০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে দেড় বছর পর এসআই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে নিখোঁজ ডায়রী তদন্তকালে খুনের রহস্য উদঘাটন সহ গ্রেফতার ৩

  • Update Time : ০৮:২৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৮
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নব গোপাল দাশের নির্দেশে দেড় বছর পর নিখোঁজ ডায়রী তদন্তকালে মামলার তদন্তকারী সেকেন্ড অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুনের রহস্য উদঘাটন সহ ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছেন।

 

 

জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান লিপন, এএসআই কানু রায় সহ এক পুলিশের অভিযানে সিলেটের জৈন্তাপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অপহরন সহ খুনের মামলার গ্রেফতারকৃত অাসামীরা হলেন, সিলেটের জৈন্তাপুর থানার ব্রাহ্মনগাঁও (উত্তরপাড়া) গ্রামের মর্তুজ আলীর ছেলে বর্তমানে নিজপাট কমলা বাড়ী এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ (৫২), কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার গণিয়াচর গ্রামের মৃত আবদুল কুদ্দুছের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৯) ও জৈন্তাপুর থানার নিজপাট গ্রামের ইদ্রিছ আলীর ছেলে জুনাব আলী জুনাই (৪২)কে গ্রেফতার করা হয়।

 

জানাগেছে, মামলার ভিকটিম জগন্নাথপুর পৌর এলাকার জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত মদরিছ আলীর ছেলে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল গফুর (৫৫) স্ব-পরিবারে লন্ডন প্রবাসী গত ০৮/০৫/২০১৭ খ্রিঃ তারিখে লন্ডন থেকে আব্দুল গফুর একা বাংলাদেশে আসেন এবং ঐ দিন সকাল অনুমান ১০/১১টায় জগন্নাথপুর সাকিনস্থ তার নিজ বাড়ীতে আসেন। অনুমান ৩০ মিনিট অবস্থান করার পর তাকে অার খোঁজে পাওয়া যায়নি । এমনকি সে লন্ডনেও ফেরত না যাওয়ায় লন্ডন প্রবাসীর ভাগ্না মোঃ লালা মিয়া জগন্নাথপুর থানায় সাধারণ ডায়রী করেন। ডায়রী নং-১০২১ তারিখ-২৬/১০/২০১৮ ইং। দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর নিখোঁজ ডায়রী তদন্তকালে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে লন্ডন প্রবাসী আঃ গফুরের নিখোজের ঘটনায় সিলেটের জৈন্তাপুর থানায় আসামী আবুল কালাম আজাদ এর সম্পৃক্তা পাওয়ায় তাকে আটক করলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, উক্ত আসামী ভিকটিম আব্দুল গফুরকে জগন্নাথপুর সাকিনস্থ তাহার নিজ বাড়ী থেকে বিভিন্ন প্রলোভনে জিম্মি করে গত ০৮/০৫/২০১৭ খ্রিঃ তারিখে সিলেট শহরে নিয়ে যায় এবং সিলেট দরগা গেইটস্থ আবাসিক হোটেল রাজরানী এর ২১২ নং কক্ষে নিয়ে অব্স্থান করে। উক্ত আসামী আবুল কালাম আজাদ তাহার সহযোগী আসামীদের সহযোগীতায় পরের দিন ০৯/০৫/১৭ ইং তারিখে ভিকটিম আব্দুর গফুর এর মাধ্যমে সিলেট দরগা গেইটস্থ ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে পিনকোড এর মাধ্যমে ১০,০০,০০০/-(দশলক্ষ) টাকা উত্তোলন করার পর উল্লেখিত টাকার জন্য আসামী আবুল কালাম আজাদ ভিকটিম লন্ডন প্রবাসী আব্দুল গফুর-কে শ্বাসরুদ্ধ করে (গলাটিপে) হত্যা করে এবং উক্ত আসামীগনসহ তাদের সহযোগী আসামীরা ভিকটিম আব্দুল গফুর এর লাশ গুম অর্থ্যাৎ অপরাধের সাক্ষ্য প্রমান বিলুপ্ত সাধন করার উদ্দেশ্যে সিলেটের জৈন্তাপুর থানার নিজপাট মোকামটিলায় নিয়া যায় এবং আসামী আবুল কালাম আজাদ, জুনাব আলী জুনাই, আনোয়ার হোসেন সহ তাহাদের সহযোগী আরো অজ্ঞাতনামা আসামীগন ভিকটিম আব্দল গফুরের লাশ নিজপাট মোকামটিলায় গোপনে মাটি চাপা দেয়। তাছাড়া আসামী আবুল কালাম আজাদ এর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তির ও দেখানো মতে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান আসামীর মেয়ের জামাতা ২ নং আসামী আনোয়ার হোসেন এর জৈন্তাপুর থানার নিজপাট তোয়াশিহাটিস্থ বাসা হইতে ভিকটিম আব্দুল গফুর এর নিজ নামীয় ০২টি পাসপোর্ট, যাহার পাসপোর্ট নং- AF7072582, পাসপোর্ট নং- R0710582, লন্ডন হইতে বাংলাদেশে আসার বিমান টিকেট, হোটেল দরগা গেইট (আবাসিক) এর ২১২ নং কক্ষের চাবিসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধার করেন। তাছাড়া আসামীর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে জৈন্তাপুর থানার নিজপাট মোকামটিলায় ভিকটিম আব্দল গফুরের লাশ গোপনে মাটি চাপা (গুম করার) স্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে দেড় বছর পর এসআই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে নিখোঁজ ডায়রী তদন্তকালে খুনের রহস্য উদঘাটন সহ গ্রেফতার ৩

Update Time : ০৮:২৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৮

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নব গোপাল দাশের নির্দেশে দেড় বছর পর নিখোঁজ ডায়রী তদন্তকালে মামলার তদন্তকারী সেকেন্ড অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুনের রহস্য উদঘাটন সহ ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছেন।

 

 

জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান লিপন, এএসআই কানু রায় সহ এক পুলিশের অভিযানে সিলেটের জৈন্তাপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অপহরন সহ খুনের মামলার গ্রেফতারকৃত অাসামীরা হলেন, সিলেটের জৈন্তাপুর থানার ব্রাহ্মনগাঁও (উত্তরপাড়া) গ্রামের মর্তুজ আলীর ছেলে বর্তমানে নিজপাট কমলা বাড়ী এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ (৫২), কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার গণিয়াচর গ্রামের মৃত আবদুল কুদ্দুছের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৯) ও জৈন্তাপুর থানার নিজপাট গ্রামের ইদ্রিছ আলীর ছেলে জুনাব আলী জুনাই (৪২)কে গ্রেফতার করা হয়।

 

জানাগেছে, মামলার ভিকটিম জগন্নাথপুর পৌর এলাকার জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত মদরিছ আলীর ছেলে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল গফুর (৫৫) স্ব-পরিবারে লন্ডন প্রবাসী গত ০৮/০৫/২০১৭ খ্রিঃ তারিখে লন্ডন থেকে আব্দুল গফুর একা বাংলাদেশে আসেন এবং ঐ দিন সকাল অনুমান ১০/১১টায় জগন্নাথপুর সাকিনস্থ তার নিজ বাড়ীতে আসেন। অনুমান ৩০ মিনিট অবস্থান করার পর তাকে অার খোঁজে পাওয়া যায়নি । এমনকি সে লন্ডনেও ফেরত না যাওয়ায় লন্ডন প্রবাসীর ভাগ্না মোঃ লালা মিয়া জগন্নাথপুর থানায় সাধারণ ডায়রী করেন। ডায়রী নং-১০২১ তারিখ-২৬/১০/২০১৮ ইং। দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর নিখোঁজ ডায়রী তদন্তকালে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে লন্ডন প্রবাসী আঃ গফুরের নিখোজের ঘটনায় সিলেটের জৈন্তাপুর থানায় আসামী আবুল কালাম আজাদ এর সম্পৃক্তা পাওয়ায় তাকে আটক করলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, উক্ত আসামী ভিকটিম আব্দুল গফুরকে জগন্নাথপুর সাকিনস্থ তাহার নিজ বাড়ী থেকে বিভিন্ন প্রলোভনে জিম্মি করে গত ০৮/০৫/২০১৭ খ্রিঃ তারিখে সিলেট শহরে নিয়ে যায় এবং সিলেট দরগা গেইটস্থ আবাসিক হোটেল রাজরানী এর ২১২ নং কক্ষে নিয়ে অব্স্থান করে। উক্ত আসামী আবুল কালাম আজাদ তাহার সহযোগী আসামীদের সহযোগীতায় পরের দিন ০৯/০৫/১৭ ইং তারিখে ভিকটিম আব্দুর গফুর এর মাধ্যমে সিলেট দরগা গেইটস্থ ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে পিনকোড এর মাধ্যমে ১০,০০,০০০/-(দশলক্ষ) টাকা উত্তোলন করার পর উল্লেখিত টাকার জন্য আসামী আবুল কালাম আজাদ ভিকটিম লন্ডন প্রবাসী আব্দুল গফুর-কে শ্বাসরুদ্ধ করে (গলাটিপে) হত্যা করে এবং উক্ত আসামীগনসহ তাদের সহযোগী আসামীরা ভিকটিম আব্দুল গফুর এর লাশ গুম অর্থ্যাৎ অপরাধের সাক্ষ্য প্রমান বিলুপ্ত সাধন করার উদ্দেশ্যে সিলেটের জৈন্তাপুর থানার নিজপাট মোকামটিলায় নিয়া যায় এবং আসামী আবুল কালাম আজাদ, জুনাব আলী জুনাই, আনোয়ার হোসেন সহ তাহাদের সহযোগী আরো অজ্ঞাতনামা আসামীগন ভিকটিম আব্দল গফুরের লাশ নিজপাট মোকামটিলায় গোপনে মাটি চাপা দেয়। তাছাড়া আসামী আবুল কালাম আজাদ এর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তির ও দেখানো মতে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান আসামীর মেয়ের জামাতা ২ নং আসামী আনোয়ার হোসেন এর জৈন্তাপুর থানার নিজপাট তোয়াশিহাটিস্থ বাসা হইতে ভিকটিম আব্দুল গফুর এর নিজ নামীয় ০২টি পাসপোর্ট, যাহার পাসপোর্ট নং- AF7072582, পাসপোর্ট নং- R0710582, লন্ডন হইতে বাংলাদেশে আসার বিমান টিকেট, হোটেল দরগা গেইট (আবাসিক) এর ২১২ নং কক্ষের চাবিসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধার করেন। তাছাড়া আসামীর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে জৈন্তাপুর থানার নিজপাট মোকামটিলায় ভিকটিম আব্দল গফুরের লাশ গোপনে মাটি চাপা (গুম করার) স্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ