১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে উত্তেজনা ॥ ট্রাক চালক আটক

  • Update Time : ০৯:০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো. শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে ট্রাক চালক ও মৎস্য আড়তদারদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় রাসেল মিয়া নামের এক ট্রাক চালককে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সে পৌর এলাকার হাবিবনগর গ্রামের কালা জব্বারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, হাবিবনগর গ্রাম এলাকায় প্রায় ২০/৩০টি মৎস্য আড়ত রয়েছে। এসব আড়ত থেকে মাছ বহনকারি ছোট গাড়িগুলো থেকে ট্রাক সমিতির নামে প্রতিদিন প্রতি গাড়ি থেকে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করার অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে ট্রাক চালক রাসেল মিয়া মৎস্য আড়তের কালা শাহ নামের এক কর্মচারীকে মারধর করেন। এরই জের ধরে ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার ট্রাক চালক রাসেল মিয়াকে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে মৎস্য আড়তের ব্যবসায়ীরা জানান, ট্রাক সমিতির নামে আমাদের আড়ত থেকে মাছ বহনকারী ছোট গাড়ি থেকে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হয়। যে কারণে ছোট গাড়ি গুলো মাছ বহন করতে চায় না। আমরা চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় আমাদের এক কর্মচারীকে মারধর করেছে ট্রাক চালক রাসেল। এরপরও আমাদের ব্যবসায়ীদের আবারো মারধর করার জন্য সে অস্ত্র নিয়ে আসছিল। যে কারণে তাকে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে ট্রাক সমিতির অন্যান্য চালকরা বলেন, আমরা ছোট গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করি না। আমরা আমাদের ট্রাক ও পিকআপ গাড়ি থেকে সাংগঠনিক নিয়মে ২০ টাকা করে চাঁদা আদায় করি এবং তাদের কার্ড চেকিং করি। এখানে মৎস্য ব্যবসায়ীরা অযথা আমাদের সাথে বিরোধে জড়িয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে উত্তেজনা ॥ ট্রাক চালক আটক

Update Time : ০৯:০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মো. শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে ট্রাক চালক ও মৎস্য আড়তদারদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় রাসেল মিয়া নামের এক ট্রাক চালককে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সে পৌর এলাকার হাবিবনগর গ্রামের কালা জব্বারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, হাবিবনগর গ্রাম এলাকায় প্রায় ২০/৩০টি মৎস্য আড়ত রয়েছে। এসব আড়ত থেকে মাছ বহনকারি ছোট গাড়িগুলো থেকে ট্রাক সমিতির নামে প্রতিদিন প্রতি গাড়ি থেকে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করার অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে ট্রাক চালক রাসেল মিয়া মৎস্য আড়তের কালা শাহ নামের এক কর্মচারীকে মারধর করেন। এরই জের ধরে ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার ট্রাক চালক রাসেল মিয়াকে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে মৎস্য আড়তের ব্যবসায়ীরা জানান, ট্রাক সমিতির নামে আমাদের আড়ত থেকে মাছ বহনকারী ছোট গাড়ি থেকে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হয়। যে কারণে ছোট গাড়ি গুলো মাছ বহন করতে চায় না। আমরা চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় আমাদের এক কর্মচারীকে মারধর করেছে ট্রাক চালক রাসেল। এরপরও আমাদের ব্যবসায়ীদের আবারো মারধর করার জন্য সে অস্ত্র নিয়ে আসছিল। যে কারণে তাকে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে ট্রাক সমিতির অন্যান্য চালকরা বলেন, আমরা ছোট গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করি না। আমরা আমাদের ট্রাক ও পিকআপ গাড়ি থেকে সাংগঠনিক নিয়মে ২০ টাকা করে চাঁদা আদায় করি এবং তাদের কার্ড চেকিং করি। এখানে মৎস্য ব্যবসায়ীরা অযথা আমাদের সাথে বিরোধে জড়িয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ