০১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ১৫

  • Update Time : ০৭:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৫ জনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বাইরে ৮৬টি কেন্দ্রে এক ঘণ্টার এই এমসিকিউ পরীক্ষা হয়, যাতে এক হাজার ৬১০টি আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৮ হাজার ৫৪ জন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আমজাদ আলী গণমাধ্যমে জানান, ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার রাতে শহীদুল্লাহ হল থেকে দুই শিক্ষার্থী এবং সকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১৩ জনকে আটক করেন তারা।
পরীক্ষার আগের রাতে আটক দুজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মহিউদ্দিন রানা এবং ফলিত রসায়নের প্রথম বর্ষের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তাদের মধ্যে শহীদুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র রানা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক। আর মামুন অমর একুশে হলের আবাসিক ছাত্র। প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা তাদের কাছ থেকে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করেন, যা দিয়ে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়।
এ ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১৩ জনকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাদের কাছেও বাইরে যোগাযোগ করার বিশেষ ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়।
আটকরা হলেন- নূর মোহাম্মদ মাহবুব, মো. ফারহাদুল আলম, ইশরাক হোসেন রাফী, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুকিন, রিশাদ কবীর, মো. আছাদুজ্জামান মিনারুল, ইসতিয়াক আহমেদ, জয় কুমার সাহা, রেজুয়ারা শেখ শোভা, মাশুকা নাসরীন, মো. তরিকুল ইসলাম, নাসিরুল হক নাহিদ, মো. মিরাজ আহমেদ।
ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর জানান, রাতে ডিভাইসসহ আটককৃতরাই এ জালিয়াতির মাস্টার মাইন্ড।
তিনি জানান, মাস্টারকার্ডের মত দেখতে পাতলা ওই ডিভাইসের ভেতরে মোবাইল সিম থাকে। আর পরীক্ষার হলে ব্যবহারের জন্য থাকে অতি ক্ষুদ্র লিসেনিং কিট। এই ডিভাইসের মাধ্যমে বাইরে থেকে হলের ভেতরে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে উত্তর বলে দেওয়া যায়।
জালিয়াতিতে জড়িত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া আটক ১৩ ভর্তিচ্ছুর বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা উত্তীর্ণদের মধ্যে ১ হাজার ১৪৭ জন বিজ্ঞানে বিভাগে, ৪১০ জন বিজনেস স্টাডিজ এবং ৫৩ জন মানবিক বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ১৫

Update Time : ০৭:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৫ জনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বাইরে ৮৬টি কেন্দ্রে এক ঘণ্টার এই এমসিকিউ পরীক্ষা হয়, যাতে এক হাজার ৬১০টি আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৮ হাজার ৫৪ জন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আমজাদ আলী গণমাধ্যমে জানান, ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার রাতে শহীদুল্লাহ হল থেকে দুই শিক্ষার্থী এবং সকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১৩ জনকে আটক করেন তারা।
পরীক্ষার আগের রাতে আটক দুজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মহিউদ্দিন রানা এবং ফলিত রসায়নের প্রথম বর্ষের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তাদের মধ্যে শহীদুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র রানা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক। আর মামুন অমর একুশে হলের আবাসিক ছাত্র। প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা তাদের কাছ থেকে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করেন, যা দিয়ে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়।
এ ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১৩ জনকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাদের কাছেও বাইরে যোগাযোগ করার বিশেষ ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়।
আটকরা হলেন- নূর মোহাম্মদ মাহবুব, মো. ফারহাদুল আলম, ইশরাক হোসেন রাফী, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুকিন, রিশাদ কবীর, মো. আছাদুজ্জামান মিনারুল, ইসতিয়াক আহমেদ, জয় কুমার সাহা, রেজুয়ারা শেখ শোভা, মাশুকা নাসরীন, মো. তরিকুল ইসলাম, নাসিরুল হক নাহিদ, মো. মিরাজ আহমেদ।
ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর জানান, রাতে ডিভাইসসহ আটককৃতরাই এ জালিয়াতির মাস্টার মাইন্ড।
তিনি জানান, মাস্টারকার্ডের মত দেখতে পাতলা ওই ডিভাইসের ভেতরে মোবাইল সিম থাকে। আর পরীক্ষার হলে ব্যবহারের জন্য থাকে অতি ক্ষুদ্র লিসেনিং কিট। এই ডিভাইসের মাধ্যমে বাইরে থেকে হলের ভেতরে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে উত্তর বলে দেওয়া যায়।
জালিয়াতিতে জড়িত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া আটক ১৩ ভর্তিচ্ছুর বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা উত্তীর্ণদের মধ্যে ১ হাজার ১৪৭ জন বিজ্ঞানে বিভাগে, ৪১০ জন বিজনেস স্টাডিজ এবং ৫৩ জন মানবিক বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ