নৌকার পক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত দেড় শতাধিক কর্মকর্তা
- Update Time : ০৫:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: জাতীয় নির্বাচনে নৌকার বিজয়ের লক্ষ্যে কাজ করতে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত দেড় শতাধিক কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা একাত্মতা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সাবেক প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল ওয়াদুদ, রিয়ার এডমিরাল (অব.) হারুনুর রশীদ, এয়ার কমোডর (অব.) কাজী দেলোয়ার হোসেন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ডা. কানিজ ফাতেমা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুহম্মদ ফারুক খান, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা ফুলের তোড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
হলি আর্টিজান হামলার বিচার দ্রুত শুরু করায় ইতালির রাষ্ট্রদূতের সন্তোষ : ২০১৬ সালে গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় জড়িতদের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মারিও পালমা। তিনি বাংলাদেশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের কর্তব্য-নিষ্ঠার প্রশংসা করেছেন। মঙ্গলবার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ধরনের ভয়াবহ ঘটনার বিচার প্রক্রিয়ায় আমাদের দেশেও সাধারণত বিলম্ব হয়। যদিও বাংলাদেশ এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে খুব ভালো কার্য সম্পাদন করেছে।
হলি আর্টিজান বেকারির সেই সন্ত্রাসী হামলায় ২২ জন নিহত হয়। যাদের মধ্যে ৯ জন ইতালির নাগরিক। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লাগাতার পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হলি আর্টিজান বেকারির ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অসাধারণ সম্ভাবনাময় দেশ বাংলাদেশ- জার্মান রাষ্ট্রদূত : ঢাকায় নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোলদ বলেছেন, বাংলাদেশ একটি অসাধারণ সম্ভাবনাময় দেশ। জার্মান ব্যবসায়ীরা এ দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।
বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন জার্মান রাষ্ট্রদূত। জার্মানি এ পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তদানীন্তন জার্মানির দুই অংশই সমর্থন দিয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনেও জার্মানি ব্যাপক সহায়তা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জার্মানির বিনিয়োগকারীরা বিশেষভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চলে তাদের শিল্প স্থাপন করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মাদ জয়নুল আবেদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সুত্র: যুগান্তর



















