১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে শাহীনুর পাশা চৌধুরীর মনোনয়নপত্র দাখিল

  • Update Time : ১১:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর- শান্তিগঞ্জ) আসনে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সংসদ নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজেদুল ইসলামের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তৃনমূল বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে  সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ আজাদের সাথে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা শুরু করি। আমি জগন্নাথপুরের সন্তান আপনাদের খাদিম হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি। আমি জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জের প্রতিটি গ্রাম চষে বেড়িয়েছি। আপনাদের ভালবাসা পেয়ে আমি মুগ্ধ হয়েছি। জাতীয় নেতা আব্দুস সামাদ আজাদের সাথে নির্বাচনের পর থেকেই আপনারা আমাকে কোলে তুলে নিয়েছিলেন। আমি অনুপ্রানিত হয়েছিলাম জনগনের খেদমত করার জন্য। ২০০৫ সালের উপ- নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় মহান জাতীয় সংসদে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। তিনি বলেন, আমার দায়িত্বকালীন সময়ে জগন্নাথপুর কলেজকে ডিগ্রি কলেজে উন্নীত, ৩১ শয্য জগন্নাথপুর হাসপাতালকে ৫০ শয্যায় উন্নীত, ৫২টি প্রাইমারী স্কুলকে ফ্লাড সেন্টারে উন্নীত এবং ১০ টি  হাইস্কুলকে প্রতিটি স্কুলে ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলাম। এভাবে দক্ষিন সুনামগঞ্জবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবীর প্রেক্ষিতে ২০০৬ সালে দক্ষিন সুনামগঞ্জকে উপজেলা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের লালিত স্বপ্ন পূরণ করেছিলাম। এছাড়াও পাগলা- জগন্নাথপুর- আউশকান্দি আঞ্চলিক মহা সড়ক, জগন্নাথপুর- বেগমপুর এল জি ইডি সড়ক, নোয়াখালী ভীমখালি সড়ক সহ বিভিন্ন সড়ক এবং ২৭ টি ব্রীজ, শতাধিক কালভার্ট নির্মানের মাধ্যমে নির্বাচনী এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করি। আমি ৫ বছরের জন্য আপনাদের খাদেম হিসেবে নির্বাচিত হলে আমার নির্বাচনী এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়নকে সমাপ্ত করব।

 

 

উল্লেখ্য জমিয়ত নেতা শাহীনূর পাশা তার দল থেকে পদত্যাগ করলেও মনোনয়ন দাখিলের সময় আলেম উলামা এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে প্রফুল্ল চিত্তে উৎসব মুখর পরিবেশে মনোনয়ন জমা দেন। এসময় জমিয়ত নেতা মাওলানা ফখর উদ্দীন, জমিয়ত নেতা মাওলানা সৈয়দ আব্দুর রহমান জুয়েল, যুব জমিয়ত নেতা মাওলানা সৈয়দ শুয়াইব, যুব নেতা মাওলানা আরশাদ খান আল হাবীব, যুব জমিয়ত নেতা সৈয়দ ওবায়দুর রহমান, কবি আসাদ চৌধুরী, ছাত্র জমিয়ত নেতা হাফিজ শায়খুল ইসলাম, বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব আব্দুল হক, সফু মিয়া, আফু চৌধুরী, কাওছার মিয়াসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে শাহীনুর পাশা চৌধুরীর মনোনয়নপত্র দাখিল

Update Time : ১১:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩

ইয়াকুব মিয়া :: জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর- শান্তিগঞ্জ) আসনে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সংসদ নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজেদুল ইসলামের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তৃনমূল বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে  সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ আজাদের সাথে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা শুরু করি। আমি জগন্নাথপুরের সন্তান আপনাদের খাদিম হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি। আমি জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জের প্রতিটি গ্রাম চষে বেড়িয়েছি। আপনাদের ভালবাসা পেয়ে আমি মুগ্ধ হয়েছি। জাতীয় নেতা আব্দুস সামাদ আজাদের সাথে নির্বাচনের পর থেকেই আপনারা আমাকে কোলে তুলে নিয়েছিলেন। আমি অনুপ্রানিত হয়েছিলাম জনগনের খেদমত করার জন্য। ২০০৫ সালের উপ- নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় মহান জাতীয় সংসদে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। তিনি বলেন, আমার দায়িত্বকালীন সময়ে জগন্নাথপুর কলেজকে ডিগ্রি কলেজে উন্নীত, ৩১ শয্য জগন্নাথপুর হাসপাতালকে ৫০ শয্যায় উন্নীত, ৫২টি প্রাইমারী স্কুলকে ফ্লাড সেন্টারে উন্নীত এবং ১০ টি  হাইস্কুলকে প্রতিটি স্কুলে ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলাম। এভাবে দক্ষিন সুনামগঞ্জবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবীর প্রেক্ষিতে ২০০৬ সালে দক্ষিন সুনামগঞ্জকে উপজেলা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের লালিত স্বপ্ন পূরণ করেছিলাম। এছাড়াও পাগলা- জগন্নাথপুর- আউশকান্দি আঞ্চলিক মহা সড়ক, জগন্নাথপুর- বেগমপুর এল জি ইডি সড়ক, নোয়াখালী ভীমখালি সড়ক সহ বিভিন্ন সড়ক এবং ২৭ টি ব্রীজ, শতাধিক কালভার্ট নির্মানের মাধ্যমে নির্বাচনী এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করি। আমি ৫ বছরের জন্য আপনাদের খাদেম হিসেবে নির্বাচিত হলে আমার নির্বাচনী এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়নকে সমাপ্ত করব।

 

 

উল্লেখ্য জমিয়ত নেতা শাহীনূর পাশা তার দল থেকে পদত্যাগ করলেও মনোনয়ন দাখিলের সময় আলেম উলামা এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে প্রফুল্ল চিত্তে উৎসব মুখর পরিবেশে মনোনয়ন জমা দেন। এসময় জমিয়ত নেতা মাওলানা ফখর উদ্দীন, জমিয়ত নেতা মাওলানা সৈয়দ আব্দুর রহমান জুয়েল, যুব জমিয়ত নেতা মাওলানা সৈয়দ শুয়াইব, যুব নেতা মাওলানা আরশাদ খান আল হাবীব, যুব জমিয়ত নেতা সৈয়দ ওবায়দুর রহমান, কবি আসাদ চৌধুরী, ছাত্র জমিয়ত নেতা হাফিজ শায়খুল ইসলাম, বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব আব্দুল হক, সফু মিয়া, আফু চৌধুরী, কাওছার মিয়াসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ