১২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ই ধান কাটায় বড় বাধা

  • Update Time : ০৫:১৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ মে ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জে হাওরের ১ লাখ ৬৮ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান কাটা হয়ে গেছে। তবে কয়েক হাজার ধান কাটা যেন শেষ হতে চাইছে না। বজ্রসহ কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে হাওরে ধান কাটা ও প্রক্রিয়াজাত করা বন্ধ রেখেছেন কৃষকরা।

 

বুধবার (২ মে) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঝড়ো বাতাসের কারণে কৃষকরা ফসল কাটা বাদ দিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে আসেন।

 

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বর্ষণের কারণে সুরমা নদীর পানি গত দুদিনে ২০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, বৃষ্টিপাতের কারণে হাওর ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হাওর এলাকার সব নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পাকা ধান জমিতে থাকলে জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার সাহা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত হাওরের ১ লাখ ৬৮ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান কাটা হয়ে গেছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান কাটা ব্যাহত হচ্ছে। ঘন ঘন বজ্রপাতের কারণে কৃষকরা জমিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন।’ তিনি দ্রুত জমির পাকা ধান কেটে ফেলার নির্দেশ দেন।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, আজ পর্যন্ত হাওরের ১ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ই ধান কাটায় বড় বাধা

Update Time : ০৫:১৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ মে ২০১৮

বিশেষ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জে হাওরের ১ লাখ ৬৮ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান কাটা হয়ে গেছে। তবে কয়েক হাজার ধান কাটা যেন শেষ হতে চাইছে না। বজ্রসহ কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে হাওরে ধান কাটা ও প্রক্রিয়াজাত করা বন্ধ রেখেছেন কৃষকরা।

 

বুধবার (২ মে) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঝড়ো বাতাসের কারণে কৃষকরা ফসল কাটা বাদ দিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে আসেন।

 

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বর্ষণের কারণে সুরমা নদীর পানি গত দুদিনে ২০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, বৃষ্টিপাতের কারণে হাওর ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হাওর এলাকার সব নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পাকা ধান জমিতে থাকলে জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার সাহা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত হাওরের ১ লাখ ৬৮ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান কাটা হয়ে গেছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান কাটা ব্যাহত হচ্ছে। ঘন ঘন বজ্রপাতের কারণে কৃষকরা জমিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন।’ তিনি দ্রুত জমির পাকা ধান কেটে ফেলার নির্দেশ দেন।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, আজ পর্যন্ত হাওরের ১ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ