০৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে বারো ফসল রক্ষায় দল মত নির্বিশেষে এগিয়ে আসুন

  • Update Time : ১০:০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

গত বছর সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষার বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ফসলহানি ঘটার পর এবার সরকার যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে হাওরের ফসল রক্ষা বাধ নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে। হাওরের বাঁধ নির্মাণে যারা গাফিলতি কররে, দুর্নীতি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবে সরকার। সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এই ঘোষণা দিয়েছেন। ওই ঘোষণায় আমরা হাওরপারের মানুষ খুবই খুশী এবং আনন্দিত। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আমরাও হাওরপারের মানুষদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলবো। রাজনীতিতে ভিন্ন মত ভিন্ন পথ থাকবে এটাই স্বাভাবিক; কিন্তু এলাকার উন্নয়নে বিশেষ করে আগামী বোরো ফসল রক্ষায় দলমত নির্বিশেষে আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন। পিআইসি গুলো শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে কিনা, সেই দিকে নজর রাখুন।
দিরাই উপজেলার বোয়ালিয়া বাজারে আবুল মনসুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং কুলজ ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সফিকুল চৌধুরী (টিটু)’র পরিচালনায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল ৫টায় হাওরের বিভিন্ন সমস্যাদি নিয়ে একমত বিনিময় সভায় ১৪ দলের শরীক দল গণতান্ত্রী পার্টির সিলেট জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক গুলজার আহমদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রী পার্টি ১৪ দলের অন্যতম শরীক দল। আমাদের নেতা প্রয়াত বাবু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন গণতন্ত্রী পার্টির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের মধ্যে একজন। ’৯১ সালে গণতন্ত্রী পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আপনারা জানেন বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর এদেশে আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদীদের আস্তানা গড়ে উঠে। মৌলবাদী গোষ্ঠি এদেশে সিরিজ বোমা, বাংলা ভাই, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নেতৃত্বকে সমূলে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালায়। সারা দেশে নৈরাজ্য ও অরাজকতা সৃষ্টি করে দেশেকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তখনই আওয়ামীলীগ সহ অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে চৌদ্দ দল গঠন করে। চৌদ্দ দল গঠন করার পর খালেদা-নিজামী জোট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নতুন গতি পায়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই জোট দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে বিজয়ী হয়। ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর সহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ট্রাইবুনাল গঠন সম্ভব হয়। এই জোট এখনও আছে, আগামীতেও থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামায়াত-বিএনপি জোটের নেতৃত্বে অশুভ তা-ব সৃষ্টির যে কোন অপপ্রয়াস এই ১৪ দলীয় জোট মোকাবেলা করবে। সমাজের আমূল পরিবর্তনে আমরা জোটগত ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুলঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মিলন মিয়া, বোয়ালিয়াবাজার কমিটির সাবেক সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল কাদির, কমল দাশ, নানু মিয়া, সুনাফর মিয়া, পূর্ণ লাল দাস, আলহাজ¦ মুজিবুর রহমান, আমীর ফয়সল, তাজুল ইসলাম, আলমগীর আহমদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জে বারো ফসল রক্ষায় দল মত নির্বিশেষে এগিয়ে আসুন

Update Time : ১০:০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

গত বছর সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষার বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ফসলহানি ঘটার পর এবার সরকার যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে হাওরের ফসল রক্ষা বাধ নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে। হাওরের বাঁধ নির্মাণে যারা গাফিলতি কররে, দুর্নীতি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবে সরকার। সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এই ঘোষণা দিয়েছেন। ওই ঘোষণায় আমরা হাওরপারের মানুষ খুবই খুশী এবং আনন্দিত। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আমরাও হাওরপারের মানুষদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলবো। রাজনীতিতে ভিন্ন মত ভিন্ন পথ থাকবে এটাই স্বাভাবিক; কিন্তু এলাকার উন্নয়নে বিশেষ করে আগামী বোরো ফসল রক্ষায় দলমত নির্বিশেষে আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন। পিআইসি গুলো শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে কিনা, সেই দিকে নজর রাখুন।
দিরাই উপজেলার বোয়ালিয়া বাজারে আবুল মনসুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং কুলজ ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সফিকুল চৌধুরী (টিটু)’র পরিচালনায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল ৫টায় হাওরের বিভিন্ন সমস্যাদি নিয়ে একমত বিনিময় সভায় ১৪ দলের শরীক দল গণতান্ত্রী পার্টির সিলেট জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক গুলজার আহমদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রী পার্টি ১৪ দলের অন্যতম শরীক দল। আমাদের নেতা প্রয়াত বাবু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন গণতন্ত্রী পার্টির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের মধ্যে একজন। ’৯১ সালে গণতন্ত্রী পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আপনারা জানেন বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর এদেশে আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদীদের আস্তানা গড়ে উঠে। মৌলবাদী গোষ্ঠি এদেশে সিরিজ বোমা, বাংলা ভাই, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নেতৃত্বকে সমূলে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালায়। সারা দেশে নৈরাজ্য ও অরাজকতা সৃষ্টি করে দেশেকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তখনই আওয়ামীলীগ সহ অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে চৌদ্দ দল গঠন করে। চৌদ্দ দল গঠন করার পর খালেদা-নিজামী জোট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নতুন গতি পায়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই জোট দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে বিজয়ী হয়। ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর সহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ট্রাইবুনাল গঠন সম্ভব হয়। এই জোট এখনও আছে, আগামীতেও থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামায়াত-বিএনপি জোটের নেতৃত্বে অশুভ তা-ব সৃষ্টির যে কোন অপপ্রয়াস এই ১৪ দলীয় জোট মোকাবেলা করবে। সমাজের আমূল পরিবর্তনে আমরা জোটগত ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুলঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মিলন মিয়া, বোয়ালিয়াবাজার কমিটির সাবেক সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল কাদির, কমল দাশ, নানু মিয়া, সুনাফর মিয়া, পূর্ণ লাল দাস, আলহাজ¦ মুজিবুর রহমান, আমীর ফয়সল, তাজুল ইসলাম, আলমগীর আহমদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ