ছাতকে জেলা পরিষদ সদস্য মুহিতের বিবস্ত্র ভিডিও ধারণের ঘটনায় মামলা দায়ের, গ্রেফতার ২
- Update Time : ০৭:১৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
চান মিয়া, ছাতক থেকে :: সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য আবদুস শহিদ মুহিতকে প্রতারণা মূলক বাসায় ডেকে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পরনের শার্ট ও প্যান্ট খুলে বিবস্ত্র অবস্থায় মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে নগদ টাকা ও মুল্যবান কাগজপত্র নেয়ার ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২৫এপ্রিল) সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় মুহিত বাদি হয়ে একটি মামলা (নং-৫৯/১৯৮) দায়েরের পর নগরীর উত্তর বাগবাড়ির ৩৫৬নম্বর বাসায় অভিযান চালিয়ে জড়িত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলার কলেজ রোডের নিপু বিহারি ভট্টাচার্যের কন্যা তৃষা ভট্টাচার্য (২৫) ও বাধন ভট্টাচার্য (১৯)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউপির গোয়াশপুর গ্রামের মৃত আলতাব আলীর পুত্র ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য আবদুস শহিদ মুহিতকে ১৫এপ্রিল সন্ধ্যায় বাধন ভট্টাচার্য তার উত্তর বাগবাড়ির ৩৫৬নম্বর বাসায় ডেকে নেয়। বাসায় প্রবেশের পর তৃষা, বাধন, আজিম, মুন্না ও মীমরা মিলে অস্ত্রের মুখে মুহিতকে জিম্মি করে বিবস্ত্র অবস্থায় মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে নগদ ১৭হাজার ৩শ’টাকা এবং মূল্যবান কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় আবদুস শহিদ মুহিত বাদি হয়ে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় তৃষা, বাধন, আজিম, মুন্না ও মীমকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর তৃষা ভট্টাচার্য ও বাধন ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করলে অন্যান্য আসামিরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। এ ব্যাপারে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) রোকেয়া খানম জানান, মামলার প্রেক্ষিতে আসামি দু’জনকে মঙ্গলবার রাতে তাদের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতে হাজির করার পর তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।



















