০৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতক কৈতক হাসপাতালে ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ : অবশেষে শোকজ

  • Update Time : ০২:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে ৬মাসে ৫০দিন বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে অনুপস্থিদি, দেরিতে কর্মস্থলে যোগদান, অভিযোগ স্বত্তেও বারবার একই ভূলের কারনে শনিবার (৬ জুলাই) কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আবু সালেহীন খানকে শোকজ করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ শর্মা।

 

নোটিশে তার বিরুদ্ধে কেনো বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এবং আগামী মাসের বেতনভাতা বন্ধ রাখা হবে না তার জবাব আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

জানা যায়, ডা. আবু সালেহীন খান প্রায়ই বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকেন এবং দেরিতে কর্মস্থলে যোগদান করেন ফলে ডাক্তার সংকটে থাকা উপজেলার জনগুরুত্যপূর্ন কৈতক মেডিকেলে চিকিৎসা দিতে এবং তার ডিউটি কে পালন করবে তা নিয়ে দ্বিধান্বিত হয়। এমনকি ইমার্জেন্সি ডিউটিতেও তিনি এইরকম উদাসীনতা দেখান। বারবার এই একই অপরাধের অভিযোগ থাকায় তার বিরুদ্ধে আরও আগে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা থাকলেও রহস্যজনক কারনে তা করা হয়নি। তবে এই ধরনের অপরাধের এই রকম লগু শাস্তিকে এলাকার ভূক্তভোগীরা তার জন্য একরকম উপহার হিসাবেই দেখছেন।

 

এব্যাপারে ডা. আবু সালেহীন খান জানান, এটা অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় । আমি (৬ জুলাই) ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছি। ছুটি মঞ্জুরের কাগজপত্র কিছুই অগ্রসর হচ্ছে না। উনি (উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা) যদি ছুটি মঞ্জুর করবেন না, তাহলে কেন আগে উনি ছুটির আবেদন রাখলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতক কৈতক হাসপাতালে ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ : অবশেষে শোকজ

Update Time : ০২:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে ৬মাসে ৫০দিন বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে অনুপস্থিদি, দেরিতে কর্মস্থলে যোগদান, অভিযোগ স্বত্তেও বারবার একই ভূলের কারনে শনিবার (৬ জুলাই) কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আবু সালেহীন খানকে শোকজ করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ শর্মা।

 

নোটিশে তার বিরুদ্ধে কেনো বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এবং আগামী মাসের বেতনভাতা বন্ধ রাখা হবে না তার জবাব আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

জানা যায়, ডা. আবু সালেহীন খান প্রায়ই বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকেন এবং দেরিতে কর্মস্থলে যোগদান করেন ফলে ডাক্তার সংকটে থাকা উপজেলার জনগুরুত্যপূর্ন কৈতক মেডিকেলে চিকিৎসা দিতে এবং তার ডিউটি কে পালন করবে তা নিয়ে দ্বিধান্বিত হয়। এমনকি ইমার্জেন্সি ডিউটিতেও তিনি এইরকম উদাসীনতা দেখান। বারবার এই একই অপরাধের অভিযোগ থাকায় তার বিরুদ্ধে আরও আগে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা থাকলেও রহস্যজনক কারনে তা করা হয়নি। তবে এই ধরনের অপরাধের এই রকম লগু শাস্তিকে এলাকার ভূক্তভোগীরা তার জন্য একরকম উপহার হিসাবেই দেখছেন।

 

এব্যাপারে ডা. আবু সালেহীন খান জানান, এটা অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় । আমি (৬ জুলাই) ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছি। ছুটি মঞ্জুরের কাগজপত্র কিছুই অগ্রসর হচ্ছে না। উনি (উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা) যদি ছুটি মঞ্জুর করবেন না, তাহলে কেন আগে উনি ছুটির আবেদন রাখলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ