০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে ভোগান্তির শেষ নেই

  • Update Time : ০৬:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে ভোগান্তির শেষ নেই বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দালাল সিন্ডিকেটের কারনে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারন মানুষ। দালাল সিন্ডিকেটকে বকশিশ না দিলে পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্টও পৌঁছে না পাসপোর্ট অফিসে। প্রতিদিন হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন আবেদনকারীরা।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে বাড়ছে দালাল চক্রের তৎপরতা। পাসপোর্টের ফরম পূরণ, জমা দেওয়া, টাকা জমা দেওয়া থেকে শুরু করে তা হাতে পাওয়া পর্যন্ত সব জায়গাতেই রয়েছে দালালদের যাতায়াত। আর এই দালাল চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও যোগসাজশ থাকার অভিযোগ রয়েছে।

 

ভুক্তভোগীরা বলছেন, পাসপোর্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্যে দিন দিন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষ। পাসপোর্ট অফিসের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের খপ্পরে পড়ে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন আবেদনকারীরা। এই সিন্ডিকেটকে পাশ কাটিয়ে পাসপোর্ট পাওয়া অনেকটাই অসম্ভব। পাসপোর্ট পেতে কোনো না কোনোভাবে পড়তে হয় তাদের কবলে। পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে আসা অনেকেই কর্মচারীদের দুর্ব্যবহার ও অসহযোগিতার অভিযোগ করেন।

 

বিভিন্ন সূত্রমতে, পাসপোর্ট অফিসের একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে ওই দালাল চক্র বিভিন্নভাবে হয়রানির পাশাপাশি প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। জানা গেছে, পাসপোর্ট অফিসে দালালদের খপ্পরে পড়ে আবেদনকারীরা একদিকে যেমন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করছেন, তেমনি হয়রানির শিকারও হচ্ছেন। প্রয়োজনের সময় আবার হাতে পাসপোর্ট না পেয়ে বিপাকে পড়ছেন অনেকেই। পাসপোর্ট পেতে টাকা বেশি তো দিতেই হয়, আবার কোনো কোনো সময় টাকা নিয়েও পাসপোর্ট না দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে দালালরা।

 

এদিকে ভুক্তভোগী একজন যুবলীগ নেতা ক্ষোভ নিয়ে সুনামগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে নিজ ফেসবুক অাইডিতে পোষ্ট করেছেন, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ নেতা সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের অাহবায়ক সৈয়দপুর অাগুনকোনা গ্রামের মৃত সৈয়দ চন্দন মিয়ার ছেলে সৈয়দ অাকবর অালী। যুবলীগ নেতা সৈয়দ অাকবর অালী ২৫ অাগস্ট তাহার নিজ ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন, আমার আম্মার জন্য পাসপোর্ট সুনামগঞ্জ ভেরি আর্জেন্ট জমা দিয়েছিল আমার ছোট ভাই সৈয়দ মোস্তাক অাহমদ৷ কিন্ত আজ ৪৫ দিন এযাবত পাসপোর্ট আমরা পাইনি কারন দালাল চক্র থেকে নিয়ে৷ পাসপোর্ট অফিসার অর্জুন ঘোষের কাছে ৩ দিন গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এই অফিসারের কাছে অভিযোগ দিলে সে বলে আগামী সপ্তাহে আসবে। এভাবে আমি পরপর তিন সপ্তাহ উনার কাছে গিয়ে আজ পর্যন্ত পাসপোর্ট পেলাম না৷ আমার ধারনা এই চক্র টাকার বানিজ্যের জন্য সাধারন মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে কষ্ট দিচ্ছে। আমাদের সুনামগঞ্জ জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ করছি এই চক্রকে তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক৷

 

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে ভোগান্তির শেষ নেই

Update Time : ০৬:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে ভোগান্তির শেষ নেই বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দালাল সিন্ডিকেটের কারনে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারন মানুষ। দালাল সিন্ডিকেটকে বকশিশ না দিলে পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্টও পৌঁছে না পাসপোর্ট অফিসে। প্রতিদিন হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন আবেদনকারীরা।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জে পাসপোর্ট অফিসে বাড়ছে দালাল চক্রের তৎপরতা। পাসপোর্টের ফরম পূরণ, জমা দেওয়া, টাকা জমা দেওয়া থেকে শুরু করে তা হাতে পাওয়া পর্যন্ত সব জায়গাতেই রয়েছে দালালদের যাতায়াত। আর এই দালাল চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও যোগসাজশ থাকার অভিযোগ রয়েছে।

 

ভুক্তভোগীরা বলছেন, পাসপোর্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্যে দিন দিন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষ। পাসপোর্ট অফিসের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের খপ্পরে পড়ে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন আবেদনকারীরা। এই সিন্ডিকেটকে পাশ কাটিয়ে পাসপোর্ট পাওয়া অনেকটাই অসম্ভব। পাসপোর্ট পেতে কোনো না কোনোভাবে পড়তে হয় তাদের কবলে। পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে আসা অনেকেই কর্মচারীদের দুর্ব্যবহার ও অসহযোগিতার অভিযোগ করেন।

 

বিভিন্ন সূত্রমতে, পাসপোর্ট অফিসের একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে ওই দালাল চক্র বিভিন্নভাবে হয়রানির পাশাপাশি প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। জানা গেছে, পাসপোর্ট অফিসে দালালদের খপ্পরে পড়ে আবেদনকারীরা একদিকে যেমন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করছেন, তেমনি হয়রানির শিকারও হচ্ছেন। প্রয়োজনের সময় আবার হাতে পাসপোর্ট না পেয়ে বিপাকে পড়ছেন অনেকেই। পাসপোর্ট পেতে টাকা বেশি তো দিতেই হয়, আবার কোনো কোনো সময় টাকা নিয়েও পাসপোর্ট না দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে দালালরা।

 

এদিকে ভুক্তভোগী একজন যুবলীগ নেতা ক্ষোভ নিয়ে সুনামগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে নিজ ফেসবুক অাইডিতে পোষ্ট করেছেন, জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগ নেতা সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের অাহবায়ক সৈয়দপুর অাগুনকোনা গ্রামের মৃত সৈয়দ চন্দন মিয়ার ছেলে সৈয়দ অাকবর অালী। যুবলীগ নেতা সৈয়দ অাকবর অালী ২৫ অাগস্ট তাহার নিজ ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন, আমার আম্মার জন্য পাসপোর্ট সুনামগঞ্জ ভেরি আর্জেন্ট জমা দিয়েছিল আমার ছোট ভাই সৈয়দ মোস্তাক অাহমদ৷ কিন্ত আজ ৪৫ দিন এযাবত পাসপোর্ট আমরা পাইনি কারন দালাল চক্র থেকে নিয়ে৷ পাসপোর্ট অফিসার অর্জুন ঘোষের কাছে ৩ দিন গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এই অফিসারের কাছে অভিযোগ দিলে সে বলে আগামী সপ্তাহে আসবে। এভাবে আমি পরপর তিন সপ্তাহ উনার কাছে গিয়ে আজ পর্যন্ত পাসপোর্ট পেলাম না৷ আমার ধারনা এই চক্র টাকার বানিজ্যের জন্য সাধারন মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে কষ্ট দিচ্ছে। আমাদের সুনামগঞ্জ জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ করছি এই চক্রকে তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক৷

 

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ