১২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাত্র জানে না বানান, বিয়ে ভাঙলো পাত্রী!

  • Update Time : ০৩:০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: বানান ভুল লিখে ‘বিপদে’ পড়লেন এক বিয়ের পাত্র। হবু বরের বানানের এ রকম টালমাটাল অবস্থা দেখে পাকা কথার দিনই বেঁকে বসলেন কনে। সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের মৈনপুরি জেলায়।

বিয়ের কথা পাকা করার জন্য মৈনপুরির কুরায়ালি এলাকার নুমায়িশ ময়দানে কনেপক্ষের বাড়ি গিয়েছিলেন পাত্রপক্ষের লোকজন। পাত্রের বাড়ি একই জেলার ফারাক্কাবাদে। হবু বর ও কনেকে সুযোগ করে দেওয়া হয় একে অপরের সঙ্গে কথা বলতে। কথা শুরু হতেই মেয়েটির হাতে একটি ডায়েরি ধরিয়ে দেন ছেলেটি। হিন্দিতে একের পর এক বানান লিখতে বলেন তাঁকে। মেয়েটিও বেশ চৌকস। সব কটি বানানই সঠিক লেখে তিনি। এরপরই শুরু হয় হবু বরের পরীক্ষা।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ছেলেটিকে হিন্দিতে ‘সাম্প্রদায়িক’ এবং ‘দৃষ্টিকোণ’ বানান লিখতে বলেন পাত্রী। খাতা দেখার সময় ধরা পড়ে একের পর এক ভুল। দুটি বানানই ভুল, সেই সঙ্গে নিজের ঠিকানার বানানটিও ভুল লিখেছেন পাত্র।

উচ্চমাধ্যমিক পাস পাত্রের বানান শিক্ষার এই হাল দেখে তখনই অমত করে বসেন পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া মেয়েটি। দুই পরিবারের হাজার অনুরোধেও মন গলেনি তাঁর। সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

পাত্র জানে না বানান, বিয়ে ভাঙলো পাত্রী!

Update Time : ০৩:০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: বানান ভুল লিখে ‘বিপদে’ পড়লেন এক বিয়ের পাত্র। হবু বরের বানানের এ রকম টালমাটাল অবস্থা দেখে পাকা কথার দিনই বেঁকে বসলেন কনে। সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের মৈনপুরি জেলায়।

বিয়ের কথা পাকা করার জন্য মৈনপুরির কুরায়ালি এলাকার নুমায়িশ ময়দানে কনেপক্ষের বাড়ি গিয়েছিলেন পাত্রপক্ষের লোকজন। পাত্রের বাড়ি একই জেলার ফারাক্কাবাদে। হবু বর ও কনেকে সুযোগ করে দেওয়া হয় একে অপরের সঙ্গে কথা বলতে। কথা শুরু হতেই মেয়েটির হাতে একটি ডায়েরি ধরিয়ে দেন ছেলেটি। হিন্দিতে একের পর এক বানান লিখতে বলেন তাঁকে। মেয়েটিও বেশ চৌকস। সব কটি বানানই সঠিক লেখে তিনি। এরপরই শুরু হয় হবু বরের পরীক্ষা।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ছেলেটিকে হিন্দিতে ‘সাম্প্রদায়িক’ এবং ‘দৃষ্টিকোণ’ বানান লিখতে বলেন পাত্রী। খাতা দেখার সময় ধরা পড়ে একের পর এক ভুল। দুটি বানানই ভুল, সেই সঙ্গে নিজের ঠিকানার বানানটিও ভুল লিখেছেন পাত্র।

উচ্চমাধ্যমিক পাস পাত্রের বানান শিক্ষার এই হাল দেখে তখনই অমত করে বসেন পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া মেয়েটি। দুই পরিবারের হাজার অনুরোধেও মন গলেনি তাঁর। সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ