১১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে বেড়িবাধের কাজ শেষ, জনমনে স্বস্তি

  • Update Time : ০৭:১০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাধের কাজ শেষ হওয়ায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে লোকসান হওয়ার আশঙ্কায় হতাশ হয়ে পড়েছেন অনেক পিআইসি কমিটির নেতৃবৃন্দ।

জানাযায়, জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওর পোল্ডার-১ এলাকায় ১২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ে বড় ২টি ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙন সহ ৮২৩ মিটার বেড়িবাধ মেরামত কাজ পান ১৯ নং পিআইসি কমিটি। ১৮ মার্চ সোমবার সরজমিনে দেখা যায়, উক্ত পিআইসি কমিটির কাজ শেষ হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে ১৯ নং পিআইসি কমিটির সভাপতি ও চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মাহমুদ বলেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমার কাজ শেষ হয়ে যায়। তবে আমার বাধ এলাকার মাটির টেম্পার না থাকায় সামান্য ধসে পড়ায় দ্বিতীয় বার অতিরিক্ত কাজ করতে হয়েছে।

বাধে মাটির নিচে বাঁশের ফাইলিং করে মাটি আটকে রাখতে হয়েছে। দ্বিতীয় বার কাজ করতে গিয়ে আমার অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হয়েছে। যে কারণে কাজ উঠাতে গিয়ে আমাকে অনেক হিমশিম খেতে হয়েছে। এতে আমি অনেক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। তিনি সরকারের

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন আমাকে অতিরিক্ত বিল দিতে হবে। তা না হলে আমার অনেক লোকসান হবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন বলেন বাবুল মাহমুদকে বলা হয়েছে তার বাধের ভেতরে আরেকটি ব্রেকিং বাধ নির্মাণ করার জন্য। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই তাকে অতিরিক্ত বিল প্রদান করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে বেড়িবাধের কাজ শেষ, জনমনে স্বস্তি

Update Time : ০৭:১০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাধের কাজ শেষ হওয়ায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে লোকসান হওয়ার আশঙ্কায় হতাশ হয়ে পড়েছেন অনেক পিআইসি কমিটির নেতৃবৃন্দ।

জানাযায়, জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওর পোল্ডার-১ এলাকায় ১২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ে বড় ২টি ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙন সহ ৮২৩ মিটার বেড়িবাধ মেরামত কাজ পান ১৯ নং পিআইসি কমিটি। ১৮ মার্চ সোমবার সরজমিনে দেখা যায়, উক্ত পিআইসি কমিটির কাজ শেষ হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে ১৯ নং পিআইসি কমিটির সভাপতি ও চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুল মাহমুদ বলেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমার কাজ শেষ হয়ে যায়। তবে আমার বাধ এলাকার মাটির টেম্পার না থাকায় সামান্য ধসে পড়ায় দ্বিতীয় বার অতিরিক্ত কাজ করতে হয়েছে।

বাধে মাটির নিচে বাঁশের ফাইলিং করে মাটি আটকে রাখতে হয়েছে। দ্বিতীয় বার কাজ করতে গিয়ে আমার অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হয়েছে। যে কারণে কাজ উঠাতে গিয়ে আমাকে অনেক হিমশিম খেতে হয়েছে। এতে আমি অনেক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। তিনি সরকারের

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন আমাকে অতিরিক্ত বিল দিতে হবে। তা না হলে আমার অনেক লোকসান হবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন বলেন বাবুল মাহমুদকে বলা হয়েছে তার বাধের ভেতরে আরেকটি ব্রেকিং বাধ নির্মাণ করার জন্য। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই তাকে অতিরিক্ত বিল প্রদান করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ