১১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবজাতক সন্তানকে দেখে ঘাবড়ে গেলেন মা, বুকের দুধ খাওয়াতেও অনীহা প্রকাশ

  • Update Time : ০২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: সন্তানকে দেখতে ভিন গ্রহের প্রাণীর মতো। তাই তাকে বুকের দুধ খাওয়াতেও রাজি হচ্ছেন না মা। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, হারলেকুইন ইকথিওসিস নামে এক ধরনের জিনগত সমস্যা রয়েছে। ভারতের বিহারের কাটিহারের এমনই ঘটনা ঘটেছে। বিরল এই সমস্যার কারণে কারো ত্বক দেখে মনে হতে পারে প্লাস্টিকের তৈরি। কারো বা ত্বক ফেটে যায়। কারো আবার অঙ্গ বিকৃতিও ঘটে।
সোমবার রাতে ওই শিশুপুত্রর জন্ম দেন চার সন্তানের জননী খালিদা বেগম। তার বছর ৩৫ বছর। সন্তানকে প্রথমবার দেখেই চমকে যান ওই মা। ছোট্ট মাথা, বিস্ফোরিত দুই চোখ, ত্বক যেন প্লাস্টিকের প্রলেপ লাগানো। ছেলেকে প্রথমবার দেখেই ঘাবড়ে যান মা। সন্তানকে সরিয়ে নিয়ে যেতে বলেন তিনি।
খালিদা বলেন, ‘বাচ্চার শরীরের অনেক অংশই ঠিকঠাকভাবে বেড়ে ওঠেনি। জন্মের পর ওকে যখন প্রথমবার দেখি আমি তো ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। ও পুরোপুরি ভিন গ্রহের প্রাণীর মতো দেখতে। আমার খুব কষ্ট লেগেছিল দেখেই। নার্সকে বলি ওকে সরিয়ে নিয়ে যান।’ তবে শিশুটির বাবার বিশ্বাস, তাদের সন্তান হিন্দু দেবতা মহাবীরের অবতার
চিকিৎসকরা বলছেন, ৩,০০,০০০ নবজাতকের মধ্যে একজন এই সমস্যায় হারলেকুইন ইকথিওসিসে আক্রান্ত হয়। এই জাতকের নিয়মিতভাবে পরিচর্যা দরকার। বিশেষ করে ত্বকের যত্ন। ১৯৮৪ সালে নুসরিত ‘নেলি’ শাহিন নামে এক শিশুকন্যার জন্ম হয়েছিল।
রেকর্ড বলছে, হারলেকুইন ইকথিওসিসে আক্রান্ত প্রথম শিশু শাহিনই। ২০১৬ সাল পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভাল আছেন তিনি। ২০১৬ সালে নাগপুরে এমনই এক শিশুর জন্ম হয়েছিল। যা ভারতে প্রথম। তবে দুই দিনের বেশি বাঁচানো যায়নি তাকে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

নবজাতক সন্তানকে দেখে ঘাবড়ে গেলেন মা, বুকের দুধ খাওয়াতেও অনীহা প্রকাশ

Update Time : ০২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: সন্তানকে দেখতে ভিন গ্রহের প্রাণীর মতো। তাই তাকে বুকের দুধ খাওয়াতেও রাজি হচ্ছেন না মা। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, হারলেকুইন ইকথিওসিস নামে এক ধরনের জিনগত সমস্যা রয়েছে। ভারতের বিহারের কাটিহারের এমনই ঘটনা ঘটেছে। বিরল এই সমস্যার কারণে কারো ত্বক দেখে মনে হতে পারে প্লাস্টিকের তৈরি। কারো বা ত্বক ফেটে যায়। কারো আবার অঙ্গ বিকৃতিও ঘটে।
সোমবার রাতে ওই শিশুপুত্রর জন্ম দেন চার সন্তানের জননী খালিদা বেগম। তার বছর ৩৫ বছর। সন্তানকে প্রথমবার দেখেই চমকে যান ওই মা। ছোট্ট মাথা, বিস্ফোরিত দুই চোখ, ত্বক যেন প্লাস্টিকের প্রলেপ লাগানো। ছেলেকে প্রথমবার দেখেই ঘাবড়ে যান মা। সন্তানকে সরিয়ে নিয়ে যেতে বলেন তিনি।
খালিদা বলেন, ‘বাচ্চার শরীরের অনেক অংশই ঠিকঠাকভাবে বেড়ে ওঠেনি। জন্মের পর ওকে যখন প্রথমবার দেখি আমি তো ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। ও পুরোপুরি ভিন গ্রহের প্রাণীর মতো দেখতে। আমার খুব কষ্ট লেগেছিল দেখেই। নার্সকে বলি ওকে সরিয়ে নিয়ে যান।’ তবে শিশুটির বাবার বিশ্বাস, তাদের সন্তান হিন্দু দেবতা মহাবীরের অবতার
চিকিৎসকরা বলছেন, ৩,০০,০০০ নবজাতকের মধ্যে একজন এই সমস্যায় হারলেকুইন ইকথিওসিসে আক্রান্ত হয়। এই জাতকের নিয়মিতভাবে পরিচর্যা দরকার। বিশেষ করে ত্বকের যত্ন। ১৯৮৪ সালে নুসরিত ‘নেলি’ শাহিন নামে এক শিশুকন্যার জন্ম হয়েছিল।
রেকর্ড বলছে, হারলেকুইন ইকথিওসিসে আক্রান্ত প্রথম শিশু শাহিনই। ২০১৬ সাল পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভাল আছেন তিনি। ২০১৬ সালে নাগপুরে এমনই এক শিশুর জন্ম হয়েছিল। যা ভারতে প্রথম। তবে দুই দিনের বেশি বাঁচানো যায়নি তাকে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ