০১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০

  • Update Time : ০৪:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। গুরুতর আহত আব্দুল মতলিব (৬৯), আব্দুল হক (৫০), নোমান আহমদ (২২), এমএ নূর (২৫), ফরহাদ (২৫) সহ ১০জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের ছাতক, কৈতকসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

রবিবার সকালে উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের কুর্শি গ্রামের শামীম আহমদ ও মনির উদ্দিন পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো ক’দিন ধরে। মসজিদের রাস্তা নিয়ে রবিবার দু’পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে এ নিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের সময় দেশিও অস্রের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক লোক জানান, সংঘর্ষের সময় প্রায় ১০-১২টি গুলির শব্দ শুনা গেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্তা মিয়া সংঘর্ষের ঘটনা স্বীকার করে জানান, গুলাগুলি হয়েছে শুনেছি।

ছাতক থানার ওসি তদন্ত আমিনুল ইসলাম জানান, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। জাহিদপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

গুলাগুলির বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে অবহিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০

Update Time : ০৪:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। গুরুতর আহত আব্দুল মতলিব (৬৯), আব্দুল হক (৫০), নোমান আহমদ (২২), এমএ নূর (২৫), ফরহাদ (২৫) সহ ১০জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের ছাতক, কৈতকসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

রবিবার সকালে উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের কুর্শি গ্রামের শামীম আহমদ ও মনির উদ্দিন পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো ক’দিন ধরে। মসজিদের রাস্তা নিয়ে রবিবার দু’পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে এ নিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের সময় দেশিও অস্রের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক লোক জানান, সংঘর্ষের সময় প্রায় ১০-১২টি গুলির শব্দ শুনা গেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্তা মিয়া সংঘর্ষের ঘটনা স্বীকার করে জানান, গুলাগুলি হয়েছে শুনেছি।

ছাতক থানার ওসি তদন্ত আমিনুল ইসলাম জানান, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। জাহিদপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

গুলাগুলির বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে অবহিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ