মন্ত্রিসভার আকার হতে পারে ৬০ সদস্যের
- Update Time : ০১:৪৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জানুয়ারি ২০১৯
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। শপথ অনুষ্ঠানের পরই আওয়ামী লীগের সংসদীয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, ওই বৈঠকেও মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে আলোচনা সেরে নিতে পারেন। যদিও প্রধানমন্ত্রী নিজেই মন্ত্রিপরিষদ গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে দুই একদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের তালিকা চূড়ান্ত করবেন। এরপর আগামী শনিবার সন্ধ্যায় বা রোববার সকালে অনুষ্ঠিত হতে পারে মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।
এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র বলছে, যদি রোববারের মধ্যে কেবিনেট গঠন ও শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে যায় তাহলে সোমবার এ সরকারের প্রথম কেবিনেট মিটিং হবে।
এদিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মাদ শফিউল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, রোববারের মধ্যে শপথ অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেলে সোমবার কেবিনেটের প্রথম সভা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনই পরিষ্কার করে কোনো কিছু বলা যাচ্ছে না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হতে পারেন মোট ৩৫ জন, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ৪ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৮ জন এবং উপমন্ত্রী ৫ থেকে ৬ জন হতে পারে। সব মিলিয়ে ৬০ সদস্যের একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হবে বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে।
সূত্র বলছে, নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে যারা মন্ত্রী হবেন তাদের প্রথমে দেওয়া হতে পারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। আবার আগে থেকে থাকা বেশকিছু প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর।
তবে বাদ পড়ার তালিকায়ও আছে বেশকিছু সিনিয়র মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। তবে প্রধানমন্ত্রী দলের শীর্ষ জ্যেষ্ঠ নেতাদের কেবিনেটে আনার বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছে বলে জানা গেছে। নতুন এ মন্ত্রিপরিষদ থেকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা শাজাহান খান বাদ পড়তে পারেন বলে জানা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রিসভার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এখন আমরা যা ভাবছি তার অনেক কিছুই ঠিক নাও থাকতে পারে। বিষয়গুলো নিয়ে এর আগেও আমরা দেখেছি, তালিকা এক রকম দেখেছি, পরে প্রকৃতপক্ষে হয়েছে আরেক রকম। কারণ এ বিষয়টি পুরোপুরি প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। তিনিই ভাল জানেন যে, কী হতে চলেছে।
গেল সরকারের সবশেষ মন্ত্রিসভার সভা হয়েছিল একাদশ জাতীয় সংসদের এই নির্বাচনের আগে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সেই সরকারের মন্ত্রিসভার সবশেষ বৈঠক হয় ৩ ডিসেম্বর। একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে গত ৬ নভেম্বর মন্ত্রিসভা থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মধ্যদিয়ে আবারও সরকার গঠন করতে চলছে আওয়ামী লীগ।





























