০৮:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিল সুমাইয়া

  • Update Time : ০১:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: মায়ের সাথে পরীক্ষার হলে আসার কথা ছিল তার, সেই মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিল ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সুমাইয়া আক্তার নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী। উপজেলা সদরে সালথা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষার দিন এই হৃদয় বিদারক এ ঘটনা ঘটে।

সুমাইয়া আক্তার ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর গ্রামের মো. সহিদ মোল্যার মেয়ে। সে সালথা উপজেলার আটঘর উচ্চ-বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল খায়ের জানান, রবিবার রাতে সন্তান প্রসব করার সময় ঢাকার একটি হাসপাতালে সুমাইয়ার মা মারা যায়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুমাইয়ার মায়ের লাশ বাড়িতে এসে পৌছায়। এ সময় মায়ের লাশ বাড়িতে রেখেই পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পরীক্ষার হলে যায় সুমাইয়া। পরীক্ষা দেবার সময় মায়ের কথা মনে করে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ে সুমাইয়া। তবে সহপাঠি ও কেন্দ্র সচিবদের সহযোগিতায় শোকে কাতর ছাত্রী সুমাইয়া পরীক্ষা দেয়।

আটঘর উচ্চ-বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুর রহমান খান বলেন, সকাল ১১ টায় সুমাইয়ার মায়ের লাশ দাফন করা হয়েছে। এঘটনায় পরীক্ষা কেন্দ্রে শোকের ছায়া নেমে আসে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোবাশ্বের হাসান কেন্দ্রে ছুটে গিয়ে তাকে শান্তনা দেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিল সুমাইয়া

Update Time : ০১:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ডেস্ক রিপোর্ট :: মায়ের সাথে পরীক্ষার হলে আসার কথা ছিল তার, সেই মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিল ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সুমাইয়া আক্তার নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী। উপজেলা সদরে সালথা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষার দিন এই হৃদয় বিদারক এ ঘটনা ঘটে।

সুমাইয়া আক্তার ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর গ্রামের মো. সহিদ মোল্যার মেয়ে। সে সালথা উপজেলার আটঘর উচ্চ-বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল খায়ের জানান, রবিবার রাতে সন্তান প্রসব করার সময় ঢাকার একটি হাসপাতালে সুমাইয়ার মা মারা যায়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুমাইয়ার মায়ের লাশ বাড়িতে এসে পৌছায়। এ সময় মায়ের লাশ বাড়িতে রেখেই পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পরীক্ষার হলে যায় সুমাইয়া। পরীক্ষা দেবার সময় মায়ের কথা মনে করে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ে সুমাইয়া। তবে সহপাঠি ও কেন্দ্র সচিবদের সহযোগিতায় শোকে কাতর ছাত্রী সুমাইয়া পরীক্ষা দেয়।

আটঘর উচ্চ-বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুর রহমান খান বলেন, সকাল ১১ টায় সুমাইয়ার মায়ের লাশ দাফন করা হয়েছে। এঘটনায় পরীক্ষা কেন্দ্রে শোকের ছায়া নেমে আসে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোবাশ্বের হাসান কেন্দ্রে ছুটে গিয়ে তাকে শান্তনা দেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ