১২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে প্রতিবন্ধি আলমগীরের পথচলা

  • Update Time : ০৭:২১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি আলমগীর হোসেনকে কোন সরকারি ভাতা প্রদান করা হয়নি। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
জানাগেছে, জগন্নাথপুর পৌর এলাকার বাড়ী জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত হাসিম উল্লার ছেলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি আলমগীর হোসেন অনেক কষ্টে জীবন-যাপন করলেও ভিক্ষা বৃত্তি করে না। সহজ-সরল আলমগীর সব সময় হেসে কথা বলে। শুদ্ধভাবে কোন কথা বলতে পারেনা। জানে না টাকার হিসাব। চেনে না রাস্তাঘাট। জানে না নিজ গ্রামের নাম। উঠে না কোন গাড়িতে। চেনে শুধু নিজের বাড়ি থেকে বাসষ্ট্যান্ড ও বাসষ্ট্যান্ড থেকে পৌর পয়েন্ট। এটুকু রাস্তা নিয়ে তার জীবন।
তবে সে ভিক্ষা বৃত্তি করেনা। শ্রম দিয়ে উপার্জন করে। সে প্রতিদিন সিলেট ও সুনামগঞ্জ থেকে আসা পত্রিকার বান্ডিলগুলো বাসষ্ট্যান্ড থেকে জগন্নাথপুর সংবাদপত্র সমিতির সভাপতি নিকেশ বৈদ্যের কাছে পৌছে দেয়। এ কাজের জন্য নিকেশ বৈদ্য আলমগীরকে কয়েকটি পত্রিকা দেয়। এছাড়া বাজার থেকে কুড়িয়ে প্লাস্টিকের বোতল সংগ্রহ করে কেজি হিসেবে বিক্রি করে আলমগীর। এছাড়া পত্রিকা জমা করে কেজি হিসেবে বিক্রি করে। এতে প্রতি কেজি পত্রিকা ও প্রতি কেজি বোতল ২৫ টাকা দরে বিক্রি করে আলমগীর টাকা উপার্জন করে। পত্রিকা ও বোতল ছাড়া আলমগীর আর কিছু বুঝে না। পত্রিকা ও বোতাল পেলে আলমগীর অনেক খুশি হয়। এ নিয়ে আলমগীরের পথচলা। তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা আলমগীরকে খুব সমাদর করেন। এ ব্যাপারে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি আলমগীর হোসেন বলেন, আমারে কেউ ভাতা দেয় না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে প্রতিবন্ধি আলমগীরের পথচলা

Update Time : ০৭:২১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি আলমগীর হোসেনকে কোন সরকারি ভাতা প্রদান করা হয়নি। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
জানাগেছে, জগন্নাথপুর পৌর এলাকার বাড়ী জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত হাসিম উল্লার ছেলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি আলমগীর হোসেন অনেক কষ্টে জীবন-যাপন করলেও ভিক্ষা বৃত্তি করে না। সহজ-সরল আলমগীর সব সময় হেসে কথা বলে। শুদ্ধভাবে কোন কথা বলতে পারেনা। জানে না টাকার হিসাব। চেনে না রাস্তাঘাট। জানে না নিজ গ্রামের নাম। উঠে না কোন গাড়িতে। চেনে শুধু নিজের বাড়ি থেকে বাসষ্ট্যান্ড ও বাসষ্ট্যান্ড থেকে পৌর পয়েন্ট। এটুকু রাস্তা নিয়ে তার জীবন।
তবে সে ভিক্ষা বৃত্তি করেনা। শ্রম দিয়ে উপার্জন করে। সে প্রতিদিন সিলেট ও সুনামগঞ্জ থেকে আসা পত্রিকার বান্ডিলগুলো বাসষ্ট্যান্ড থেকে জগন্নাথপুর সংবাদপত্র সমিতির সভাপতি নিকেশ বৈদ্যের কাছে পৌছে দেয়। এ কাজের জন্য নিকেশ বৈদ্য আলমগীরকে কয়েকটি পত্রিকা দেয়। এছাড়া বাজার থেকে কুড়িয়ে প্লাস্টিকের বোতল সংগ্রহ করে কেজি হিসেবে বিক্রি করে আলমগীর। এছাড়া পত্রিকা জমা করে কেজি হিসেবে বিক্রি করে। এতে প্রতি কেজি পত্রিকা ও প্রতি কেজি বোতল ২৫ টাকা দরে বিক্রি করে আলমগীর টাকা উপার্জন করে। পত্রিকা ও বোতল ছাড়া আলমগীর আর কিছু বুঝে না। পত্রিকা ও বোতাল পেলে আলমগীর অনেক খুশি হয়। এ নিয়ে আলমগীরের পথচলা। তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা আলমগীরকে খুব সমাদর করেন। এ ব্যাপারে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি আলমগীর হোসেন বলেন, আমারে কেউ ভাতা দেয় না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ