০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের মেয়াদ উত্তীর্ণ : নতুন কমিটি গঠনের দাবি

  • Update Time : ০২:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ বুধবার। এক বছরের মাথায় এসে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে তোড়জোড় শুরু করেছেন দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। এর আগে মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে তৎপর হতে দেখা যায়নি তাদের।
২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল রাতে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন করা হলেও তা প্রকাশ করা হয় পরদিন ২৫ এপ্রিল দুপুরে। জেলা সম্মেলনের পাঁচদিনের মাথায় ঢাকায় বসে এক বছরের জন্য কমিটির অনুমোদন দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তৎকালীন সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন। দীপঙ্কর কান্তি দে-কে সভাপতি ও আশিকুর রহমান রিপনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয় ওই কমিটিতে।
কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে লিখন আহমদ, জিসান এনায়েত রেজা, ওমর ফারুক সিদ্দিকী মামুন, আবুল হাসনাত মো. কাউসার, আবু সাঈদ আপন, ওয়াসীম মাহমুদ, গৌতম তালুকদার দীপ, কাউসার আহমদ, আশরাফুল ইসলাম, তৌফিক ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান লিমন, তৌহিদ ইনসাফ ওয়াসিম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে হারুন অর রশিদ হারুন, মাসকাওয়াত জামান ইন্তি, জগৎজ্যোতি রায় জয়, তৈয়বুর রহমান, মো. রাহাত আহমদ, তানভীর আলম পিয়াল, মাহবুবুল আলম সামি, মো. ফয়েজ উদ্দিন; সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জুনায়েদ আহমদ, ফয়সাল আহমদ, শাহিন মিয়া, আসেফ বখত রাদ, মাহমুদুল হাসান তারেক, সৃজন দেবনাথ, ইশতিয়াক আলম পিয়াল, কে এম তানভির রশিদ ইমন স্থান পান। তবে কমিটি গঠনের পরই জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। জ্যেষ্ঠদের রেখে কমিটিতে অনেক ‘নতুন নেতা’ বড় পদবি পেয়ে যান। অভিমানে গত এক বছর ধরে এসব জ্যেষ্ঠ নেতা জেলা কমিটির সঙ্গে কোন কর্মসূচিতেই উপস্থিত হচ্ছেন না। ব্যক্তিগত উদ্যোগেই নানা কর্মসূচিও পালন করছেন তারা।
গত এক বছরে জেলা কমিটির নেতারা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার কোনো উদ্যোগ নেননি। উল্টো বেশ কয়েকটি উপজেলা কমিটি অনুমোদন করেন জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ইউনিট কমিটি নিয়ে উপজেলায় কর্মসূচি – পাল্টা কর্মসূচিও পালিত হয়।
সংগঠন সূত্র জানিয়েছে, মেয়াদের শেষ মুহূর্তে এসে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। জেলার নেতারা পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা কেন্দ্রে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এদিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের বিষয়ে কিছুই জানেন না জেলা ছাত্রলীগের অনেক নেতা। তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি নয়, নতুন কমিটির জন্য কেন্দ্রের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আলম পিয়াল বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের এখন আর কমিটি পূর্ণাঙ্গের কোনো সুযোগ নেই। জেলা কমিটির আশায় সকল উপজেলা কমিটির প্রাণোচ্ছ্বলতা প্রায় স্থবির হয়ে গেছে। জেলা কমিটির উচিত এই মুহূর্তে পূর্ণাঙ্গ কমিটির ব্যাপারে না ভেবে সংগঠনের স্বার্থে শীঘ্রই উপজেলা কমিটিগুলো গঠন করা এবং সুন্দর একটি সম্মেলনের মাধ্যমে যথাসময়ে নতুন নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব তুলে দেয়া।
জেলা কমিটির সহ-সভাপতি জিসান এনায়েত রেজা বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটির ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। জেলা কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কেউই এ বিষয়ে আমাদের সাথে কথা বলেননি।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে বলেন, আমি সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা বলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য তালিকা তৈরি করবো। সেই তালিকাটি শীঘ্রই কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের মেয়াদ উত্তীর্ণ : নতুন কমিটি গঠনের দাবি

Update Time : ০২:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ বুধবার। এক বছরের মাথায় এসে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে তোড়জোড় শুরু করেছেন দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। এর আগে মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে তৎপর হতে দেখা যায়নি তাদের।
২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল রাতে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন করা হলেও তা প্রকাশ করা হয় পরদিন ২৫ এপ্রিল দুপুরে। জেলা সম্মেলনের পাঁচদিনের মাথায় ঢাকায় বসে এক বছরের জন্য কমিটির অনুমোদন দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তৎকালীন সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন। দীপঙ্কর কান্তি দে-কে সভাপতি ও আশিকুর রহমান রিপনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয় ওই কমিটিতে।
কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে লিখন আহমদ, জিসান এনায়েত রেজা, ওমর ফারুক সিদ্দিকী মামুন, আবুল হাসনাত মো. কাউসার, আবু সাঈদ আপন, ওয়াসীম মাহমুদ, গৌতম তালুকদার দীপ, কাউসার আহমদ, আশরাফুল ইসলাম, তৌফিক ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান লিমন, তৌহিদ ইনসাফ ওয়াসিম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে হারুন অর রশিদ হারুন, মাসকাওয়াত জামান ইন্তি, জগৎজ্যোতি রায় জয়, তৈয়বুর রহমান, মো. রাহাত আহমদ, তানভীর আলম পিয়াল, মাহবুবুল আলম সামি, মো. ফয়েজ উদ্দিন; সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জুনায়েদ আহমদ, ফয়সাল আহমদ, শাহিন মিয়া, আসেফ বখত রাদ, মাহমুদুল হাসান তারেক, সৃজন দেবনাথ, ইশতিয়াক আলম পিয়াল, কে এম তানভির রশিদ ইমন স্থান পান। তবে কমিটি গঠনের পরই জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। জ্যেষ্ঠদের রেখে কমিটিতে অনেক ‘নতুন নেতা’ বড় পদবি পেয়ে যান। অভিমানে গত এক বছর ধরে এসব জ্যেষ্ঠ নেতা জেলা কমিটির সঙ্গে কোন কর্মসূচিতেই উপস্থিত হচ্ছেন না। ব্যক্তিগত উদ্যোগেই নানা কর্মসূচিও পালন করছেন তারা।
গত এক বছরে জেলা কমিটির নেতারা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার কোনো উদ্যোগ নেননি। উল্টো বেশ কয়েকটি উপজেলা কমিটি অনুমোদন করেন জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ইউনিট কমিটি নিয়ে উপজেলায় কর্মসূচি – পাল্টা কর্মসূচিও পালিত হয়।
সংগঠন সূত্র জানিয়েছে, মেয়াদের শেষ মুহূর্তে এসে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। জেলার নেতারা পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা কেন্দ্রে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এদিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের বিষয়ে কিছুই জানেন না জেলা ছাত্রলীগের অনেক নেতা। তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি নয়, নতুন কমিটির জন্য কেন্দ্রের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আলম পিয়াল বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের এখন আর কমিটি পূর্ণাঙ্গের কোনো সুযোগ নেই। জেলা কমিটির আশায় সকল উপজেলা কমিটির প্রাণোচ্ছ্বলতা প্রায় স্থবির হয়ে গেছে। জেলা কমিটির উচিত এই মুহূর্তে পূর্ণাঙ্গ কমিটির ব্যাপারে না ভেবে সংগঠনের স্বার্থে শীঘ্রই উপজেলা কমিটিগুলো গঠন করা এবং সুন্দর একটি সম্মেলনের মাধ্যমে যথাসময়ে নতুন নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব তুলে দেয়া।
জেলা কমিটির সহ-সভাপতি জিসান এনায়েত রেজা বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটির ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। জেলা কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কেউই এ বিষয়ে আমাদের সাথে কথা বলেননি।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে বলেন, আমি সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা বলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য তালিকা তৈরি করবো। সেই তালিকাটি শীঘ্রই কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ