০২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • Update Time : ০৪:৪৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুলাই ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: গত বছরের একটি মানহানির মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে সুনামগঞ্জ আমলগ্রহণকারী বিচারিক হাকিম আদালতের (সদর) বিচারক দেলোয়ার হোসেন এই আদেশ দেন।
জানা যায়, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত স¤পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা দায়ের করেন জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক নাজমুল হক কিরণ। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘১ ডিসেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল (বিডিসি) আয়োজিত ‘গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র নয়; শুধুই এক ভূখণ্ড। জনগণ থাকলেই কোনও ভূখ- স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হয় না। বাংলাদেশ এখন ভারতের কলোনি, শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমকে হত্যা করেছেন। তাই প্রেসক্লাবে শেখ মুজিবের ম্যুরাল থাকতে পারে না। বর্তমান সরকার অবৈধ সরকার, দিল্লির তাঁবেদার সরকার। একটি রাষ্ট্রে ৪টি স্তম্ভ থাকে। পার্লামেন্ট, জুডিশিয়ারি, এক্সিকিউটিভ ও গণমাধ্যম। এই চার স্তম্ভের কবর রচনা করেছে বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার। বর্তমানে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই। এদেশকে আর যাই বলা যাক, রাষ্ট্র বলা যাবে না। জমি থাকতে পারে, জনগণও থাকতে পারে, কিন্তু এদেশের সার্বভৌমত্ব নেই।’
অভিযোগে আরও বলা হয়, মাহমুদুর রহমান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও টিউলিপ সিদ্দিক সম্পর্কে অপমানজনক উক্তি করেছেন।
পুলিশ অভিযোগ তদন্ত শেষে আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করে। পরে আদালত মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০১ ধারার অপরাধ আমলে নিয়ে সমন জারির আদেশ দেন। বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য তারিখ ছিল। কিন্তু মাহমুদুর রহমান হাজির হননি। মাহমুদুর রহমানের অবর্তমানেই আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী মো. আবদুল হক জানান, মাহমুদুর রহমান একই ধরনের মামলায় মামলায় কুষ্টিয়ার আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে গত ২২ জুলাই আহত হন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাপাতালে ভর্তি আছেন। আমরা জামিন আবেদন প্রার্থনা করলেও আদালত নামঞ্জুর করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Update Time : ০৪:৪৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুলাই ২০১৮

ডেস্ক রিপোর্ট :: গত বছরের একটি মানহানির মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে সুনামগঞ্জ আমলগ্রহণকারী বিচারিক হাকিম আদালতের (সদর) বিচারক দেলোয়ার হোসেন এই আদেশ দেন।
জানা যায়, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত স¤পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা দায়ের করেন জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক নাজমুল হক কিরণ। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘১ ডিসেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল (বিডিসি) আয়োজিত ‘গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র নয়; শুধুই এক ভূখণ্ড। জনগণ থাকলেই কোনও ভূখ- স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হয় না। বাংলাদেশ এখন ভারতের কলোনি, শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমকে হত্যা করেছেন। তাই প্রেসক্লাবে শেখ মুজিবের ম্যুরাল থাকতে পারে না। বর্তমান সরকার অবৈধ সরকার, দিল্লির তাঁবেদার সরকার। একটি রাষ্ট্রে ৪টি স্তম্ভ থাকে। পার্লামেন্ট, জুডিশিয়ারি, এক্সিকিউটিভ ও গণমাধ্যম। এই চার স্তম্ভের কবর রচনা করেছে বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার। বর্তমানে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই। এদেশকে আর যাই বলা যাক, রাষ্ট্র বলা যাবে না। জমি থাকতে পারে, জনগণও থাকতে পারে, কিন্তু এদেশের সার্বভৌমত্ব নেই।’
অভিযোগে আরও বলা হয়, মাহমুদুর রহমান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও টিউলিপ সিদ্দিক সম্পর্কে অপমানজনক উক্তি করেছেন।
পুলিশ অভিযোগ তদন্ত শেষে আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করে। পরে আদালত মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০১ ধারার অপরাধ আমলে নিয়ে সমন জারির আদেশ দেন। বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য তারিখ ছিল। কিন্তু মাহমুদুর রহমান হাজির হননি। মাহমুদুর রহমানের অবর্তমানেই আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী মো. আবদুল হক জানান, মাহমুদুর রহমান একই ধরনের মামলায় মামলায় কুষ্টিয়ার আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে গত ২২ জুলাই আহত হন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাপাতালে ভর্তি আছেন। আমরা জামিন আবেদন প্রার্থনা করলেও আদালত নামঞ্জুর করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ