জয়ন্তী পালন করবেন কি?

উত্তর: ১৬ ই ডিসেম্বর বাঙ্গালীর জাতীর বিজয় দিবস, ইনশাআল্লাহ বিজয়ের মাসে রজত জয়ন্তী পালন করার প্রস্তুতি চলছে।

 

প্রশ্ন:৪. ২৬ মার্চের বিষয় কিছু বলেন?

উত্তর: ১৫ মার্চ এহিয়া খান ঢাকায় এলেন ১৮ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশ মিছিলে উত্তাল, ২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস প্রথা অনুযায়ী এই দিন পাকিস্তানে পতাকা উত্তোলনের কথা সেই দিন পল্টন ময়দানে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীন বাংলা দেশের পতাকা উত্তোলন হলো। ২ মার্চ রাত্রে নিরস্র বাঙ্গালীর উপর পাকিস্তানি সৈনিকরা ঝাপিয়ে পড়ল এবং নিসংশ ভাবে হত্যা ধর্ষন অগ্নি সংযোগ শুরু করলো, ঐ রাত্রি বঙ্গবন্ধু ওয়ারলেসের মাধ্যমে চট্রগ্রামের আ.লীগ নেতা জনাব হান্নান সাহেবকে নির্দেশ দিলেন আমি স্বাধীনতা ঘোষনা করছি যার যা কিছু আছে তা নিয়ে শক্রদের মোকাবেলা করো, ইনশাআল্লাহ আমরা জয়ী হবো, ঐ দিন রাত্রি বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। আমি সৈয়দ অাতাউর রহমান রাজনৈতিক সহকর্মীকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে বালাট সিমান্তে পৌছি এবং ১৫ মে ভারত সরকার মেঘালয়ের ইকো -১ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠান এবং প্রশিক্ষণ গ্রহন করি। ২১ জুন পাস আউটের মাধ্যমে রনাঙ্গনের উদ্দেশ্যে ৫নং সেক্টর যোগদান করি, সেক্টর কমান্ডার মেজর শওকত আলী নেতৃত্বে বিভিন্ন রনাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করি। পরবর্তীতে পাথরঘাট (ছেলা) সাব সেক্টরে কোয়াটার মাষ্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করি অামি সৈয়দ অাতাউর রহমান। ১৬ ডিসেম্বর বাঙ্গালী জাতীর মহান বিজয় দিবস। ৩১ শে ডিসেম্বর আমি সৈয়দ আতাউর রহমান বাংলাদেশে প্রবেশ করি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

 

বীর মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আতাউর রহমান সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত ৮ অাউলিয়ার পূর্ণভূমি ওলিকুল শিরমনি হয়রত শাহ সৈয়দ শামসুদ্দিন রহ. এর বংশধর মরহুম শাহ সৈয়দ অাফছার অালীর ২য় ছেলে ৫ই ডিসেম্বর ১৯৪৫ সালে সৈয়দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ আতাউর রহমান পারিবারিকভাবে স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে ব্যারিস্টার সৈয়দ অাহমদ অারাফ রহমানকে নিয়ে ২৮৫/২ ধানমন্ডি, রোড নং ৮/এ ঢাকায় বসবাস করছেন।

 

অাওয়ামী লীগ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আতাউর রহমান জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু মুজিববর্ষ সফল হোক, সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.লীগ নেতা অাপনাকেও অান্তরিক ধন্যবাদ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

একান্ত সাক্ষাৎকারে ৭ই মার্চ থেকে ২৬শে মার্চের স্মৃতিচারণ করলেন মুক্তিযোদ্ধা আ.লীগ নেতা সৈয়দ আতাউর রহমান

Update Time : ০৯:২১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০

ইয়াকুব মিয়া :: বীর মুক্তিযোদ্ধা বৃহত্তর সিলেট ষাট দশকের ছাত্রনেতা সাবেক যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আতাউর রহমান গণমাধ্যমের সাথে একান্ত অালাপচারিতায় নিম্নে প্রশ্নের উত্তর পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

 

প্রশ্ন: ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ-এ আপনার কি ভূমিকা ছিল।

উত্তর: ১৯৭১ সালের মার্চ মাসটি ছিল উত্তাল, ৩ মার্চ জাতীয় সংসদ অধিবেশন ডাকার কথা এর দুই দিন আগে ১তারিখ হহঠাত করে অধিবেশন স্থগিত করে দিলেন এহিয়া খান। কারো বুঝতে বাকি রইলোনা পাকিস্থানের উদ্দেশ্য, তারা ক্ষমতা দিতে চাইছেনা, ছাত্র যুব সমাজ বিক্ষভে ফেটে পড়ল ঐদিন ঘোষনা এলো হরতালের। ২ মার্চ স্বাধীন বাংলা পতাকা কেন্দ্রে উত্তোলন হলো। ১ তারিখ থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন হরতাল চলত। ৪ তারিখ থেকে দেশ অচল হয়ে পড়ে। সারা দেশে স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। ১৯৭০ ইংরেজীর নির্বাচনে জনগনের মেনডেট পাওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালী জাতীর অভিসংবাদিত নেতায় পরিনত হন। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে দেওয়া হলে জনতা বঙ্গবন্ধুকে খোজেছে। তারা পূবালী হোটেলে গিয়েছে। সেখানে বঙ্গবন্ধু মিটিং করে ছিলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ- এর কথা বলতে হলে আমাকে একটু পিছনে যেতে হয়। ১৯৭০ ইং ঐতিহাসিক নির্বাচনে আমাদের জাতীয় পরিষদের সদস্য জনাব আব্দুল হক সাহেব এবং পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের সদস্য জনাব আব্দুর রইছ এডভোকেট প্রথম জাতীয় অধিবেশনে পশ্চিম পাকিস্তানে ডাকা হয়, উক্ত অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য, জনাব আব্দুল হক সাহেব প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার সফর সঙ্গী হিসাবে আমারও প্রস্তুতি ছিল। সেই সুবিদার্থে ঢাকাতে ছিলাম, ৭ ই মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জনসভায় আমি অনেক সহকর্মী নিয়ে উপস্থিত ছিলাম।

 

প্রশ্ন: ২. ১৭ ই মার্চ আপনি কি ভাবে মুল্যয়ন করেন?

উত্তর: ১৭ ই মার্চ জাতীর জনকের জন্ম দিবস আমার বিশ্বাস বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হত না, যার জন্য মুজিববর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিবসকে স্মরন রাখার জন্য ১৭ মার্চ ১৯৯৫ ইংরেজীতে জনগনের সহযোগিতায় আমার উদ্যােগে সৈয়দপুর আদর্শ কলেজ স্থাপিত হয়। উক্ত কলেজে ১০১ শতাংশ ভূমি প্রদান করি, ভূমি দাতা প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি।

 

প্রশ্ন: ৩. ১৭ মার্চ সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের ২৫ বৎসর পূর্ণ হবে, ২৫ বৎসর রজত জয়ন্তী পালন করবেন কি?

উত্তর: ১৬ ই ডিসেম্বর বাঙ্গালীর জাতীর বিজয় দিবস, ইনশাআল্লাহ বিজয়ের মাসে রজত জয়ন্তী পালন করার প্রস্তুতি চলছে।

 

প্রশ্ন:৪. ২৬ মার্চের বিষয় কিছু বলেন?

উত্তর: ১৫ মার্চ এহিয়া খান ঢাকায় এলেন ১৮ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশ মিছিলে উত্তাল, ২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস প্রথা অনুযায়ী এই দিন পাকিস্তানে পতাকা উত্তোলনের কথা সেই দিন পল্টন ময়দানে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীন বাংলা দেশের পতাকা উত্তোলন হলো। ২ মার্চ রাত্রে নিরস্র বাঙ্গালীর উপর পাকিস্তানি সৈনিকরা ঝাপিয়ে পড়ল এবং নিসংশ ভাবে হত্যা ধর্ষন অগ্নি সংযোগ শুরু করলো, ঐ রাত্রি বঙ্গবন্ধু ওয়ারলেসের মাধ্যমে চট্রগ্রামের আ.লীগ নেতা জনাব হান্নান সাহেবকে নির্দেশ দিলেন আমি স্বাধীনতা ঘোষনা করছি যার যা কিছু আছে তা নিয়ে শক্রদের মোকাবেলা করো, ইনশাআল্লাহ আমরা জয়ী হবো, ঐ দিন রাত্রি বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। আমি সৈয়দ অাতাউর রহমান রাজনৈতিক সহকর্মীকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে বালাট সিমান্তে পৌছি এবং ১৫ মে ভারত সরকার মেঘালয়ের ইকো -১ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠান এবং প্রশিক্ষণ গ্রহন করি। ২১ জুন পাস আউটের মাধ্যমে রনাঙ্গনের উদ্দেশ্যে ৫নং সেক্টর যোগদান করি, সেক্টর কমান্ডার মেজর শওকত আলী নেতৃত্বে বিভিন্ন রনাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করি। পরবর্তীতে পাথরঘাট (ছেলা) সাব সেক্টরে কোয়াটার মাষ্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করি অামি সৈয়দ অাতাউর রহমান। ১৬ ডিসেম্বর বাঙ্গালী জাতীর মহান বিজয় দিবস। ৩১ শে ডিসেম্বর আমি সৈয়দ আতাউর রহমান বাংলাদেশে প্রবেশ করি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

 

বীর মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আতাউর রহমান সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত ৮ অাউলিয়ার পূর্ণভূমি ওলিকুল শিরমনি হয়রত শাহ সৈয়দ শামসুদ্দিন রহ. এর বংশধর মরহুম শাহ সৈয়দ অাফছার অালীর ২য় ছেলে ৫ই ডিসেম্বর ১৯৪৫ সালে সৈয়দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ আতাউর রহমান পারিবারিকভাবে স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে ব্যারিস্টার সৈয়দ অাহমদ অারাফ রহমানকে নিয়ে ২৮৫/২ ধানমন্ডি, রোড নং ৮/এ ঢাকায় বসবাস করছেন।

 

অাওয়ামী লীগ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আতাউর রহমান জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু মুজিববর্ষ সফল হোক, সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.লীগ নেতা অাপনাকেও অান্তরিক ধন্যবাদ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ