০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা অাওয়ামীলীগের সভাপতি পদে লড়তে চান আলহাজ তহুর আলী

  • Update Time : ০২:৫৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: আলহাজ তহুর আলী বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চেতনায় উজ্জীবিত অা’লীগের প্রবীণ একজন নেতা। ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের পক্ষথেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “৬ দফা দাবি” পেশ করেছিলেন। সেই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতি স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন ঝাঁপিয়ে পড়ে ঐ দাবীর পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ-আন্দোলন শুরু হয়েছিল।আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে সহ সকল অান্দোলনে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করেন তহুর আলী সেই সময়ের বঙ্গবন্ধুর তরুণ কর্মি তহুর আলী।

 

 

 

১৯৬৮ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে প্রবল গণ-আন্দোলন ও ৬৯ এর উত্তাল গণঅভ্যুত্থানে একজন সক্রিয় প্রতিবাদী সৈনিক।
তখনকার সময়ে আইয়ুব খানের সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে ববঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল কারাবন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়েছিল। এর পরই শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।

 

 

আলহাজ তহুর আলী ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর একজন প্রকৃত সৈনিক হিসেবে সক্রিয় হন।
তৎকালীন সময়ে সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এমতাবস্থায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তির সংগ্রামে সাত কোটি বাঙালিকে ঐক্যের সুতায় গেঁথেছিলেন। সেই স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ তহুর আলী।

 

 

 

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উজানীগাওঁ গ্রামে রাজাকার ক্যাম্প উৎখাত সহ মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা পালন করেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার কয়েক বছর পর
চলে অাসে করুণ ইতিহাস ১৯৭৫ এর ১৫ অাগস্ট বঙ্গবন্ধু নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর দলের কাযক্রমে অনকটা ভাটা পড়ে যায়।

 

পর্যায়ক্রমে আলহাজ তহুর আলী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা গতিশীল হয়।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রি মরহুম আব্দুস সামাদ অাজাদের সাথে কাজ করে দলকে সংগঠিত করেন।

 

 

তার নেশা এবং স্বপ্ন শুধুই অাওয়ামীলীগ নিয়েই।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা গঠনের পর থেকে আওয়ামীলীগের সহসভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন তিনি। কমিটি গঠনের কিছুদিন পর থেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দলকে সংগঠিত করে রেখেছেন।
শান্তিগঞ্জে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মির্জা আজমের উপস্থিতে সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। ২০১১ সালে জয়কস ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অানারস প্রতিকে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন। ২০০৫ সালে এম এ মান্নান সাহেবের পানপাতা প্রতিকে নির্বাচন থেকে নিয়ে এযাবৎ নেতার জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

 

 

মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপির গ্রাম ডুংরিয়ার সন্তান ও তার নিজ উপজেলায় অাওয়ামীলীগের মতো প্রভাবশালী দলের সভাপতি হয়েও অর্থ-সম্পদের নেশা বা লোভ তহুর আলীর মাঝে আসেনি। দলের প্রতি কতুটুকুন নিরলস ভালবাসা থাকলে বর্তমান অর্থনৈতিক উন্নতির মওসুমে নিজেকে সংযত রাখতে পারেন একজন নেতা। অবশ্যই তা ভাবার বিষয় বলে অনেকই মনে করেন। বাবার সম্পদের উওরাধিকারী হিসেবে যে বাড়ি পেয়েছেন সেই বাড়িতই তার বসবাস।

 

রাজনীতিতে ছোটবড় সকল প্রকার নেতারই গ্রুপ থাকে কিন্তু তহুর আলীর কোনো গ্রুপ নাই।
শতভাগ অাওয়ামী চেতনা লালন করেন তিনি।
তার সামনে অাওয়ামীলীগের বিরোধিতা কেউ করলে সাথে সাথে প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। দলের জন্য আত্মত্যাগ করী নিবেদিতপ্রাণ এমন নেতাদের শ্রদ্ধা জানানো আওয়ামী লীগের নৈতিক দায়িত্ব।

 

 

অাসছে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন!

তৃণমূল থেকে বেড়েউঠা নেতৃত্ব ও দলের দূর্দিনের কাণ্ডারী, শতশত ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করে রাজনীতির পিচ্ছল পথে সহসিকাতার সাথে বঙ্গবন্ধু অাদর্শকে লালন কারী, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীগের বর্তমান ভারপ্রপ্ত সভাপতি সকলের পরিচিত মুখ, আলহাজ্ব তহুর আলীকে সভাপতি পদে সম্মানিত করা হবে বলে আশাবাদী তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা অাওয়ামীলীগের সভাপতি পদে লড়তে চান আলহাজ তহুর আলী

Update Time : ০২:৫৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :: আলহাজ তহুর আলী বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চেতনায় উজ্জীবিত অা’লীগের প্রবীণ একজন নেতা। ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের পক্ষথেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “৬ দফা দাবি” পেশ করেছিলেন। সেই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতি স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন ঝাঁপিয়ে পড়ে ঐ দাবীর পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ-আন্দোলন শুরু হয়েছিল।আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে সহ সকল অান্দোলনে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করেন তহুর আলী সেই সময়ের বঙ্গবন্ধুর তরুণ কর্মি তহুর আলী।

 

 

 

১৯৬৮ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে প্রবল গণ-আন্দোলন ও ৬৯ এর উত্তাল গণঅভ্যুত্থানে একজন সক্রিয় প্রতিবাদী সৈনিক।
তখনকার সময়ে আইয়ুব খানের সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে ববঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল কারাবন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়েছিল। এর পরই শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।

 

 

আলহাজ তহুর আলী ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর একজন প্রকৃত সৈনিক হিসেবে সক্রিয় হন।
তৎকালীন সময়ে সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এমতাবস্থায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তির সংগ্রামে সাত কোটি বাঙালিকে ঐক্যের সুতায় গেঁথেছিলেন। সেই স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ তহুর আলী।

 

 

 

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উজানীগাওঁ গ্রামে রাজাকার ক্যাম্প উৎখাত সহ মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা পালন করেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার কয়েক বছর পর
চলে অাসে করুণ ইতিহাস ১৯৭৫ এর ১৫ অাগস্ট বঙ্গবন্ধু নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর দলের কাযক্রমে অনকটা ভাটা পড়ে যায়।

 

পর্যায়ক্রমে আলহাজ তহুর আলী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা গতিশীল হয়।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রি মরহুম আব্দুস সামাদ অাজাদের সাথে কাজ করে দলকে সংগঠিত করেন।

 

 

তার নেশা এবং স্বপ্ন শুধুই অাওয়ামীলীগ নিয়েই।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা গঠনের পর থেকে আওয়ামীলীগের সহসভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন তিনি। কমিটি গঠনের কিছুদিন পর থেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দলকে সংগঠিত করে রেখেছেন।
শান্তিগঞ্জে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মির্জা আজমের উপস্থিতে সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। ২০১১ সালে জয়কস ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অানারস প্রতিকে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন। ২০০৫ সালে এম এ মান্নান সাহেবের পানপাতা প্রতিকে নির্বাচন থেকে নিয়ে এযাবৎ নেতার জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

 

 

মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপির গ্রাম ডুংরিয়ার সন্তান ও তার নিজ উপজেলায় অাওয়ামীলীগের মতো প্রভাবশালী দলের সভাপতি হয়েও অর্থ-সম্পদের নেশা বা লোভ তহুর আলীর মাঝে আসেনি। দলের প্রতি কতুটুকুন নিরলস ভালবাসা থাকলে বর্তমান অর্থনৈতিক উন্নতির মওসুমে নিজেকে সংযত রাখতে পারেন একজন নেতা। অবশ্যই তা ভাবার বিষয় বলে অনেকই মনে করেন। বাবার সম্পদের উওরাধিকারী হিসেবে যে বাড়ি পেয়েছেন সেই বাড়িতই তার বসবাস।

 

রাজনীতিতে ছোটবড় সকল প্রকার নেতারই গ্রুপ থাকে কিন্তু তহুর আলীর কোনো গ্রুপ নাই।
শতভাগ অাওয়ামী চেতনা লালন করেন তিনি।
তার সামনে অাওয়ামীলীগের বিরোধিতা কেউ করলে সাথে সাথে প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। দলের জন্য আত্মত্যাগ করী নিবেদিতপ্রাণ এমন নেতাদের শ্রদ্ধা জানানো আওয়ামী লীগের নৈতিক দায়িত্ব।

 

 

অাসছে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন!

তৃণমূল থেকে বেড়েউঠা নেতৃত্ব ও দলের দূর্দিনের কাণ্ডারী, শতশত ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করে রাজনীতির পিচ্ছল পথে সহসিকাতার সাথে বঙ্গবন্ধু অাদর্শকে লালন কারী, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীগের বর্তমান ভারপ্রপ্ত সভাপতি সকলের পরিচিত মুখ, আলহাজ্ব তহুর আলীকে সভাপতি পদে সম্মানিত করা হবে বলে আশাবাদী তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ