০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজার হাসপাতাল সড়কের বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে রোগি পথচারিও যানবাহন

  • Update Time : ০২:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

হারুন অর রশিদ, দোয়ারাবাজার :: হাসপাতাল সড়ক ভেঙে খানা খন্দ ও গর্তে পরিনত হয়ে পড়েছে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর হাসপাতাল সড়কটি। দোয়ারাবাজার ছাতক সড়কের একাংশ সুরমা নদীতে বিলীন হওয়ায় দোয়ারাবাজার হাসপাতাল সড়ক দিয়ে ছাতক দোয়ারা ও সিলেট গামী যানবাহন চলাচল করায় যোগাযোগব্যবস্থার চরম অবনতি হয়ে পড়েছে। দোয়ারাবাজার উপজেলা সদর হাসপাতালের সড়ক ভেঙে খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন শত শত রোগি ভোগান্তি পোহাচ্ছে। রোগিরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে আরও রোগ বাড়াতে হয়।

গর্ভবতি মহিলারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে গাড়ির ঝাকুনিতে পেটের বাচ্ছা নষ্ট হয়ে পরে। শুধু হাসপাতাল সড়কই নয় আশ পাশের রাস্তা গুলোও একই অবস্থা, উপজেলা পরিষদের সম্মোখ থেকে দোয়ারাবাজার হাসপাতাল সড়ক, হাসপাতাল থেকে দোয়ারাবাজার পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা দেখলে মনে হয় এই এলাকায় কোন জন প্রতিনিধি ও সংসদ সদস্য নেই। প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছে।

কাদাপানি, গর্তে একাকার যানবাহনের পাশাপাশি হেঁটে চলা এসব সড়ক ব্যবহারকারীর দুর্ভোগ ভোগান্তির যেন শেষ নেই। দীর্ঘদিন থেকে এসব সড়কে মেরামত সংস্কার না থাকায় যানবাহন চলাচলে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। সড়ক নয়, এ যেন মরণফাঁদ।

বলা চলে উপজেলা সদরের সঙ্গে জনসাধারণের সড়ক যোগাযোগের প্রধান প্রধান এসব সড়কসমূহ ভুজনা দোয়ারাবাজার সড়ক, মহব্বতপুর দোয়ারাবাজার সড়ক, লক্ষিপুর দোয়ারাবাজার সড়ক, বোগলাবাজার সড়ক, বালিউরা বাংলাবাজার সড়ক,  নরসিংপুর সড়ক, বোগলা বর্ডার হাট সড়ক। মহব্বতপুর বোগলা সড়ক,
এসব সড়ক ব্যবহারকারীদের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সংস্কারসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি উঠেছে সচেতন মহল থেকে।

উপজেলা প্রকৌশলী হরজিত সরকার জানান,দোয়ারাবাজার হাসপাতাল সড়কের কাজ এডিপিতে আছে বরাদ্ধ হলে কাজ শুরু হবে। দোয়ারা বাংলাবাজার সড়কের কাজ চলছে। কয়েকটা রাস্তার প্রস্তাবনা পাটিয়েছি বাস্তবায়ন হওয়ার পথে। বর্ডার হাটের কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।

দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ড, আব্দুর রহিম জানান, উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান আমি ছিলাম সে সময় সব কাজ আমার হাতে হত। বর্তমানে উপজেলা পরিষদের হাতে সরকারি বরাদ্ধ নেই। আমি আপ্রাণ চেষ্টায় আছি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করার। বরাদ্ধ পেলে হাসপাতাল সড়ক সহ ভাঙা রাস্তা গুলোর কাজ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দোয়ারাবাজার হাসপাতাল সড়কের বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে রোগি পথচারিও যানবাহন

Update Time : ০২:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৯

হারুন অর রশিদ, দোয়ারাবাজার :: হাসপাতাল সড়ক ভেঙে খানা খন্দ ও গর্তে পরিনত হয়ে পড়েছে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর হাসপাতাল সড়কটি। দোয়ারাবাজার ছাতক সড়কের একাংশ সুরমা নদীতে বিলীন হওয়ায় দোয়ারাবাজার হাসপাতাল সড়ক দিয়ে ছাতক দোয়ারা ও সিলেট গামী যানবাহন চলাচল করায় যোগাযোগব্যবস্থার চরম অবনতি হয়ে পড়েছে। দোয়ারাবাজার উপজেলা সদর হাসপাতালের সড়ক ভেঙে খানাখন্দের কারণে প্রতিদিন শত শত রোগি ভোগান্তি পোহাচ্ছে। রোগিরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে আরও রোগ বাড়াতে হয়।

গর্ভবতি মহিলারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে গাড়ির ঝাকুনিতে পেটের বাচ্ছা নষ্ট হয়ে পরে। শুধু হাসপাতাল সড়কই নয় আশ পাশের রাস্তা গুলোও একই অবস্থা, উপজেলা পরিষদের সম্মোখ থেকে দোয়ারাবাজার হাসপাতাল সড়ক, হাসপাতাল থেকে দোয়ারাবাজার পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা দেখলে মনে হয় এই এলাকায় কোন জন প্রতিনিধি ও সংসদ সদস্য নেই। প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছে।

কাদাপানি, গর্তে একাকার যানবাহনের পাশাপাশি হেঁটে চলা এসব সড়ক ব্যবহারকারীর দুর্ভোগ ভোগান্তির যেন শেষ নেই। দীর্ঘদিন থেকে এসব সড়কে মেরামত সংস্কার না থাকায় যানবাহন চলাচলে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। সড়ক নয়, এ যেন মরণফাঁদ।

বলা চলে উপজেলা সদরের সঙ্গে জনসাধারণের সড়ক যোগাযোগের প্রধান প্রধান এসব সড়কসমূহ ভুজনা দোয়ারাবাজার সড়ক, মহব্বতপুর দোয়ারাবাজার সড়ক, লক্ষিপুর দোয়ারাবাজার সড়ক, বোগলাবাজার সড়ক, বালিউরা বাংলাবাজার সড়ক,  নরসিংপুর সড়ক, বোগলা বর্ডার হাট সড়ক। মহব্বতপুর বোগলা সড়ক,
এসব সড়ক ব্যবহারকারীদের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সংস্কারসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি উঠেছে সচেতন মহল থেকে।

উপজেলা প্রকৌশলী হরজিত সরকার জানান,দোয়ারাবাজার হাসপাতাল সড়কের কাজ এডিপিতে আছে বরাদ্ধ হলে কাজ শুরু হবে। দোয়ারা বাংলাবাজার সড়কের কাজ চলছে। কয়েকটা রাস্তার প্রস্তাবনা পাটিয়েছি বাস্তবায়ন হওয়ার পথে। বর্ডার হাটের কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।

দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ড, আব্দুর রহিম জানান, উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান আমি ছিলাম সে সময় সব কাজ আমার হাতে হত। বর্তমানে উপজেলা পরিষদের হাতে সরকারি বরাদ্ধ নেই। আমি আপ্রাণ চেষ্টায় আছি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করার। বরাদ্ধ পেলে হাসপাতাল সড়ক সহ ভাঙা রাস্তা গুলোর কাজ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ