০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে উদ্ধার তিনটি মোটর সাইকেল : ছাত্রদলনেতার নামে গাড়ি ছিনতাইয়ের মামলা

  • Update Time : ০৫:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা ছাত্রদলনেতা ইজাজুল হক রনি গাড়ি ছিনতাইয়ের মামলায় অাত্মগোপনে রয়েছে। পুলিশ তাকে ধরার জন্য হণ্যে হয়ে খুঁজছে সে পলাতক থাকায় তাকে পাচ্ছে না বলে পুলিশ জানায়। ইজাজুল হক রনি সিলেট-সুনামগঞ্জ আন্তঃজেলা গাড়ি ছিনতাইয়ের সক্রিয় সিন্ডিকেটের সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ছাতক শহরে সুরমা নদীতে তার নিদেশেই মুক্তিরগাও, তাতিকোনা বৌলা, কালারুকা, পারকুল ও চেঙ্গেরখালসহ ১০ স্থানে নৌ-পথে ব্যাপক চাদাবাজির অভিযোগ উঠে আসছে। এসব স্থানে তারই ইশারা ও নিদেশেই নৌ পথে নৌকা আটকিয়ে জোরপুবক চাঁদা টাকা আদায় ঘটছে প্রতিনিয়তভাবে। তার নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জনের একটি সিন্ডিকেট বাহিনী গড়ে উঠেছে পৌর শহরে। তার প্রধান সহযোগি পলাশ দাস পুলিশের হাতে ধরা পড়ায় পর্দার আড়ালে অনেক অজানা রহস্য বের হয়ে আসছে জনসম্মুখে।

 

 

এ ঘটনার রহস্য ভিন্নখাতে নিতে একটি প্রভাবশালী চক্র কমোড় বেঁধে মাঠে নেমেছেন। তার বিরুদ্ধে মাদক, সুরমা নদীতে চাদাবাজি ও গাড়ি
ছিনতাই সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ বলছে, রনিকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, রনির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকেই ছাত্রদল নামধারি ইজাজুল হক রনি পলাতক রয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশের এস আই শামীম আকনজি বাদী হয়ে গত ১১ নভেম্বর মামলা নং (১২) ইজাজুল হক রনি আসামী করে গাড়ি ছিনতাইয়ের নিয়মিত মামলা থানায় দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ মোটর সাইকেলসহ পলাশ দাস নামে একজন যুবককে আটক করেছে।সে উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নে পীরপুর গ্রামে
নিপেন্দ্র দাসের পুত্র। আটকৃত পলাশ দাসের দেয়ায় জানা অজানা চাঞল্যকর স্বীকারোক্তিমুলক বক্তব্য ইজাজুল হক রনি ও তার ছোট ভাই জনি মোটর সাইকেল ছিনতাই ও সুরমা নদীতে তাদের নিদের্শেই একাধিক স্থানে চাদাবাজির রহস্য বের হয়ে এসেছে।

 

 

এঘটনার পর ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের নেতা ইজাজুল হক রনি পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সে উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের মুক্তিরগাও গ্রামে শরিফ হোসেন সুরুজ আলীর পুত্র রনি ও জনি। সহোদয় দু’জন মিলে- মিশে
ছাতক, বিশ্বনাথ, কোম্পানীগঞ্জ, বালাগঞ্জ, দোয়াবাবাজার ও সিলেটের বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ছিনতাইয়ে ঘটনা ঘটিয়ে ধরা ছোয়ার বাইরে থাকে রনি ও জনি। লাখ টাকার গাড়ি নামে মুল্য গাড়ি বিক্রি করেন তারা। তারা গাড়ি ব্যবসার আড়ালে ছিনতাই করে আসছে। এ মামলার তদন্তকারি এস আই হাবিবুর রহমান পিপিএম জানান, এ চক্রের কাছ থেকে তিনটি ছিনতাইকৃত মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকী
আসামীদের গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে উদ্ধার তিনটি মোটর সাইকেল : ছাত্রদলনেতার নামে গাড়ি ছিনতাইয়ের মামলা

Update Time : ০৫:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা ছাত্রদলনেতা ইজাজুল হক রনি গাড়ি ছিনতাইয়ের মামলায় অাত্মগোপনে রয়েছে। পুলিশ তাকে ধরার জন্য হণ্যে হয়ে খুঁজছে সে পলাতক থাকায় তাকে পাচ্ছে না বলে পুলিশ জানায়। ইজাজুল হক রনি সিলেট-সুনামগঞ্জ আন্তঃজেলা গাড়ি ছিনতাইয়ের সক্রিয় সিন্ডিকেটের সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ছাতক শহরে সুরমা নদীতে তার নিদেশেই মুক্তিরগাও, তাতিকোনা বৌলা, কালারুকা, পারকুল ও চেঙ্গেরখালসহ ১০ স্থানে নৌ-পথে ব্যাপক চাদাবাজির অভিযোগ উঠে আসছে। এসব স্থানে তারই ইশারা ও নিদেশেই নৌ পথে নৌকা আটকিয়ে জোরপুবক চাঁদা টাকা আদায় ঘটছে প্রতিনিয়তভাবে। তার নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জনের একটি সিন্ডিকেট বাহিনী গড়ে উঠেছে পৌর শহরে। তার প্রধান সহযোগি পলাশ দাস পুলিশের হাতে ধরা পড়ায় পর্দার আড়ালে অনেক অজানা রহস্য বের হয়ে আসছে জনসম্মুখে।

 

 

এ ঘটনার রহস্য ভিন্নখাতে নিতে একটি প্রভাবশালী চক্র কমোড় বেঁধে মাঠে নেমেছেন। তার বিরুদ্ধে মাদক, সুরমা নদীতে চাদাবাজি ও গাড়ি
ছিনতাই সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ বলছে, রনিকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, রনির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকেই ছাত্রদল নামধারি ইজাজুল হক রনি পলাতক রয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশের এস আই শামীম আকনজি বাদী হয়ে গত ১১ নভেম্বর মামলা নং (১২) ইজাজুল হক রনি আসামী করে গাড়ি ছিনতাইয়ের নিয়মিত মামলা থানায় দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ মোটর সাইকেলসহ পলাশ দাস নামে একজন যুবককে আটক করেছে।সে উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নে পীরপুর গ্রামে
নিপেন্দ্র দাসের পুত্র। আটকৃত পলাশ দাসের দেয়ায় জানা অজানা চাঞল্যকর স্বীকারোক্তিমুলক বক্তব্য ইজাজুল হক রনি ও তার ছোট ভাই জনি মোটর সাইকেল ছিনতাই ও সুরমা নদীতে তাদের নিদের্শেই একাধিক স্থানে চাদাবাজির রহস্য বের হয়ে এসেছে।

 

 

এঘটনার পর ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের নেতা ইজাজুল হক রনি পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সে উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের মুক্তিরগাও গ্রামে শরিফ হোসেন সুরুজ আলীর পুত্র রনি ও জনি। সহোদয় দু’জন মিলে- মিশে
ছাতক, বিশ্বনাথ, কোম্পানীগঞ্জ, বালাগঞ্জ, দোয়াবাবাজার ও সিলেটের বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ছিনতাইয়ে ঘটনা ঘটিয়ে ধরা ছোয়ার বাইরে থাকে রনি ও জনি। লাখ টাকার গাড়ি নামে মুল্য গাড়ি বিক্রি করেন তারা। তারা গাড়ি ব্যবসার আড়ালে ছিনতাই করে আসছে। এ মামলার তদন্তকারি এস আই হাবিবুর রহমান পিপিএম জানান, এ চক্রের কাছ থেকে তিনটি ছিনতাইকৃত মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকী
আসামীদের গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ