আজ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট
- Update Time : ০৪:২৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ আগস্ট ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ডেস্ক :: আজ শনিবার দেশব্যাপী ছাত্র ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে কোটা পদ্ধতি সংস্কার দাবি করা সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ। শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা। এ সময় সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল মিয়াজি ও যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল আহমেদসহ সংগঠনের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে ঢাকার মিরপুর, দনিয়া, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী ও চাঁদপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে শনিবার (৪ আগস্ট) সারাদেশে ছাত্র ঘর্মঘট ঘোষণা করা হলো। সরকারকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ৯ দফা, হামলাকারীদের বিচার ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন দফা দাবি মেনে নিয়ে অতিদ্রুত উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানানো হয়। এ ধর্মঘটে সচেতন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও নাগরিকদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আপনাদের স¤পর্ক কী জানতে চাইলে বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, তাদের সঙ্গে আমাদের সরাসরি কোনও স¤পর্ক নেই। এই দেশের ছাত্রসমাজ সকলের ভাই-ভাই। কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবি শুধুমাত্র একটি গোষ্ঠীর বিশেষ দাবি নয়। এটি সকল ছাত্রছাত্রীর দাবি। ভবিষ্যতে যেসব ছাত্রছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করবে, তারাও সরকারি চাকরিতে যোগ দেবে। এই পদ্ধতির যদি যৌক্তিক সংস্কার না হয়, তাহলে বৈষম্যের শিকার হবেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের আহত নেতাকর্মীদের বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়ামিন মোল্লা বলেন, এই মুহূর্তে সাতজন জেলে আছেন এবং তিন থেকে চারজন হাসপাতালে আছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করা হলেও তাকে সেখানে দেখা যায়নি।
কোটা আন্দোলনকারীদের উসকানি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন দল রয়েছে কিনা জানতে চাইলে ইয়ামিন বলেন, আমাদের দাবি যৌক্তিক, ন্যায্য। বারবার বলে আসছি, দাবি আজ মেনে নিলে কাল থেকে মাঠে থাকবো না। এই কথা যদি আমরা অঙ্গীকার করে বলতে পারি তাহলে বারবার কেনো বলা হচ্ছে- বিভিন্ন দল থেকে আমাদের ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হোক তার পরে দেখেন আমরা রাস্তায় থাকি কিনা।



















