০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৫০

  • Update Time : ০১:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে অতকিত হামলার ঘটনার প্রতিরোধ করতে গিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে মহিলাসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। গুরুতর আহত সিরাজ মিয়া (৫৫), ছাব্বির আহমদ (৫০), আনকার আলী (২২), আলী নূর (২৫), আতিক (২৫), সায়েক মিয়া (২৫), ইউপি
প্যানেল চেয়ারম্যান লিটন মিয়া (৪০), কুটি মিয়া, রিয়াজ মিয়া, আমেলা বেগম, মায়ারুননেছা, মাহমদ আলী, জাবেদ আহমদ, খালেদ আহমদ, তাহমিদ, মারিয়া বেগম, আয়না মিয়া, গৌছ, আনছার, বুধু মিয়া, শিপন, ফারুক মিয়া, ইমনসহ ২৬ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের ছাতক,
কৈতকসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। শনিবার উপজেলার কালারুকা  ইউনিয়নের গন্ধভ গ্রামের লিটন ও ফারুক মিয়ার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুইপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে। দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে এ নিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের সময় দেশিও অস্ত্রের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে।

 

 

স্থানীয় একাধিক লোক জানান, সংঘর্ষের সময় প্রায় ১০-১২টি গুলির শব্দ শোনা গেছে। ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান লিটন মিয়া সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, তারা দেশী অস্ত্রনিয়ে খেলোয়ারদের উপর অতকিত হামলা ও বাড়িঘর
ভাংচুর লুটপাট চালিয়ে আতংক সৃষ্টি করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৫০

Update Time : ০১:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতকে অতকিত হামলার ঘটনার প্রতিরোধ করতে গিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে মহিলাসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। গুরুতর আহত সিরাজ মিয়া (৫৫), ছাব্বির আহমদ (৫০), আনকার আলী (২২), আলী নূর (২৫), আতিক (২৫), সায়েক মিয়া (২৫), ইউপি
প্যানেল চেয়ারম্যান লিটন মিয়া (৪০), কুটি মিয়া, রিয়াজ মিয়া, আমেলা বেগম, মায়ারুননেছা, মাহমদ আলী, জাবেদ আহমদ, খালেদ আহমদ, তাহমিদ, মারিয়া বেগম, আয়না মিয়া, গৌছ, আনছার, বুধু মিয়া, শিপন, ফারুক মিয়া, ইমনসহ ২৬ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের ছাতক,
কৈতকসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। শনিবার উপজেলার কালারুকা  ইউনিয়নের গন্ধভ গ্রামের লিটন ও ফারুক মিয়ার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুইপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে। দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে এ নিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের সময় দেশিও অস্ত্রের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে।

 

 

স্থানীয় একাধিক লোক জানান, সংঘর্ষের সময় প্রায় ১০-১২টি গুলির শব্দ শোনা গেছে। ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান লিটন মিয়া সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, তারা দেশী অস্ত্রনিয়ে খেলোয়ারদের উপর অতকিত হামলা ও বাড়িঘর
ভাংচুর লুটপাট চালিয়ে আতংক সৃষ্টি করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ